যাতায়াত-আবাসনসহ সুবিধা বাড়ায় অভ্যন্তরীণ পর্যটন বাড়ছে

কাজী রফিক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:১৪ | প্রকাশিত : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৩

মহামারি করোনাভাইরাসে অন্যান্য খাতের মতো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের পর্যটন শিল্প। সামাজিক দূরত্ব মানার বাধ্যবাধকতা থাকায় এসময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন স্পটগুলি বন্ধই ছিল। এখন খোলা থাকায় দেশের অপার সম্ভাবনাময় এ খাতের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

সোমবার বিশ্ব পর্যটন দিবসকে ঘিরে একগুচ্ছ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। এদিন বাংলাদেশের পর্যটন অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরতে চায় সংস্থাটি। এসব বিষয় ঢাকা টাইমসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. হান্নান মিয়া।

প্রশ্ন: পর্যটন দিবসকে ঘিরে কী ধরনের আয়োজন করা হয়েছে?

হান্নান মিয়া: ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস। এবছর দিবসটির প্রতিপাত্য বিষয় ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য পর্যটন।’ এই দিবস প্রতিপালনের জন্য বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ব্যাপক আয়োজন করেছে। আমরা বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে এ আয়োজন করেছি। ২৬ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এবং সচিব মহোদয় একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। এর মাধ্যমে তারা দেশবাসীকে জানাবেন, ভবিষ্যতে পর্যটন খাত নিয়ে আমাদের কি করনীয়।

এছাড়া ওইদিন বিকালে আমরা পর্যটন করপোরেশন স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে একটি অনলাইন আলোচনার আয়োজন করেছি। পরবর্তী দিন আমরা ক্রোড়পত্র প্রকাশ করব। যার মাধ্যমে আমরা দেশবাসীর কাছে পর্যটন দিবসের মাহাত্ম্য তুলে ধরব। সকালবেলা আমার আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে ‘লাইভ কুকিং শো’ নামে একটি অনুষ্ঠান করছি। আপনারা জানেন আমাদের একটি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (এনএইচটিটিআই) খুবই নামকরা একটি প্রতিষ্ঠান। এর ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আমরা লাইভ কুকিং শো করব। এবং দেশবাসীকে জানাবো এখানে আসেন, এখানে কাজ করেন, আপনার প্রশিক্ষিত হন, দক্ষ হন, দেশে-বিদেশে সমাদৃত হন। এই আমাদের প্রচেষ্টা।

এই অনুষ্ঠানের পর আমরা দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছি। আলোচনার পর আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে একটি বর্ণাঢ্য রেলি আয়োজন করেছি। রিয়েলিটি বর্ণাঢ্য কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মেনে যতটুকু করা যায় আমরা সেভাবে আয়োজন করেছি। স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করতে গিয়ে এবার আমরা মেলায় করছি না। আপনারা জানেন আমরা দুইটা বছর অনেক ক্রান্তিকাল পার করেছি। এবার যেহেতু সরকার দয়া করে অর্ধেক খুলে দিয়েছেন, এই দিবসের মাধ্যমে জানান দিতে চাই- আমরা শেষ হয়ে যাইনি, আমরা জেগে আছি, আমরা পর্যটন শিল্পের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

আমরা দেশবাসীকে আরও উৎসাহিত করতে চাই। পাশাপাশি এই কথাটি বলতে চাই, এই পর্যটন শিল্পের দ্বারা যেন আবার আমরা কোভিড আক্রান্ত হয়ে না পরি। এ বিষয়টি জানানোর জন্যও আমরা ব্যাপক আয়োজন করেছি।

আমাদের শহরের বিভিন্ন জায়গায় রঙিন ব্যানার, ব্যানারসহ ঘোড়ার গাড়ি, রিকশা এবং বিভিন্ন বাদ্য বাজনার মাধ্যমে বিষয়টির একটি উৎসবমুখর পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যতটুকু জানানো যায় সেভাবে আমরা প্রোগ্রামের আয়োজন করেছি। ২৭ সেপ্টেম্বর বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম ডিপার্টমেন্টসহ অনেকগুলি প্রতিষ্ঠানে আছে, যাদের নিয়ে আমরা আলোচনা সভার আয়োজন করেছি। এর মাধ্যমে আমরা এই দিবসের মাহাত্ম্য জানান দেওয়ার চেষ্টা করছি।

প্রশ্ন: পর্যটন দিবসে দেশের ঐহিত্যের দিকে নজর রাখা হয়েছে কি-না?

হান্নান মিয়া: আমরা মূলত কুকিং শো থেকে দেশের ঐতিহ্যকে প্রাধান্য দিয়ে আসছি। পর্যটনের একটি বড় দিক হলো দেশীয় কৃষ্টি-কালচার। যা প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা আমরা করেছি। কুকিং শোতে সেটা সংক্ষিপ্ত আকারে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি রেলিতেও এটির প্রতিফলন দেখা যাবে। আমাদের দেশীয় বাদ্যযন্ত্র, দেশীয় সংস্কৃতির কিছু বিষয় আমরা রাখার চেষ্টা করেছি।

এছাড়া আমাদের ছাদে একটি রেস্টুরেন্ট আছে। আমরা সেখানে চেষ্টা করছি দেশীয় খাদ্য নিয়ে একটি ফেস্টিভেল করার। যেহেতু গত দুই বছর অনেক কষ্ট পেয়ে আমরা এই অবস্থায় এসেছি, এখন একটু স্বাস্থ্যবিধি মেনে যতটুকু সম্ভব কাজ করার চেষ্টা করছি।

প্রশ্ন: করোনাকালে পর্যটন করপোরেশন কিভাবে চলেছে?

হান্নান মিয়া: করোনার মহামারীতে থেকে বাঁচার জন্যে আমি কি করেছি? বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন আমার ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়িয়ে মোকাবেলা করেছি। এ ব্যবস্থাপনা সক্ষমতার মূল উপাদান হলো সততা, দক্ষতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি। প্রথম করোনার বছরে মাত্র চার মাস আমাদের বন্ধ ছিল। তখন যে লস হয়েছে পরবর্তী বছরে নয় মাস বন্ধ থাকার পরেও লস কম হয়েছে।

আমি আমার সক্ষমতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে কাজ করেছি। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন নিজেরাই নিজেদের বেতন দেয়। সরকার থেকে বেতন দেয় না। এখনও পর্যন্ত সরকারের কাছে হাত পাততে হয়নি। আমরা আমাদের দক্ষতা দিয়ে আমাদের অবস্থান ঠিক করেছি।’

প্রশ্ন: বেসরকারিভাবে যারা পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত, তাদের তো লোকসান গুনতে হয়েছে। তাদের জন্য সরকারের উদ্যোগ কী?

হান্নান মিয়া: যারা কক্সবাজারসহ অন্য জায়গায় পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত তারা খুবই নাজুক অবস্থায় পড়েছেন। তারা আগাতে পারেননি। তাদের জন্য সরকার প্রণোদনা দিয়েছে। আমি তো মনে করি এই সরকারের মানবিক দিক সকলকে এই ক্রান্তিকাল উত্তোরনে সহায়তা করবে।

প্রশ্ন: দেশের পার্বত্য অঞ্চলসহ বিভিন্ন দুর্গম অঞ্চলে আগত পর্যটকদের জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে?

হান্নান মিয়া: এটা আমাদের একটি দীর্ঘমেয়াদী স্বপ্নের বিষয়। আমাদের দেশের পর্যটন দুইটা ভাগে বিভক্ত। একটি দেশীয় বা অভ্যন্তরীণ পর্যটন। আরেকটি আন্তর্জাতিক পর্যটন। অভ্যন্তরীণ পর্যটন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে আমাদের সমুদ্র সৈকত অল্প কিছু পর্যটক দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিল। এখন কিন্তু দেশের সকল শ্রেণির ভ্রমণপিয়াসী মানুষ হাজির হচ্ছেন। দেশীয় পর্যটন নিয়ে আমরা খুবই আশাবাদী।

আন্তর্জাতিক পর্যটনের বেলায় যাতায়াত-অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা। এই দুইটা দিক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সরকার এরইমধ্যে টুরিস্ট পুলিশ গঠন করেছেন এবং আমি মনে করি, বাংলাদেশ এ যাবতকালের সবচেয়ে ভালো আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উপহার দিয়েছে। এটি আমাদের বিদেশী পর্যটকদের জন্য একটি অনুকূল দিক।

পার্বত্য অঞ্চলে আমাদের সেনাবাহিনী যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রনালয়কে আমরা বিষয়টি অবগত করেছি। এক সময় আমাদের ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন যেখানে বিদেশিরা যেতে চাইতো না। সেখানে পদ্মা পার হয়ে দীর্ঘ সময় সময় লাগত এবং যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো ছিল না। আজকে কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পদ্মা সেতু হয়ে যাচ্ছে এবং এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে যাচ্ছে। বিদেশীদের জন্য এটি একটি পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে পরিণত হচ্ছে। ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট এখন যাওয়া সহজ হয়ে যাচ্ছে।

আমাদের সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে রেললাইন এবং টানেল নির্মাণের। এর মাধ্যমে প্রত্যেকটি জায়গা পর্যটন বান্ধব হয়ে উঠবে। আমরা এখন শুধুমাত্র টেকঅফ করার পর্যায়ে আছি। এরই মধ্যে আমরা রানওয়েতে আছি। ইনশাল্লাহ আমাদের বিদেশি পর্যটকরা ব্যাপকহারে আসবেন, এ প্রত্যাশা রাখছি।

প্রশ্ন: পর্যটন করপোরেশন কীভাবে কাজ করছে?

হান্নান মিয়া: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান না। অনেকে এটিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মনে করে। সরকার এটি নিয়ে ব্যবসা করে না। আমরা ব্যবসাকে উৎসাহিত করি, ব্যবসার পথ দেখাই। যেখানে এখনও বেসরকারি বিনিয়োগের পৌঁছায়নি সেই চর কুকরি-মুকরি, নিঝুমদ্বীপ, সুন্দরবনের গহীনে আমরা ছোট-ছোট সুবিধা তৈরি করছে। যেন জনগণকে সেখানে আকৃষ্ট হয়। পর্যটকরা যেতে পারেন। বিষয়টি যখন ব্যবসা সফল হয় তখন সেখানে বেসরকারি বিনিয়োগ গিয়ে হাজির হয়। তখন কিন্তু বেসরকারি বিনিয়োগের সঙ্গে আমিও বিনিয়োগ করে পাল্লা দিয়ে ব্যবসা করা আমার উদ্দেশ্য নয়। বেসরকারি বিনিয়োগের এখানে ঝাঁপিয়ে পড়বে এটাই আমাদের সাফল্য। এটাই সরকারের সাফল্য। আমরা শুধু পথ তৈরি করে দিচ্ছি। আমাদের লাভ করতে হবে এটা আমাদের মূল লক্ষ্য নয়। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগটাকে প্রসারিত করা। এজন্য দুর্গম এলাকায় যাচ্ছি। কয়রার বেতকাশিতে আমরা চলে যাচ্ছি, পাথরঘাটা, তালতলী সেখানে আমরা আস্তে আস্তে ছোট ছোট সুযোগ-সুবিধা তৈরি করছি। আমি কিন্তু বড় একটা রিসোর্ট করবো না, বড় রিসোর্ট করা আমাদের লক্ষ্য না। এটা করার জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ আছে। আমরা ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু করছি।

