সুনামগঞ্জে নৌকাডুবি: সাত শিশুসহ ১০ জনের লাশ উদ্ধার

প্রকাশ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৬:৫০ | আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:০২

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নের কালিয়া কুঠা হাওরে নৌকাডুবির ঘটনার ১০জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এদের মধ্যে সাত শিশু ও তিনজন নারী।

বুধবার দুপুরে সর্বশেষ নাছিমপুর গ্রামের আরজ আলীর মেয়ে তাছমিনা বেগমের (১১) লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপরই অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দেব।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারগুলোকে ৯০হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রফিনগরের ইউনিয়নের মাছিমপুর থেকে নৌকায় করে চরনার চর ইউনিয়নের পেরুয়া গ্রামে যাচ্ছিলেন ২৫ থেকে ৩০ যাত্রী। নৌকাটি কালিয়া কুঠা হাওরে ঝড়ের কবলে পড়ে সব যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়।

বৈরি আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কাজ কিছু বিলম্বিত হয়েছে বলে জানান, সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ডেপুটি অ্যাসিসট্যান্ট ডাইরেক্টর শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কে এম নজরুল জানান, বুধবার সকালে যাদের উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন, রফিনগর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের আরজ আলীর স্ত্রী রইতনু নেছা (৩৫), একই গ্রামের জাসদ মিয়ার মেয়ে শান্তা বেগম (৪), চরনাচর ইউনিয়নের পেরুয়া গ্রামের করিমা বেগম (৬২) ও নোয়ারচর গ্রামের আসাদ মিয়া (৬), আজিজুন বেগম স্বামী আফজল হোসেন ও আরজ আলীর মেয়ে তাছমিনা বেগম (১১)। আর মঙ্গলবার রাতে উদ্ধারকৃত নিহত শিশুরা হল মাছিমপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে শামীম (৩), একই গ্রামের বদরুল মিয়ার ছেলে আবিদ (৪), নোয়ারচর গ্রামের আফাজালে ছেলে সোহান (২) ও চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া গ্রামের ফিরোজ আলীর ছেলে আজম (২), নাছিমপুর গ্রামের আরজ আলীর মেয়ে তাছমিনা বেগম (১১)।

স্থানীয় সাংবাদিক মোজাহিদ সর্দার জানান, নৌকা ডুবির ঘটনায় নোয়রচর, মাছিমপুর ও পেরুয়া গ্রামে মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারগুলোতে শোকের মাতম চলছে। উদ্ধারকৃত লাশ গুলো নিহতের পরিবারের কাছে হস্থান্তর করার কার্যক্রম চলছে।

ঢাকাটাইমস/২৫সেপ্টেম্বর/ইএস