দ্বীপে নেই চিকিৎসা ব্যবস্থা, মাঝ সাগরে গর্ভবতীর মৃত্যু

প্রকাশ | ০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬:৩২ | আপডেট: ০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬:৫৪

কক্সবাজার প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে আধুনিক হাসপাতাল থাকলেও সেখানে গর্ভবর্তী মায়েদের জন্য নেই চিকিৎসার সুব্যবস্থা, নেই ডেলিভারি ইউনিটও। ফলে মাঝে মধ্যেই সেখানে অকাল মুত্যুর কবলে পড়ছেন প্রসূতিরাও। সর্বশেষ মঙ্গলবার কুলসুমার (২২) নামের এক গর্ভবতীর প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয়। এসময় ডেলিভারির জন্য তাকে সাগর পথে টেকনাফ নেওয়ার সময় মারা যান তিনি। তার স্বজনদের অভিযোগ দ্বীপের হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকলে অকালে প্রাণ হারাতে হতো না কুলসুমকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দ্বীপে একটি অত্যাধুনিক মানের হাসপাতাল থাকলেও পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা সহজে মেলে না। এছাড়া ডেলিভারির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব সেবা ইউনিট না থাকায় সাগর বেয়ে টেকনাফ যেতে হয়। এই আসা-যাওয়ার পথেই অনেক মাকে অকালেই প্রাণ হারাতে হয়। তাই এই দ্বীপে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যাবতীয় চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য হাসপাতালের যাবতীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি ডেলিভারি ইউনিট চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, ‘এই দ্বীপের বাসিন্দাদের সরকারি স্বাস্থ্য সেবার জন্য হাসপাতাল থাকলেও সেবার মান অপ্রতুল। এছাড়া ডেলিভারি ইউনিট না থাকায় প্রায়ই গর্ভবতী মায়েদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

এই ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা ঊর্ধ্বতন মহলকে জানিয়েছি। শিগগিরই এই দ্বীপে ডেলিভারি সেবাসহ যাবতীয় স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

(ঢাকাটাইমস/৮ডিসেম্বর/পিএল)