কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতদের হুমকি দেওয়া হয়: জয়শঙ্কর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
| আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৭:৪৯ | প্রকাশিত : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৭:২৭

গত কয়েক মাসে কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় হাইকমিশনে হামলা হয়েছে। হুমকি দেওয়া হয়েছে ভারতীয় কূটনীতিকদের। মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে এই ঘটনাগুলোর তদন্ত করা হলেও, কানাডা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

সোমবার ভারতের নিউজ নেটওয়ার্ক টিভি নাইনের বার্ষিক সম্মেলন, ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডের’ মঞ্চে এমনই অভিযোগ করেন জয়শঙ্কর।

‘রাইজ অব দ্য গ্লোবাল সাউথ’ বিষয়ে এক কথোপকথনে অংশ নিয়ে ভারত-কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী সমস্যা নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি।

জয়শঙ্কর বলেন, ‘আমাদের রাষ্ট্রদূতদের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তাদের প্রাণহানির ঝুঁকি ছিল। তাই আমরা কানাডার নাগরিকদের ভিসা প্রদান করা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিলাম। এখন অবশ্য ভিসা প্রদান ব্যবস্থা প্রায় স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। আসলে, বাক স্বাধীনতার নামে কূটনীতিকদের ভয় দেখানো যায় না। এটা বাক স্বাধীনতার অপব্যবহার বলে মনে করি আমি।

তিনি বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনারদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। তাদের কোনো নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। ভারতের পতাকা নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমার প্রশ্ন হলো, এটাকে কী বাক-স্বাধীনতা বলা যায়? যুক্তরাষ্ট্রেও একই ধরনের হামলা হয়েছিল। সেই দেশে এসব ঘটনার তদন্ত চলছে। যদি কানাডা কোনো পদক্ষেপ না করে, তবে সেটাকেও একটা বার্তা হিসেবেই ধরতে হবে। যারা আমাদের কূটনীতিকদের হুমকি দিয়েছে, যারা তাদের বিরুদ্ধে পোস্টার লাগিয়েছে, সেই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে।’

শুধু কানাডার সঙ্গে নয়, চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়েও এদিন আলোচনা করেন জয়শঙ্কর। তিনি জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরে দুই দেশের সম্পর্কের ওঠানামা হলেও একটা স্থিতাবস্থাও রয়েছে। গত ২৫ বছরে দুই দেশেরই ব্যাপক উত্থান ঘটেছে।

ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, ভারতের আগে চীনের অগ্রগতি শুরু হয়েছিল। ভারতের উত্থান সেই সময় আটকে ছিল রাজনীতির জাঁতাকলে। ভারত ও চীন, দুই প্রতিবেশী দেশই পৃথিবীকে বদলে দিচ্ছে। তাই এই সম্পর্কে জটিলতাও রয়েছে। ভারত প্রাথমিকভাবে ১৯৯০ সালের চুক্তি অনুযায়ী প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বজায় রাখার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ২০২০ সালে চীন সেনা সেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছিল। তাই ভারতও ওই এলাকায় সেনা উপস্থিতি বাড়ায়। চীনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ ছাড়াও ভারত এখন ডিজিটাল ক্ষমতা, সামরিক ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং পরিকাঠামোর উন্নয়নে জোর দিয়েছেন বলে জানান জয়শঙ্কর।

সূত্র: টিভি নাইন

(ঢাকাটাইমস/২৭ফেব্রুয়ারি/এমআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ

এই বিভাগের সব খবর

শিরোনাম :