এডিপির বাস্তবায়ন হার বেড়েছে

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ০৬ আগস্ট ২০১৯, ১৭:২৬

গত বছর থেকে সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বেড়ে হয়েছে ৯৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা গত বছরে এডিপি বাস্তবায়ন হার ছিলো ৯৪ দশমিক ১১ শতাংশ।

টাকার অঙ্কে বিদায়ী অর্থবছরে খরচ হয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এডিপির ৯৪ দশমিক ১১ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছিল। তখন অবশ্য ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা খরচ করা সম্ভব হয়েছিল। আগের বারের চেয়ে বিদায়ী অর্থবছরে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা বেশি খরচ হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে '২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (আরএডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

এম এ মান্নান বলেন, ‘পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসিয়ে প্রকল্প তদারকি করা হচ্ছে। আমরা প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে যাচ্ছি। সামনে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসিয়ে মন্ত্রণালয়ে বসে প্রকল্প তদারকি বাড়ানো হবে।’

এডিপি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমার জন্য ফুল বছর। আমরা টিম হিসেবে কাজ ভালো করেছি। সামনে টিমের তদারকি বাড়বে। নিয়মিতভাবে আমরা পিডিদের নিয়ে বসবো। পিডিরা সচিবদের অফিসার, তারাও যেন এক সঙ্গে বসে। আইএমইডির (বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ) মাধ্যমে প্রকল্প এলাকায় তদারকি বাড়াবো। আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য কাজে গতি বাড়ানো।’

প্রকল্প বারবার সংশোধন প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনা হবে বলে জানিয়ে এম এ মান্নান বলেন,  ‘কোনো প্রকল্প একবার সংশোধন হতে পারে। তবে দুইবার ও তিনবার কাম্য নয়।  তিনবার প্রকল্প সংশোধন স্বাস্থ্যসম্মত নয়। তিনবার প্রকল্প সংশোধন করলে প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনা হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রকল্পে ভূমি ব্যবহারে আরো শতর্ক থাকতে হবে। প্রকল্প এলাকায় বেশি জমি ব্যবহার করা যাবে না। অনেক প্রকল্প বহু আগে নেয়া হয়েছে, কিন্তু জমি পড়ে আছে। যেমন সাভারে রেডিও সেন্টার নির্মাণের কথা বলে জমি নেয়া হয়েছে। এই রমক প্রকল্প অযৌক্তিকভাবে নেয়া হয়। প্রকল্পে অহেতুক জমি নেয়া যাবে না।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সিরিয়াসলি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। সবাইকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। এটা নির্বাচনী অর্থবছর ছিলো। ফলে তিন মাস কাজ বন্ধ ছিলো। কেনই বা নির্বাচনে সময় উন্নয়ন কাজ বন্ধ থাকবে? পৃথিবীর অন্যান্য দেশে নির্বাচনে উন্নয়ন কাজ বন্ধ থাকে না।’

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম, সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এবং পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) বেগম সাহিন আহমেদ চৌধুরী।

ঢাকা টাইমস/ ০৬ আগস্ট/জেআর/আরএ

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :