১০ দিনেও বৃষ্টিকে কেউ নিতে আসেনি, উদ্বিগ্ন আশ্রয়দাতারা

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৬ মে ২০১৯, ১৮:২২

বোনের সঙ্গে ঢাকা শহরে বেড়াতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়া বৃষ্টির (১২) খোঁজে কেউ আসেনি। ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও ঠিকানা উদ্ধার করা যায়নি তার। আর এ জন্য ওই কিশোরীকে তার অভিভাবকদের কাছে পৌঁছে দিতে না পারায় উদ্বিগ্ন আশ্রয়দাতারা।

বৃষ্টির অভিভাবকদের খোঁজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, পুলিশ, এমনকি মাইকে প্রচার করা হয়েছে। কিন্তু কেউ তার খোঁজে আসেনি।

বৃষ্টি গত ১৬ মে বৃহস্পতিবার রাজধানীর সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডে বাসের দুই শ্রমিক ফুসলিয়ে অসহায় ওই কিশোরীকে নিয়ে যাচ্ছিল। এ ঘটনা চোখে পড়ে এক স্কুল শিক্ষিকার। কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর গার্লস স্কুলের ওই শিক্ষিকা তখন মেয়েটির পরিচয় জানার চেষ্টা করেন। তখন মেয়েটির কাছ থেকে তার সঠিক পরিচয় ও ঠিকানা জানতে না পারলেও ভৈরবে তার বাড়ি, সেটিই সে বারবার বলছিল। ভৈরবের কথা শুনে একই জেলা এবং পাশাপাশি দুই উপজেলা হওয়ায় ওই কিশোরীকে তার সঙ্গে ভৈরবে নিয়ে যান শিক্ষিকা। ভৈরবে গিয়ে ওই শিক্ষিকা পৌর মেয়র ফখরুল আলম আক্কাছের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং তার হেফাজতে মেয়েটিকে রেখে যান।

এ বিষয়ে পৌর মেয়র ফখরুল আলম আক্কাছ জানান, তিনি মেয়েটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মেয়েটির ছবি দিয়ে এবং স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মেয়েটির আত্মীয়দের সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু দীর্ঘ ১০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও তার খোঁজে কেউ আসেননি।

বৃষ্টির ভরণপোষণের দায়িত্বে থাকা মেয়রের বড় ভাই মরহুম ফয়সুল আলমের একমাত্র মেয়ে ফাহিমা আলম লিফা বলেন, ‘কাকার (মেয়র) নির্দেশে আমি বৃষ্টিকে আমার বাসায় রেখেছি। কিন্তু ওর অভিভাবকদের খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত স্বস্তিবোধ করছি না। ওকে হারিয়ে না জানি ওর স্বজনরা কত টেনশনে আছেন।’ এক প্রশ্নের জবাবে ফাহিমা আলম লিফা জানান, বৃষ্টির বাবার নাম সমশের ও মা শাবনূর। বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। বোনের নাম মীম এবং সাগর নামে তার এক ভাই মাদ্রাসায় পড়ে। গ্রামের নাম কোনোভাবেই মনে করতে পারছে না বলে জানায়। এর চেয়ে বেশি জানার চেষ্টা করলে সে কোনো জবাব না দিয়ে চুপ করে থাকে বলে জানান লিফা।

(ঢাকাটাইমস/২৬মে/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত