বইমেলায় জে. আলীর নতুন দুই বই

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪:৫৪ | প্রকাশিত : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪:১৬

এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় জনপ্রিয় লেখক ও কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক জে. আলীর দুইটি নতুন বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। একটি হলো আত্মউন্নয়নমূলক বই ‘কিংবদন্তীর নীরব ধন’। যা প্রকাশিত হচ্ছে কলি প্রকাশনী থেকে এবং বইমেলায় পাওয়া যাবে ৩১৯, ৩২০, ৩২১ নং স্টলে। এছাড়াও বইটি রকমারিতে প্রি-অর্ডার করা যাচ্ছে। অপরটি হলো ছোটগল্পের সংকলন উপেক্ষা, প্রকাশ করছে স্টুডেন্ট ওয়েজ পাবলিকেশন। বইমেলায় পাওয়া যাবে ২০ নং প্যাভিলিয়নে। এই বইটিও রকমারিতে প্রি-অর্ডার করা যাচ্ছে।

এছাড়াও পূর্বে প্রকাশিত তার কয়েকটি বেস্ট সেলিং বইগুলো হলো ইঁদুরের পকেটমানি, সফলতার প্রথম পাঠ, সফলতার দ্বিতীয় পাঠ, লাবনী পয়েন্ট, উপন্যাস অভিশাপ।

হুমায়ুন পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখক জে. আলী। তার লেখায় টান আছে, আছে পাঠককে মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় ধরে রাখার চমৎকার লেখনীশৈলী। ১৯৭৯ সালের ৩ মার্চ টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব পাশের পয়লা গ্রামে জন্ম নেওয়া এই লেখক পড়াশোনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে। উপেক্ষা তার দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ। তার লেখা অভিশাপ উপন্যাসটি পাঠক মহলে সাড়া জাগিয়েছে দারুন ভাবে। জীবনের প্রয়োজনে অধ্যাপনা করলেও লেখালেখিই তার ব্রত। ভালোবাসেন বই পড়তে, দুষ্প্রাপ্য বই সংগ্রহ করতে।

সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য পেয়েছেন ‘মিডিয়া জার্নালিস্ট ফোরাম অ্যাওয়ার্ড – ২০১৯’ এবং অভিশাপ উপন্যাসের জন্যে পেয়েছেন ‘মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২০’।

অসম্ভব সক্ষমতা দিয়ে বিধাতা সৃষ্টি করেছেন মানুষকে। কিন্তু ব্যক্তিগত, পারিবারিক, কর্মক্ষেত্র এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা এবং অবস্থানের কারণে কেউ এই অসম্ভব সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে পারে, কেউ বা পারে না। মানুষের দৈহিক সামর্থ্য সীমিত, কিন্তু চিন্তাজাত এবং কল্পনার সামর্থ্য অসীম। এই অসীম সামর্থ্যের বাস্তব প্রয়োগ নিজেদের জীবনে দেখিয়েছেন যুগে যুগে কিংবদন্তীরা। এ প্রসঙ্গেই মহাবিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেছিলেন- ‘কর্মের চেয়েও কল্পনাশক্তি বেশি কার্যকরী’।

র্বতমান বিশ্বে মানুষের ভেতরের শক্তিকে কিভাবে আরও জাগ্রত করা যায়, উজ্জ্বীবিত করা যায়, কাজে লাগানো যায় তা তা নিয়ে প্রচুর গবেষণা হচ্ছে, লেখা হচ্ছে শত শত বই। সেই তুলনায় আমরা অনকে পিছিয়ে, ‘কিংবদন্তীর নীরব ধন’ এমনই একটি বই যা পাঠককে প্রচন্ডভাবে আত্মবিশ্বাসী করবে, সাহায্য করবে মাথা ঠান্ডা রাখতে, দায়িত্বিশীল আচরণ ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে। এই বই পড়ে ধৈর্য্যের স্বরুপ চিনতে পারবে পাঠক। অধ্যবসায় যে একজন মানুষকে সাধারণ অবস্থা থেকে কতটা সুমহান উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে তার প্রকৃষ্ঠ উদাহরণ রয়েছে বইটিতে।

মানবীয় সম্পর্কগুলো টানাপোড়ন নিয়ত এবং চিরন্তন। এই সম্পর্কগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অন্তর্ভেদী কষ্টের নাম হলো উপেক্ষা, যা সহ্য করা যায় না, যা প্রকাশ করা অসম্ভব অথচ হৃদয়ে বাজে বাঁশির করুণ সুরের মতই। যে সুর হৃদয়কে দগ্ধ করে, অতীত সুখস্মৃতির রোমন্থন করে, আর চলে বেদনার দীর্ঘশ্বাসের হলি খেলা। অথচ আমরা কাউকে উপেক্ষা করে আনন্দ পাই, অন্যকে সেটা গল্পের ছলে বলতেও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। কিন্তু নিজেরা যখন কারো কাছে উপেক্ষিত হই ঠিক তখন সত্যিকার অর্থে বুঝি উপেক্ষা শব্দটি কতটা ভারী, কতটা অন্তর্জালায় ভোগায় অন্তরকে। এই বইয়ের গল্পগুলো উপেক্ষিত মানুষগুলোর সত্যিকার আহাজারি।

(ঢাকাটাইমস/৯ফেব্রুয়ারি /এজেড)

সংবাদটি শেয়ার করুন

সাহিত্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :