গাজীপুর সিটি এবার পেল ৩৮২৮ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৫ জুন ২০১৯, ২২:৫০

গত বছরের জুনে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরপর যানজট ও জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৬৬০ কোটি টাকার প্রকল্প পান হন অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম। বছর হতে চললেও গাজীপুর সিটির নাগরিকরা এর সুফল পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এবার ৩ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে আরেকটি প্রকল্পের অনুমোদন পেল গাজীপুর সিটি করপোরেশন।

‘গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন জোনের প্রধান সংযোগ রাস্তাগুলো প্রশস্তকরণসহ নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ’শীর্ষক প্রকল্পটি আজ মঙ্গলবার  একনেক সভায় অনুমোদন হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র জাহাঙ্গীর আলমও উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানান, জাহাঙ্গীর আলম তার সিটি করপোরেশনের এই প্রকল্পের জন্য কয়েক মাস ধরে যোগাযোগ করে আসছিলেন।

একনেক সভা-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। সেখানে এক সংবাদকর্মী প্রশ্ন রাখেন, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশনকে যে টাকা দিলেন, এর আগেও বড় অঙ্কের টাকা দেয়া হয়েছিল। জানি না আপনি সম্প্রতি ওই রাস্তায় গিয়েছেন কি না। ড্রেন সেই অবস্থাতেই আছে। এভাবে যদি চলতে থাকে…।’

জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এভাবে চলবে না। আপনারা খোঁজ-খবর রাখেন। এটা নাকের ডগায়, আমরাও খেয়াল রাখব।’

গত বছরের ৬৬০ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে সেই প্রকল্পটির নাম ছিল ‘গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন (রাস্তা ও ড্রেন)’।

আজকে অনুমোদন পাওয়া ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন জোনের প্রধান সংযোগ রাস্তাগুলো প্রশস্তকরণসহ নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ’প্রকল্পটির ৩ হাজার ৮২৮ কোটি টাকার মধ্যে সরকার দেবে ৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ২০ লাখ এবং সিটি করপোরেশন দেবে ৩৮২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে গাজীপুর সিটি করপোরেশন। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন গঠিত হওয়ার পর নগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে নগরীর রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত উন্নয়ন করা জরুরি। নগরীর জনসাধারণের যাতায়াত ব্যবস্থা ও জীবনমান উন্নয়নের জন্য গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জন্য প্রকল্পটি প্রণয়ন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন এ প্রকল্পের আওতায় ৪৩ দশমিক ২৫ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ (বিটুমিনাস কার্পেটিংয়ের মাধ্যমে), ৪০ দশমিক ৫৫ কিমোমিটার রাস্তা নির্মাণ (আরসিসির মাধ্যমে), ৮৯ দশমিক ৭০ কিলোমিটার ফুটপাত ও ড্রেন নির্মাণ, ২৩৯ দশমিক ৭৮ একর ভূমি অধিগ্রহণসহ বেশ কিছু কাজ করা হবে।

(ঢাকাটাইমস/২৫জুন/মোআ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :