ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা অবশিষ্ট নেই: প্রকাশ সিং বাদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৯:১৩

দিল্লির সহিংসতা নিয়ে হিন্দুত্ববাদী বিজেপির সহযোগী আকালি দলের নেতা ও পাঞ্জাবের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল প্রকাশ সিং ‘ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র আর অবশিষ্ট নেই’ বলে মন্তব্য করেছেন। শুক্রবার কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের শাসনামলে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

আকালি নেতা ও পাঞ্জাবের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল বলেন, ‘আমাদের দেশের সংবিধানে তিনটি জিনিস উজ্জ্বল হয়ে আছে, তা হল ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’, ‘সমাজতন্ত্র’ ও ‘গণতন্ত্র’। কিন্তু এখানে ধর্মনিরপেক্ষতা বা সমাজতন্ত্র আর অবশিষ্ট নেই। ধনীরা আরও ধনী হচ্ছে, দরিদ্ররা আরও দরিদ্র হয়ে উঠছে। গণতন্ত্রও মাত্র দুটি স্তরে থেকে গেছে, একটি হলো লোকসভা নির্বাচন এবং অন্যটি রাজ্য নির্বাচন, অন্য কিছু নয়’।

দিল্লির ঘটনাকে খুব দুর্ভাগ্যের বিষয় বলে উল্লেখ করে সবাইকে শান্তিতে বাস করা খুব জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের ছেলে ও আকালি দলের নেতা নরেশ গুজরাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখে দিল্লির সাম্প্রতিক সহিংসতায় পুলিশের উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। নরেশ গুজরাল বলেন, প্রতিবার সহিংসতায় সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা দুর্ভাগ্যজনক!

আকালি দলের নেতা নরেশ গুজরাল বৃহস্পতিবার বলেন, আমরা ১৯৮৪ সাল ফের আসুক তা দেখতে চাই না। আমি দিল্লিবাসী হয়ে গর্বিত। গতবার (১৯৮৪ সালে) দিল্লিতে শিখরা আক্রান্ত হয়েছিল এবার মুসলিমরা। দুর্ভাগ্যক্রমে, প্রত্যেকবাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায় আক্রান্ত হয়েছে।

১৯৮৪ সালে শিখবিরোধী দাঙ্গা হয়েছিল। এই সময়ে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছিলেন। নরেশ গুজরাল বলেন, আমি ফোন করে দিল্লির মৌজপুর এলাকায় এক ঘরে আটকে থাকা ১৬ জন মুসলিম সম্পর্কে তথ্য দিয়েছিলাম এবং অপারেটরকে বলেছিলাম যে আমি সংসদ সদস্য। সকাল ১১ টা ৪৩ মিনিটে দিল্লি পুলিশ আমার অভিযোগের নম্বর ৯৪৯৬০৩ জানিয়ে নিশ্চিত করে। কিন্তু আমার অভিযোগের বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি এবং ওই ১৬ জন ব্যক্তি দিল্লি পুলিশের কোনো সহায়তা না পাওয়ায় আমি হতাশ হয়েছি! যখন কোনো এমপির অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না, তখন সাধারণ মানুষের কী হতে পারে? কোনো সভ্য ভারতীয় ১৯৮৪ সালের পুনরাবৃত্তি চায় না।

ঢাকা টাইমস/২৯ফেব্রুয়ারি/একে

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :