‘বাগানে লাভবান হতে পারছেন না পাহাড়ের কৃষকরা’

রাঙামাটি প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১২ জুন ২০১৯, ১৫:৫০

যত্রতত্র বাগান করা হচ্ছে পাহাড়ে। দেখা হচ্ছে না মাটির প্রকৃতি। একজন বাগান করেছেন, তাকে দেখে  অন্যজন একই বাগান করেন। শেষে দেখা গেছে কোথাও কোথাও ফলাফল এসেছে শূন্য।  যেন এমন অবস্থা দাঁড়াচ্ছে পাহাড়ে।

বুধবার রাঙামাটি জেলা কৃষি তথ্য সার্ভিসের সাংবাদিকদের নিয়ে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এ কথা বলেন কৃষিবিদরা।

কৃষিবিদ নাসিম হায়দার বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের মাটির প্রকৃতি ভিন্ন ভিন্ন। পাহাড় চূড়ার মাটির অবস্থা এক ধরনের, ভ্যালির অবস্থা আরেক ধরনের। হ্রদের পাড়ের অবস্থা এক ধরনের। অবস্থাগত পার্থক্যের কারণে সব এলাকায় একই ধরনের ফল বা সবজির উৎপাদন হয় না। মাটির অবস্থা দেখে সেখানে উপযোগী  বাগান করতে হবে। তবে চাষিরা লাভবান হবে, কিন্তু সেটা অনেকাংশে হচ্ছে না। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান অর্থ সাশ্রয় করে কম দামে চারা সংগহ করে তা কৃষকদের মাঝে বিতরণ করছে। এতে দেখা গেছে, কৃষকরা প্রতারিত হয়। আবার কখনো অল্প জমিতে বেশি চারা লাগানো হচ্ছে। এতে কৃষক লাভবান হচ্ছে না। বিপরীতে যিনি চারা বিতরণ করছেন, তিনি লাভবান হচ্ছেন।’

কর্মশালায় শাকসবজি উৎপাদন, কীটনাশকের ব্যবহার, অপব্যবহার। ফলের চারা পরিচর্যা, ফল উৎপাদন, ফলমূলে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক, প্রাকৃতিক ও জৈবিক উপায়ে রোগবালাই দমনের উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন কৃষিবিদরা।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন- রাঙামাটি জেলা কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক পবন কুমার চাকমা, রাঙামাটি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ আলী আহমদ।

(ঢাকাটাইমস/১২জুন/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :