কাতারে কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবর্ধনা

প্রকাশ | ০২ মে ২০২৩, ১৩:০৫

কাতার প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস

কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের গৌরবময় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দোহার একটি হোটেলে রবিবার স্থানীয় উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ এবং কূটনৈতিক কোরের সদস্যদের সম্মানে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। কাতারের পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শেখ ড. ফালেহ বিন নাসের বিন আহমেদ বিন আলী আল থানি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগতিক দেশের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমকর্মী, কাতার প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরাসহ প্রায় চার শতাধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম তার বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন সংগ্রাম, দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে তথা যুদ্ধ পরবর্তী দেশ গঠনে ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি জাতীয় নেতা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে সমর্থন দানকারী দেশ ও জনগণের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশকে ‘উন্নয়ন বিস্ময়’ উল্লেখ করে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি স্মার্ট উন্নত দেশে পরিণত করার সরকারের ভিশন তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রদূত নজরুল ইসলাম কাতারের আমিরের নেতৃত্বে উন্নয়ন, কূটনীতি, ক্রীড়া, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে কাতারের অনুকরণীয় সাফল্য তুলে ধরেন। তিনি কাতারে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য দেশটির আমির ও কাতার সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এদিন স্থানীয় আরবি দৈনিক আল-শার্ক বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বাণী প্রকাশ করে আট পৃষ্ঠার একটি ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। দোহায় ৬ মার্চ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত ভাষণটিও ক্রোড়পত্রে  প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস, মহান স্বাধীনতা, উন্নয়ন, সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, দর্শনীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, শিল্প ও সংস্কৃতি উপস্থাপন করে নৃত্য ও গান পরিবেশন করেন দোহা ভিত্তিক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গায়কবৃন্দ। ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবারসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

(ঢাকাটাইমস/২মে/এআর)