ভোজ্য তেলে অগ্রিম কর প্রত্যাহার

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০২১, ১৪:৪০

রমজানে দ্রব্যমুল্য সহনীয় রাখতে আমদানিকৃত অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ও পামওয়েল তেলের ওপর ৪ শতাংশ অগ্রিম কর প্রত্যাহার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ( এনবিআর)।

রবিবার এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুমিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মুমেন ঢাকাটাইমসকে জানান, আসন্ন রমজানে ভোজ্য তেলের দাম জনসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতেই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এস.আর.ও নং- ৯২-আইন/২০২১/১৩৪-মূসক স্মারকে বলা হয়, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ (২০১২ সালের ৪৭ নং আইন) এর ১২৬ উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ৩০ জুন, ২০১৯ সালে জারিকৃত এস.আর.ও. নং- ২৩৯-আইন/২০১৯/৭৫ মূসক এর নিন্মরুপ অধিকতর সংশোধন করা হলো।

এর আগে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে প্রস্তাবনাসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এনবিআরের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল আমদানিতে আরোপিত কর ও ভ্যাট যৌক্তিক হারে নির্ধারণের জন্য এনবিআরকে অনুরোধ করা হয়েছিল বলে জানা যায়।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিপণন ও পরিবেশক বিষয়ক জাতীয় কমিটির সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি অভিন্ন মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতি লিটার ভোজ্য তেলের মূল্যের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করার ঘোষণা দেন।

ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি লিটার সয়াবিন (খোলা) মিল গেটে ১০৭ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১১০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন মিলগেট মূল্য ১২৩ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১২৭ টাকা এবং খুচরা মূল্য ১৩৫ টাকা। পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন মিলগেট মূল্য ৫৮৫ টাকা, পরিবেশক মূল্য ৬০০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ৬২৫ টাকা।

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেলের বাজার অস্থিতিশীল থাকায় দেশের পরিশোধনকারী মিল ও ভোক্তাস্বার্থ বিবেচনায় ভোজ্য তেলের মূল্য সীমা নির্ধারণ করে দেয় সরকার।

(ঢাকাটাইমস/১১এপ্রিল/আরএ/কেআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :