জামিন নামঞ্জুর, এনামুল বাছির কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৩ জুলাই ২০১৯, ১৮:৩৬ | প্রকাশিত : ২৩ জুলাই ২০১৯, ১৬:০২

৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার দুদকের সাময়িক বরখাস্তকৃত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ  দেন।

এর আগে সোমবার রাত ১০টা ২০ মিনিটে রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম এলাকা থেকে এনামুল বাছিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার বেলা দুইটার দিকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। বেলা পৌনে ৩টার শুনানি শুরু হয়। দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মোশারফ হোসেন কাজল তদন্ত কর্মকর্তা দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানা ফিল্ল্যার আদালতে পাঠানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন।

আবেদনে তিনি বলেন, আসামি বাছির মামলার পর বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাসহ মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত বিনষ্ট ও সাক্ষীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। তাই জামিন পেলে তিনি বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন এবং মামলার আলামত বিনষ্ট ও সাক্ষীদেরও আবার প্রভাবিত করতে পারেন।

অন্যদিকে দুদকের সাবেক প্রসিকিউটর মো. কবির হোসাইনসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী আসামির জামিন আবেদন করেন। তারা আসামির বিরুদ্ধে থাকা ঘুষ গ্রহণের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং এটি তার বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, এনামুল বাছির চাকরিতে পদোন্নতি না পাওয়াসংক্রান্তে হাইকোর্টে একটি রিট করার কারণেই তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে এ মামলা করা হয়েছে। যদিও দুদকের প্রসিকিউটর এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়ার পর আসামির পক্ষের আইনজীবীরা কারাগারে ডিভিশন প্রদানের আবেদন করেন। দুদক প্রসিকিউটর কাজল এ বিষয়ে কারাবিধি অনুযায়ী আদেশ হলে তাদের কোনো আপত্তি নেই মর্মে জানান। এরপর বিচারক ডিভিশনের বিষয়ে কারবিধি অনুযায়ী আদেশ হবে বলে জানান।

এর আগে কারাগারে থাকা এ মামলার আরেক আসামি জিআইজি মিজানুর রহমানকে (সাময়িক বরখাস্ত) গত ২২ জুলাই  শোন অ্যারেস্ট দেখায় একই আদালত। তিনি অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে গত ২ জুলাই থেকে কারাগারে রয়েছেন।

মামলায় অভিযোগ, আসামি ডিআইজি মিজানের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন খন্দকার এনামুল বাছির। ডিআইজি মিজান ওই অভিযোগ থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য আসামি এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ/ উৎকোচ দেন। অবৈধ চুক্তি অনুযায়ী মিজান অভিযোগ থেকে অব্যাহতি না পাওয়ায় তিনি ঘুষ দেয়ার বিষয়টি মিডিয়ায় প্রকাশ করেন। যদিও বছির তা অস্বীকার করেন। পরবর্তী সময়ে দুদকের অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় গত ১৬ জুলাই দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানা ফিল্ল্যা ঢাকা জেলা কার্যালয় এ মামলা করেন। দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/ ১০৯ ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(৩)(৩) ধারায় মামলাটি করা হয়।

(ঢাকাটাইমস/২৩জুলাই/আরজেড/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :