পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩:৩০

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি।রবিবার বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদনের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান এই প্রশ্ন তুলেন।

তিনি বলেন, যে বিচারের কথা আমরা শুনেছি সেই বিচার কী হয়েছে? সেই আপিলের শুনানি আজকে ১৫ বছর পার হয়েছে। তার পরর্বতীতে ২০১১ সালে আরেকটি বিস্ফোরক মামলা দেওয়া হয়েছে। সেই মামলার বিচার কার্য আজকে পর্যন্ত কেনো বিলম্বিত হচ্ছে? একটি কথা আছে, যদি বিচার বিলম্বে হয় তাহলে সেই বিচারের কোনো মূল্য থাকে না। কাজেই আজকে আমরা শুনেছি যে, সেই বিচার প্রক্রিয়া এখনো ঝুলে আছে। কেনো ঝুলে আছে ? কেনো সেই অভিযোগে যাদেরকে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে, তারা আজ পর্যন্ত বিনা বিচারে কেনো তারা কারাবাস করছে?

মইন খান বলেছেন, একটি জাতির ইতিহাসে এই ধরনের দুঃখজনক ঘটনা কোন জাতির ইতিহাসে কখন ঘটেছে আমাদের জানা নেই। আজকে আমরা শুধু একটি কথাই বলব, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক যেন সুশাসনের মাধ্যমে, আইনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পান আমরা সেটাই প্রত্যাশা করি। অপরাধী শাস্তি পাবে সে সম্বন্ধে আমাদের কিছু বলার নাই।কিন্তু আমরা যে আইনের ব্যবস্থায় বিশ্বাস করি তার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের প্রোসপোডেন্স এবং জাস্টিস সিস্টেম দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে একটি কথা বলা আছে- একজন নির্দোষ ব্যক্তিও যেন কখনো শাস্তি না পায়।

আমরা সেই নীতিতে বিশ্বাস করি, সেই নীতিতে বিশ্বাস করে এই সংক্রান্ত মামলায় যারা অভিযুক্ত হয়েছে তাদের সুবিচার আমরা কামনা করি।তিনি বলেন, বিচার কাজে কখনো কোনো ইন্টারফেয়ারেন্স করা এটা যুক্তিযুক্ত নয়। এটা বিচারাধীন বিষয় আছে। আমাদের যারা বিচারক রয়েছেন তাদের যে নীতি সেই নীতিতে অবিচল থেকে ন্যায় বিচারের মাধ্যমে এই বিষয়টি অতি দ্রুত সুরাহা করবেন আজকে ১৫ বছরের পরে আমরা সেই প্রত্যাশা করি।

আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদদের স্মরণে স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন। এই সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে এলাহি আকবর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল জয়নাল আবেদীনসহ তৎকালীন বিডিআরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ২০০৯ সালে ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর এর কতিপয় বিপদগামী উচ্ছৃঙ্খল সদস্যদের হাতে নিরস্ত্র সেনাসদস্যদের হত্যাকাণ্ডের ১৫তম শাহাদাত বার্ষিকীর নিহতদের কবরে পুস্পমাল্য অর্পণের এই শ্রদ্ধা নিবেদনের অনুষ্ঠান হয়।

(ঢাকাটাইমস/২৫ফেব্রুয়ারি/জেবি/এসএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :