জেএমআই চেয়ারম্যান ও সিএমএসডি'র ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রিতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৭:০৮ | প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৬:৫৬

করোনা মহামারিতে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক ও কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এর উপপরিচালক মো. নূরুল হুদা বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) প্রণব কুমার ভট্টচার্য্য ঢাকা টাইমসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেএমআই চেয়ারম্যান ছাড়া সিএমএসডি’র যে ৬ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে তারা হলেন, উপপরিচালক ডা. জাকির হোসেন, সহকারী পরিচালক (স্টোরেজ অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন) ডা. শাহজাহান সরকার, চিফ কো-অর্ডিনেটর ও ডেস্ক অফিসার জিয়াউল হক, ডেস্ক অফিসার (বর্তমানে মেডিক্যাল অফিসার, জামালপুর) সাব্বির আহমেদ, স্টোর অফিসার (পিআরএল ভোগরত) কবির আহমেদ এবং সিনিয়র স্টোর কিপার ইউসুফ ফকির।

এসব বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে দুদক সচিব দিলোয়ার বখত বলেন, সিএমএসডির নিয়মানুযায়ী সার্ভে কমিটির মাধ্যমে যাচাই করে পণ্য গ্রহণ করার কথা থাকলেও-সার্ভে কমিটির মাধ্যমে যাচাই না করেই বর্ণিত ব্যক্তিগণ পরস্পর যোগসাজসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেরা লাভবান হয়ে কিংবা সরবরাহকারীকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে নকল এন-৯৫ মাস্ক ১০টি প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করে স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্যদের মৃত্যুর ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেন।

মামলা দায়েরের পর আজ দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে জেএমআই গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাককে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদক পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি টিম গ্রেপ্তার করে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘আসামিগণ পরষ্পর যোগসাজসে অপরাধজনক বিশ্বসভঙ্গ করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নিজেরা লাভবান হয়ে ও অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে প্রকৃত এন-৯৫ মাস্ক এর পরিবর্তে জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের এর উৎপাদিত ২০,৬১০ পিস নকল এন-৯৫ মাস্ক ১০টি প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করে দ-বিধির ৪০৯/১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।’

চলতি বছরের ১০ জুন থেকে দুদক কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ক্রয়সহ হাসপাতালে সরবরাহের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ওষুধাগারের (সিএমএসডি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

(ঢাকাটাইমস/২৯সেপ্টেম্বর/এসআর/ইএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :