বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুকন্যা ব্যতীত দেশের উন্নয়ন-অর্জনের ইতিহাস নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:১০

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর দুই কন্যা শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহেনার হাত ধরেই এদেশের সকল উন্নয়ন ও অর্জন সাধিত হয়েছে। পক্ষান্তরে, আরেকটি ঘৃণিত পরিবার-মেজর জিয়া, খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার হাত ধরে এদেশের যত বদনাম ও অপরাজনীতির জন্ম হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারেক রহমান সরকারের ভেতরে আরেকটি সরকার তৈরি করেছিল। দেশের সম্পদ লুটপাট করেছিল। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে শেখ হাসিনাকে প্রধান টার্গেট করে ২০০৪ সালে একুশে অগাস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল। তারেক রহমানের মদদেই সারা দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কানাডা, কুইবেক শাখা আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়াউর রহমান হত্যার প্রধান কুশীলব বেগম জিয়া উল্লেখ করে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, জিয়া হত্যায় খালেদা জিয়া জড়িত। এর প্রমাণ হলো বেগম জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে একটি বারের জন্যও জিয়া হত্যার ব্যাপারে কোনো শব্দ করেননি বা বিচার দাবি করেননি। শুধু বেগম জিয়াই না, তাঁর পুত্র তারেক জিয়াও কোনো দিন বাবার হত্যার বিচার চাননি।

ডা. মুরাদ বলেন, উন্নয়নের ইতিহাস জানতে হলে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে। উন্নয়নের ইতিহাস জানতে হলে ১৯৭৫ সালের জিডিপির প্রবৃদ্ধির ইতিহাস জানতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৯.৪ শতাংশ। যা এখন পর্যন্ত স্বাধীনতার ৫০বছর পুর্তিতেও আমরা অর্জন করতে পারিনি।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান আরও বলেন, জাতির পিতা এদেশের মানুষের মুক্তির নাম। পাকিস্তানের শোষণ-নিপীড়ন, অত্যাচার-জুলুম থেকে বাংলাদেশের মানুষকে মুক্তি-স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু রক্ত দিয়ে বাঙালি জাতিসত্ত্বার নাম লিখে গেছেন। আমাদের স্বাধীন দেশ, পতাকা, মানচিত্র ও পাসপোর্ট দিয়ে গেছেন।

জাতির পিতার সাহস ও নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাংলার মানুষকে পাকিস্তানের শাসন-শোষণ-নিপীড়ন থেকে মুক্ত এবং স্বাধীন করবার জন্য যখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘স্বাধীনতা’ উচ্চারণ করলেন তখন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মজলুম জননেতা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী তারা কেউই এগিয়ে আসেনি।

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বলা যাবে না, বলতে হবে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। জাতির পিতার সমগ্র জীবনের লড়াই, সংগ্রাম,ত্যাগ- তিতিক্ষার ইতিহাস আমাদের সকলের জানতে হবে। জাতির পিতার ইতিহাস জানতে হলে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘আমার দেখা নয়াচীন’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ এই তিনটি বই পড়তে হবে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কানাডা, কুইবেক শাখার সভাপতি মুন্সি বশীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত নেতা-কর্মী ও প্রবাসী বাঙালিদের মাঝে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ‘অসমাপ্ত আত্নজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ এই তিনটি বই বিতরণ করেন।

(ঢাকাটাইমস/২৬সেপ্টেম্বর/কেআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :