সমালোচনা উপেক্ষা করে ফিলিস্তিনি বসতি ভাঙছে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ২২ জুলাই ২০১৯, ১৫:৩২

আন্তর্জাতিক সমালোচনা উপেক্ষা করে জেরুজালেমের শহরতলিতে সামরিক বেড়ার কাছে অবস্থিত ফিলিস্তিনি বসতি ভেঙে ফেলছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ-প্রতিরোধ এবং আন্তর্জাতিক গোষ্ঠির সমালোচনার পরও বসতি ভাঙার সিদ্ধান্ত পাল্টায়নি ইসরায়েল।

সোমবার সকাল থেকে শত শত ইসরায়েলি সেনা ও পুলিশ বুলডোজার নিয়ে সামরিক বেড়ার কাছের গ্রাম সুর বাহেরের বাড়িঘর ভাঙতে শুরু করে। পূর্ব জেরুজালেমের এই গ্রামটি ১৯৬৭ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইসরায়েল দখল করে নেয়।

ফিলিস্তিনিদের আশঙ্কা, শুধু মাত্র সুর বাহেরের বসতি ভেঙেই খ্যান্ত হবে না ইসরায়েল। তারা এই দিক দিয়ে যে রুটটি পশ্চিম তীরের দিকে চলে গেছে তার পাশের বসতিগুলোও পর্যায়ক্রমে ভেঙে ফেলবে।

জেরুজালেমকে পবিত্র ভূমি বলে মনে করে ফিলিস্তিনিরা। এখানে পাঁচ লাখ ইসরায়েলি ও তিন লাখ ফিলিস্তিনের বসবাস। ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ জেরুজালেমকে ঘিরে দীর্ঘ বিবাদের বিষয়টিকে আরও জিইয়ে রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্ট গত জুন মাসে এক আদেশে জানায়, ওই ভবনগুলো নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে বানানো হয়েছে। বাড়িঘরগুলো থেকে লোকজনকে সরে যাওয়ার সময়সীমা গত শুক্রবার শেষ হয়েছে। তবে সেখানে বসবাস করা ফিলিস্তিনিরা বলছেন, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের কারণে তারা গৃহহীন হয়ে যাবেন। ইসরায়েলের দখল করা পশ্চিম তীরের কিছু এলাকায় ফিলিস্তিনি শাসনে চলে। তারা ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে বাড়ি বানিয়েছিলেন বলে জানান।

জাতিসংঘের মানবকল্যাণ–বিষয়ক সমন্বয়কারী জেমি ম্যাকগোল্ডরিক এবং অন্য জাতিসংঘ কর্মকর্তারা ভবন ভাঙার পরিকল্পনা থেকে সরে আসার জন্য ইসরায়েল কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। ইসরায়েলি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এক বিবৃতিতে বলেছে, এই ধরনের নীতি চলমান রাখার মধ্য দিয়ে দুই দেশের সংকট সমাধান ও শান্তি আনার প্রচেষ্টাকে খাটো করা হয়।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ। ফিলিস্তিন স্বাধীনতা সংস্থা এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি আদালতকে অভিযুক্ত করে জানায়, ফিলিস্তিনি বাড়িঘর ভেঙে ইসরায়েলি দখলকে আরও সক্ষম করে তুলতে নজির স্থাপন করেছে আদালত।

ঢাকা টাইমস/২২জুলাই/একে

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :