চোখে মরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে পুলিশের অস্ত্র ছিনতাই

পটুয়াখালী প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৪ জুন ২০১৯, ২১:০৩

জমি নিয়ে সংঘর্ষ থামাতে গেলে পুলিশের চোখে মরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে ১০ রাউন্ড গুলিসহ পিস্তল ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে তিন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের ১১ জন আহত হন। চারজনকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার সকালে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বড় ডালিমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার চার ঘণ্টা পরে একটি নারিকেল গাছ থেকে গুলিসহ পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড় ডালিমা গ্রামের হাকিম হাওলাদার গং এবং কামাল হোসেন গংদের  মধ্যে  জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সকালে জমিতে কামাল হোসেন গং প্রায় ২৫-৩০ জন লোক নিয়ে ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করতে যায়। হাকিম হাওলাদার গং জমি চাষে বাধা দিতে গেলে তাদের জমির কাছে না যাওয়ার হুমকি দেয়। হাকিম হাওলাদার এ ঘটনা বাউফল থানাকে জানায়। ঘটনা নিয়ন্ত্রণের জন্য একজন এএসআই-এর নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে তিনজন পুলিশ পাঠায় থানা কর্তৃপক্ষ। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কামাল হোসেনের পক্ষের ফারুক হাওলাদারের স্ত্রী খাদিজা বেগম পুলিশের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয় এবং  ফিরোজ হাওলাদার মাঈনুদ্দিন নামে এএসআইয়ের কোমর থেকে ১০ রাউন্ড গুলিসহ পিস্তল ছিনিয়ে নেয়। আর পুলিশ সদস্যদের মারধর করে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের  আট জন ও পুলিশের তিনজনসহ ১১ জন আহত হয়।

ঘটনার কিছুক্ষণ পর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালায়। দুপুর একটার দিকে ফিরোজের বাড়ির একটি নারিকেল গাছ থেকে লুণ্ঠিত গুলি ও পিস্তল উদ্ধার করেন। এ সময় আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার পর থেকে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মঈনুল হাসান বাউফলে অবস্থান করছেন এবং পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

(ঢাকাটাইমস/২৪জুন/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :