তামাকজাতীয় পাতা থেকে করোনার ভ্যাকসিন, মানব ট্রায়াল শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ১৬ জুলাই ২০২০, ১৬:২৭

তামাকজাতীয় পাতা থেকে মহামারি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছে কানাডার একটি কোম্পানি। এরই মধ্যে সেই ভ্যাকসিনের প্রথম পর্যায়ে ট্রায়াল শুরু করেছে কানাডার বায়োফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি মেডিকাগো।

১৮০ জন সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক স্বেচ্ছাসেবককে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। মেডিকাগোর সঙ্গে ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের দায়িত্বে রয়েছে কানাডার কোম্পানি ফিলিপ মরিস।

মেডিকাগোর সায়েন্টিফিক ও মেডিক্যাল রিসার্চ বিভাগের একজিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট নাথালি ল্যানড্রি বলেছেন, উদ্ভিজ্জ উপাদান থেকে তৈরি হয়েছে এই ভ্যাকসিন। মানুষের শরীরে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত। ২০ বছর ধরে প্ল্যান্ট-ভ্যাকসিন তৈরির রেকর্ড রয়েছে মেডিকাগোর। করোনা প্রতিরোধে এই ভ্যাকসিনও কার্যকরী প্রমাণিত হবে আশা করা যায়। প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালের পরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল হবে অক্টোবরে।

অস্ট্রেলিয়ার এক প্রজাতির উদ্ভিদ নিকোটিনা বেন্থামিয়ানা থেকে ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে বলে জানানোর হয়েছে সংস্থার তরফে। এই প্রজাতির উদ্ভিদ তামাক গাছের সমগোত্রীয়। করোনার তিন ধরনের স্পাইক প্রোটিনের জেনেটিক কোড এই উদ্ভিদের পাতায় ভরে দেওয়া হয়েছিল বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে।

গবেষকরা বলেছেন, ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ভাইরাল প্রোটিনের জিনগত তথ্য এই উদ্ভিদের পাতায় ভরে দেওয়া হয়। ৬-৯ দিন পরে ভাইরাল প্রোটিনের মতো উপাদান তৈরি করে এই উদ্ভিদ। এই উপাদানগুলো থেকেই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট ডিজাইন করা হয়েছে। উদ্ভিজ্জ উপাদান যেহেতু, তাই করোনার প্রোটিনের মতো সংক্রামক নয়। মানুষের দেহকোষে ঢুকে অ্যান্টিবডি তৈরির প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে তুলবে বলেই দাবি গবেষকদের।

৩.৭৫ মাইক্রোগ্রাম,৭.৫ মাইক্রোগ্রাম ও ১৫ মাইক্রোগ্রাম ডোজে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থার সিইও ব্রুস ক্লার্ক। এই ভ্যাকসিনের তিন পর্যায়ের ট্রায়ালে সাফল্য এলে ২০২১ সালের মধ্যে ১০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন ব্রুস।

মার্চ মাস থেকেই ভ্যাকসিন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছিল মেডিকাগো। গত ১২ মার্চ সংস্থার তরফে জানানো হয়েছিল, গাছের পাতায় ‘ভাইরাস-লাইক পার্টিকল’ তৈরি করেছে তারা। এই ভিএলপি হল ভ্যাকসিন তৈরির প্রথম ধাপ।

গবেষকরা বলছেন, এই উপাদান শরীরে ঢুকে ভাইরাসের স্পাইক গ্লাইকোপ্রোটিনকে নকল করতে পারবে। দেহকোষ তখন এই ভাইরাল প্রোটিনের মতো উপাদান দেখে অ্যান্টিবডি তৈরির কাজ শুরু করে দেবে। যেহেতু ভাইরাসের কোর জেনেটিক মেটিরিয়াল নেই তাই এই উপাদান সংক্রামক নয়। দেহকোষের কোনো ক্ষতি করবে না।

ঢাকা টাইমস/১৬জুলাই/একে

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ

লোহিত সাগরে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, নিহত অন্তত ৩৩

তীব্র গরমে বিশ্বব্যাপী বছরে ১৯ হাজার শ্রমজীবীর মৃত্যু

গাজা ইস্যুতে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো 

ফের দফায় দফায় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তাইওয়ান

ইরানে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিজেরাই ধ্বংস করে ইসরায়েল!

মালদ্বীপে সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী চীনপন্থি প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর দল

পাকিস্তান সফরে ইরানের প্রেসিডেন্ট রাইসি 

ব্যর্থতার দায় নিয়ে ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা প্রধানের পদত্যাগ 

২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করলো কলকাতা হাইকোর্ট

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান তুরস্কের

এই বিভাগের সব খবর

শিরোনাম :