প্রাইম ব্যাংকের কর্মকর্তারা বাসা থেকেই কাজ করবেন

ঢাকাটাইমস ডেস্ক
 | প্রকাশিত : ০২ জুন ২০২০, ১৮:১৪

কোভিড-১৯ এর কারণে সরকারের ঘোষিত সাধারণ ছুটি শেষ হবার পর মানুষের জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দেশের অর্থনীতি যখন পরিবর্তিত ও নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নেয়া শুরু করেছে, তখন স্বাস্থ্য নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাইম ব্যাংক গ্রাহক ও কর্মীবাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।

গণমাধ্যমে পাঠনো প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩১ মে ব্যাংকটির দেশব্যাপী ১৪৬টি শাখা চালু হলেও কর্মকর্তাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যেকটি শাখায় ন্যূনতম কর্মীর উপস্থিতিতে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রত্যেকটি শাখায় স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।

সরকারের ঘোষিত সাধারণ ছুটি শেষ হবার পর ফ্রন্টলাইনে অর্থাৎ শাখায় সরাসরি যারা গ্রাহকদের সেবা দেন তাদের শুধুমাত্র শাখায় উপস্থিত হয়ে কাজ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। বাকিরা বাসা থেকে কাজ করছেন। এছাড়া সাপোর্ট ফাংশনের কর্মকর্তাদের বাসা থেকে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে ব্যাংকটি। নিরাপত্তার স্বার্থে সন্তানসম্ভবা, জটিল রোগে আক্রান্ত ও বয়োজ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদেরকে অবশ্যই বাসা থেকে অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ব্যাংকটি দেশব্যাপী সব অফিসে পরিচ্ছন্নতা ও জীবাণুনাশ কার্যক্রম, নিরাপত্তা সামগ্রী বিতরণ ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করছে। অধিক ঝুঁকির মুখোমুখি কর্মকর্তাদের অ্যাপ্রন, ফেস শিল্ড, হেড কভার এবং অন্যান্যদের মাস্ক, গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অনেক কর্মীকে জীবাণুনাশের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। মাস্ক ছাড়া ব্যাংকের কোন অফিসে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।

প্রাইম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাহেল আহমেদ বলেন, ‘গ্রাহক ও এর কর্মকর্তাদের সুস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তায় প্রাইম ব্যাংক সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। এজন্যই আমরা এই মহামারীর শুরু থেকেই স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করি। সাধারণ ছুটি শেষ হবার পর যখন আমাদের সব শাখা কার্যক্রম শুরু করেছে, তখন আমরা এই স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা কার্যক্রমের পরিধি ও ব্যাপকতা আরও বাড়িয়েছি।’

শাখায় আসা এড়িয়ে গ্রাহকরা যাতে দৈনন্দিন ব্যাংকিং করতে পারেন সেজন্য আধুনিক ও যুগোপযুগী ইন্টারনেট ব্যাংকিং সার্ভিস - অ্যালটিচুড, ১৭০টি এটিএম ও ২৪ ঘন্টার কন্টাক্ট সেন্টার (১৬২১৮) এ সেবার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ও ই-কমার্সে লেনদেনে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর ফলে গ্রাহকরা শাখায় না এসেও দৈনন্দিন অনেক সেবা নিরাপদে গ্রহণ করতে পারবেন।

যারা বাসা থেকে অফিস করছেন তাদেরকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সুবিধা দেয়া হয়েছে, যাতে তারা টিমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করতে ও সব দায়িত্ব নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করা হচ্ছে। শাখায় ন্যূনতম কর্মী ও বাসা থেকে অফিস করার ব্যবস্থা চালু থাকলেও গ্রাহকসেবায় কোনভাবেই কোন ছাড় দেয়া হবে না।

(ঢাকাটাইমস/২জুন/কেএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :