ক্রেডিট কার্ডের সুদহার সর্বোচ্চ ২০ শতাংশের বেশি নয়

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:০৬ | প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:১৫

ক্রেডিট কার্ডের সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে অন্যান্য যে কোনো ঋণের চেয়ে ৫ শতাংশ বেশি সুদ আরপ করতে পারতো ব্যাংকগুলো। তবে এখন থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশের বেশি সুদ কাটতে পারবে না ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। নির্দেশনাটি কার্যকর হবে চলতি বছরের ১ অক্টবর থেকে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০১৭ সালের ৩ অগাস্ট ক্রেডিট কার্ড বিষয়ে একটি নীতিমালা জারি করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তাতে বলা হয়েছিল, ক্রেডিট কার্ডের সুদের হার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অন্যান্য ঋণের সুদের সর্বোচ্চ সুদহারের চেয়ে ৫ শতাংশের বেশি হবে না এবং এই সুদহার কেবল মাত্র অপরিশোধিত বকেয়া স্থিতির উপর প্রযোজ্য হবে। ওই নীতিমালার নির্দেশনা অনুযায়ী, ক্রেডিট কার্ডে নির্ধারিত সীমার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ আগাম হিসেবে নগদ উত্তোলন করা যাবে এবং ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে গ্রাহককে কোনো আনসলিসিটেড ঋণ বা অন্য কোনো ঋণ দেওয়া যাবে না। “কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোনো কোনো ব্যাংক উক্ত নির্দেশনা লঙ্ঘন করে ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে বিভিন্ন নামে বিভিন্ন প্রকার নগদে উত্তোলনযোগ্য ঋণ সুবিধা দিচ্ছে; যা ব্যাংকের ঋণ ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে এবং এ ধরনের ঋণের উপর ফ্ল্যাট রেটে অযৌক্তিকভাবে বেশি সুদ আরোপ/আদায় করছে; যা গ্রাহকের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করছে।”এছাড়া কোনো কোনো ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের পরিশোধ না করা বিলের ওপর লেনদেনের তারিখ থেকেই সুদ আরোপ এবং পরিশোধ না করা বিলের বিপরীতে ‘প্রগ্রেসিভ রেটে’ বিলম্ব ফি আদায় করছে বলেও অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এ অবস্থায় ক্রেডিট কার্ড লিমিটের বিপরীতে ঋণ সুবিধাসহ মুনাফা যৌক্তিকীকরণ এবং গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো- ক্রেডিট কার্ডের মুনাফার হার ২০ শতাংশের বেশি নির্ধারণ করা যাবে না। ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধের জন্য নির্ধারিত সর্বশেষ তারিখের পরের দিন থেকে বিলের ওপর সুদ আরোপ করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনোভাবেই লেনদেনের তারিখ থেকে সুদ আরোপ করা যাবে না। বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী ক্রেডিট কার্ডের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ নগদে উত্তোলনযোগ্য ঋণ সুবিধা ছাড়া অন্য কোনো নামে নগদে উত্তোলনযোগ্য ঋণ সুবিধা দেওয়া যাবে না। বিলম্বে পরিশোধিত কোনো বিলের বিপরীতে শুধুমাত্র একবার বিলম্ব ফি (অন্য যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেনো) আদায় করা যাবে। এছাড়া আগের নীতিমালার অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে।

(ঢাকাটাইমস/ ২৪ সেপ্টেম্বর/ আরএ/ইএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

অর্থনীতি এর সর্বশেষ

সাউথ বাংলা ব্যাংকের আশুলিয়া শাখা নতুন ঠিকানায় স্থানান্তর

ইসলামী ব্যাংক-ক্লাউডওয়েলের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

থাইসেনক্রুপ এলিভেটর ও গার্ডিয়ান লাইফের মধ্যে গ্রুপ লাইফ ইন্স্যুরেন্স চুক্তি স্বাক্ষর

সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পেলেন প্রাইম এক্সচেঞ্জের দুই গ্রাহক

ফিরোজ আলম প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত

সাড়ে ৯ হাজার স্থানীয় পোশাক কারখানায় অর্ধেক শ্রমিক শিশু!

পার্বতীপুরে কার্যক্রম শুরু করল এনআরবিসি ব্যাংক

নতুন ৪৩ পণ্য মান সনদের আওতাভুক্ত করল বিএসটিআই

বিএটির মুনাফা ৫ গুণ বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার

আইএফসির সঙ্গে প্রাইম ব্যাংকের ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সলিউশন্স চুক্তি

এই বিভাগের সব খবর

শিরোনাম :