সরকার আমাকে যতটুকু অনুমতি দেয় ততটুকু সুযোগ-সুবিধা আমি তৈরি করেছি। হোটেল-মোটেল এটা দিয়ে শুরু করছি। তাহলে কক্সবাজার আমি আছি কেন? কক্সবাজার বেসরকারি বিনিয়োগ চলে গেছে। সেখানে আমাদের যেটা আছে সেটা সরকারী সম্পদ। সেটাকে আমরা ব্যবস্থাপনা করে রেখেছি। আমি মনে করি এখন বিত্তবানেরা বেসরকারিতে যাক এবং দেশীয় পর্যটক কিছু আছে যাদের একটা জায়গায় যেতে হবে তারা আমারটায় থাকুক। আমারটা দিয়ে আমি সাধারণ আমজনতা যারা আছে তাদেরকে সেবা দিয়ে চাই। আমাদের তো সকলের সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রশ্ন: ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনাগুলোকে পর্যটন কেন্দ্র করতে করপোরেশন কী ভাবছে?

হান্নান মিয়া: কান্তজির মন্দির দেখতে পর্যটক এসেছেন। আমাদের সাতগম্বুজ মসজিদ দেখতে বহু বিদেশি এসেছেন এবং আমাদের এশিয়ার বহু বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী আমাদের মহাস্থানগড় এবং পাহাড়পুর দেখতে এসেছেন। আমাদের হযরত শাহজালাল (রহ.) এর দরগাহ দেখতে অনেক পর্যটক যাচ্ছেন। এখানে আমাদের শুধু সুযোগ-সুবিধাটা দরকার। দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়ে গেছে। এখন যানজট আছে, এগুলো বিদেশীরা পছন্দ করেন না। আমাদের যেভাবে সড়ক প্রশ্বস্ত হচ্ছে, নতুন নতুন সড়ক হচ্ছে, অনেক সুন্দর হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট হচ্ছে। এর মাধ্যমে আমরা বিদেশিদের চাহিদা মতো সকল সুযোগ সুবিধা দেওয়ার সক্ষমতায় পৌঁছে যাচ্ছি।

প্রশ্ন: আগামী ১০ বছর পর বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প কোন অবস্থায় যেতে পারে বলে আপনি মনে করছেন এবং এর জন্য করণীয় কী?

হান্নান মিয়া: এখন দিন এসেছে আমাদের ভালো হয়ে যাওয়ার। কারণ আমরা দরিদ্র দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। অর্থনীতিতে গিয়েছেন। আমাদের আরো বেশি সৎ হতে হবে, অনেক বেশি দক্ষ হতে হবে। আগামী দিনের বাংলাদেশকে চালাতে হলে অদক্ষ লোক দিয়ে চলবে না। আমাদের দক্ষ লোকগুলো যদি পাই, সৎ লোকগুলো যদি পাই, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির লোক যদি পাই এবং এ ধারা যদি চলমান থাকে তাহলে আগামী ১০ বছরে ভিন্ন বাংলাদেশ পাব।

অল্প কিছু মানুষের জন্য আমাদের যে দুর্নাম হয়ে গেছে সে দুর্নাম থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। আগামী পাঁচ বছর, ১০ বছর বলেন আমরা যদি আগাতে পারি আমরা কিন্তু ’৪১ (ভিশন ২০৪১) ঠিকই পাব। আর যদি আমরা ‘৪১ না পাই তাহলে এর জন্য আমরা নিজেরাই দোষী। আমরা পারি নাই, আমাদের সততার অভাব, আমাদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির অভাব। কিন্তু আমাদের রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা সঠিক পথে যাচ্ছে। পদ্মা সেতুর মতো সেতু করেছি, আমরা আকাশে পৌঁছে গিয়েছি স্যাটেলাইট দিয়ে, আমাদের রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারকরা সঠিক কাজ করছেন। এখন প্রধান কাজ আমি মনে করি আমাদের সকলের সৎ হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া। তাহলে আমরা সফল বাংলাদেশ দেখতে পাবো।

ঢাকা টাইমসকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

হান্নান মিয়া: আপনাকেও ধন্যবাদ।

(ঢাকাটাইমস/২৬সেপ্টেম্বর/কেআর/ডিএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

সাক্ষাৎকার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :