দুর্নীতি অনুসন্ধান: ‘দান’ পেয়ে ১৩ কোটি টাকার মালিক স্বামী-স্ত্রী, অবিশ্বাস্য বলে মামলা দুদকের

প্রকাশ | ১২ মে ২০২৪, ২২:১৭ | আপডেট: ১২ মে ২০২৪, ২২:৫৬

মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম, ঢাকা টাইমস

রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় মো. মাসুদুর রহমান (৪৫) ও তার সহধর্মিণী এলিজা আক্তার উর্মি (৩৯) নামে এক দম্পত্তির বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ১৩ কোটি ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৪ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্ত দম্পতির দাবি, দানের টাকায় এসব সম্পদ অর্জন করেছেন তারা।

 

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদ‌ক) এক‌টি সূত্র রবিবার ঢাকা টাইমসকে এ তথ‌্য নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছে। গত বৃহস্পতিবার (৯ মে) দুর্নীতি দমন কমিশন, ঢাকা-১ এর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এই মামলা দুটি করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলা দুটি করেন।

 

সংস্থাটি জানায়, মো. মাসুদুর রহমান জ্ঞাত আয় বহির্ভূত আট কোটি ৪২ লাখ ৯৩ হাজার ৭৫০ টাকা মূল্যের সম্পদ এবং তার সহধর্মিণী এলিজা আক্তার উর্মি চার কোটি ৭৬ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮৪ টাকা মূল্যের সম্পদ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অর্জন করেছেন। উভয়ে অবৈধভাবে মোট ১৩ কোটি ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৪ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

 

মো. মাসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলার এজহারে বলা হয়, মো. মাসুদুর রহমান ২০১৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ২ কোটি ২৮ লাখ ৭৪ হাজার ৫৯৫ টাকার স্থাবর, ৭ কোটি ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯৩৫ টাকার অস্থাবরসহ মোট নয় কোটি ৪৬ লাখ ২০ হাজার ৫৩০ টাকা এবং ইউএস ডলার ১০ হাজার ৫২৯ দশমিক ৯০ ও ৪০ ভরি স্বর্ণ (যার মূল্য উল্লেখ নেই) সম্পদের তথ্য দেন।

কিন্তু ওই সম্পদ যাচাই করে ২ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার ৫৯৪ টাকার আস্থাবর ও ৭ কোটি ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯৩৫ টাকার অস্থাবরসহ মোট ৯ কোটি ৪৬ লাখ ৬৬ হাজার ৫২৯ টাকা এবং ইউএস ডলার ১০ হাজার ৫২৯ দশমিক ৯০ এবং ৪০ ভরি স্বর্ণের তথ্য পেয়েছে দুদক।

 

মো. মাসুদুর রহমানের অর্জিত সম্পদের বিপরীতে আয়ের উৎসগুলো পর্যালোচনা করে দুদক দেখতে পায়, তার ২০০৮-২০০৯ করবর্ষে পূর্ববর্তী জীবনের সঞ্চয় ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও দান বাবদ প্রাপ্ত ছয় কোটি ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। ২০০৯-২০১০ করবর্ষ হতে ২০১০-২০১১ করবর্ষ পর্যন্ত ব্যবসা হতে আয় পাঁচ লাখ ৬ হাজার ৪০ টাকা। ২০১০-২০১১ করবর্ষ হতে ২০১৭-২০১৮ করবর্ষ পর্যন্ত কোম্পানি হতে বেতন ও ভাতা বাবদ প্রাপ্তি ৯৭ লাখ ৭৬ হাজার ৪৭৫ টাকা। ২০১০-২০১১ করবর্ষে পিতা-মাতা হতে দান প্রাপ্তি ১১ লাখ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা। ২০১৪-১৫ করবর্ষে জমি বিক্রি হতে লাভ ৭ লাখ ৩০ হাজার ৩৫৫ টাকা। ২০১৫-১৬ করবর্ষ হতে ২০১৭-১৮ করবর্ষ পর্যন্ত ব্যাংক সুদ ও টিডিআর বাবদ আয় ৬ লাখ ৮ হাজার ১৭৩ টাকা। ২০১৭-২০১৮ করবর্ষে ব্যবসা হতে ৮২/সি ধারায় আয় ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৬৮০ টাকা ও ২০১৭-২০১৮ করবর্ষে শেয়ার হতে লাভ বাবদ প্রাপ্তি ৭ লাখ ১৭ হাজার ১০০ টাকাসহ মোট আয় ৭ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার ৮২৩ টাকা।

 

কিন্তু তার আয়কর রিটার্নে ২০০৯-২০১০ করবর্ষে ঘোষিত (১৯৯০-৯১ করবর্ষে) ছয় কোটি ১৯ হাজার ৫০০ টাকা দান প্রাপ্তির বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয় বলে এজহারে উল্লেখ করা হয়।

 

বলা হয়, আলোচ্য নথির ক্ষেত্রে মো. মাসুদুর রহমান কর্তৃক ৬ কোটি ১৯ হাজার ৫০০ টাকা দান গ্রহণের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, দানদাতার কোন আয়কর নথি নেই এবং দানদাতাদের নাম-ঠিকানা তথা কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

 

তাছাড়া, মো. মাসুদুর রহমানের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে তার জন্ম ১৯৭৯ সালের তিন এপ্রিল। সে হিসেবে ১৯৯০-৯১ করবর্ষে অর্থাৎ ১৯৮৯-৯০ অর্থ বছরে তার বয়স ছিল ১০ বছর। তাছাড়া এত ছোট বয়সে তার আত্মীয়-স্বজন তার অন্য ভাই-বোনদেরকে কিছুই না দিয়ে তাকে এত বড় এমাউন্টের নগদ অর্থ কেন দান করেছেন তারও কোন সন্তোষজনক জবাব তিনি প্রদান করতে পারেননি।

 

একইভাবে তার স্ত্রী কর্তৃক দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১৯৯০-৯১ করবর্ষে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নিকট হতে দান বাবদ ৪ কোটি ৪৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। এর সমর্থনে তিনি ১৯৯০-৯১ করবর্ষে দানের কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু স্বামী-স্ত্রী উভয়ে তাদের ঠিকানা একই দিয়েছেন ৬৩/২, পূর্ব রামপুরা, ঢাকা। তার বক্তব্য অনুযায়ী ২০০৭ সালে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। সে হিসেবে তাদের বিয়ের ১৭ বছর আগে স্বামী-স্ত্রীর একই ঠিকানা উল্লেখপূর্বক আয়কর নথিতে বড় বড় এমাউন্ট আত্মীয়- স্বজনের নিকট হতে দান গ্রহণের বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রমাণ তিনি প্রদর্শন করতে পারেননি। তাছাড়া ১৯৯০-৯১ করবর্ষের পর দীর্ঘ ১৯ বছরের কোনো আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ফলে আয়কর নথি অনুসারে তার প্রকৃত আয় এক কোটি ৫৭ লাখ ৫১ হাজার ৩২৩ টাকা এবং পারিবারিক খরচ বাদ দিলে নীট আয় বা সম্পদ অর্জনের জন্য বৈধ আয় পাওয়া যায় এক কোটি তিন লাখ ২৬ হাজার ৭৮০ টাকা।

কিন্তু তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী অনুযায়ী তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ৯ কোটি ৪৬ লাখ ২০ হাজার ৫৩০ টাকা ও ইউএস ডলার ১০ হাজার ৫২৯ দশমিক ৯০ এবং ৪০ ভরি স্বর্ণ। ইউএস ডলার ও স্বর্ণ আপাতত: সঠিক ধরে নিলেও তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের পরিমান আট কোটি ৪২ লাখ ৯৩ হাজার ৭৫০ টাকা।

এমতাবস্থায়, মো. মাসুদুর রহমানের মালিকানাধীন আট কোটি ৪২ লাখ ৯৩ হাজার ৭৫০ টাকা মূল্যের সম্পদ তার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ, যা তিনি অর্জনপূর্বক ভোগ দখলে রাখার প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলা করা হয়।

 

অন্যদিকে মাসুদের সহধর্মিণী এলিজা আক্তার উর্মির বিরুদ্ধে করা মামলার এজহারে বলা হয়, এলিজা আক্তার উর্মি ২০১৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৫২ লাখ ১৮ হাজার ৭২৫ টাকার স্থাবর, চার কোটি ৯১ লাখ ৫৬ হাজার ২৪৫ টাকার অস্থাবরসহ মোট পাঁচ কোটি ৪৩ লাখ ৭৪ হাজার ৯৭০ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য দেন।

 

কিন্তু ওই সম্পদ যাচাই করে তার স্বামীর নিকট হতে হেবামূলে পাওয়া এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা বাদ দিলে তার অর্জিত সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ৫০ লাখ ৫৩ হাজার ৭২৫ টাকা। সুতরাং ৫০ লাখ ৫৩ হাজার ৭২৫ টাকার স্থাবর ও চার কোটি ৯১ লাখ ৫৬ হাজার ২৪৫ টাকার অস্থাবরসহ মোট পাঁচ কোটি ৪২ লাখ ৯ হাজার ৯৭০ টাকা। এছাড়া তার পারিবারিক ব্যয় ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ৭৭৬ টাকাসহ মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য ৫ কোটি ৬১ লাখ ৭৬ হাজার ৭৪৬ টাকার তথ্য পেয়েছে দুদক।

 

এলিজা আক্তার উর্মি ওই অর্জিত আয়ের উৎস হিসেবে দেখিয়েছেন ২০০৯-২০১০ করবর্ষ পূর্ববর্তী অতীত জীবনের সঞ্চয় ৭ লাখ ৩৭ হাজার টাকা ও দান প্রাপ্তি ৪ কোটি ৪৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা। ২০০৯-২০১০ করবর্ষ হতে ২০১৬-২০১৭ করবর্ষ পর্যন্ত ব্যবসা হতে আয় ১৮ লাখ টাকা। ২০১১-২০১২ করবর্ষ হতে ২০১৭-২০১৮ করবর্ষ পর্যন্ত কোম্পানি হতে বেতন-ভাতাদি প্রাপ্তি ৪৮ লাখ চার টাকা। ২০১৪-২০১৫ করবর্ষে জমি বিক্রি হতে লাভ ৭ লাখ ৯৪ হাজর ৯৯৫ টাকা এবং ২০১৫-২০১৬ করবর্ষ হতে ২০১৭-২০১৮ করবর্ষ পর্যন্ত ব্যাংক সুদ বাবদ প্রাপ্তি ৪ লাখ ৬ হাজার ৬৭ টাকাসহ মোট ৫ কোটি ২৯ লাখ ৫৫ হাজার ৬২ টাকা।

 

কিন্তু এলিজা আক্তার উর্মি কর্তৃক ২০০৯-২০১০ করবর্ষে প্রদর্শিত ১৯৯০-৯১ করবর্ষের দান বাবদ প্রাপ্ত ৪ কোটি ৪৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা গ্রহণযোগ্য নয় বলে এজহারে উল্লেখ করা হয়।

 

বলা হয়, আলোচ্য নথির ক্ষেত্রে এলিজা আক্তার উর্মি কর্তৃক ৬ কোটি ১৯ হাজার ৫০০ টাকা দান গ্রহণের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, দানদাতার কোন আয়কর নথি নেই এবং দানদাতাদের নাম-ঠিকানা তথা কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তাছাড়া এলিজা আক্তার উর্মির জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে তার জন্ম ১৯৮৪ সালের ২২ ডিসেম্বর। সে হিসেবে ১৯৯০-৯১ করবর্ষে অর্থাৎ ১৯৮৯-৯০ অর্থ বছরে তার বয়স ছিল সাড়ে ৫ বছর। উক্ত সময়ে মাত্র সাড়ে ৫ বছর বয়সে তিনি বিভিন্ন আত্মীয়- স্বজনের নিকট হতে দান বাবদ প্রাপ্ত ৪ কোটি ৪৪ লাখ ১৩ হাজার টাকার বিষয়ে দাতাদের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারেননি।

 

তাছাড়া এত ছোট বয়সে তার আত্মীয়-স্বজন তার অন্য ভাই-বোনদেরকে কিছুই না দিয়ে তাকে এত বড় এমাউন্টের নগদ অর্থ কেন দান করেছেন তারও কোন সন্তোষজনক জবাব তিনি দিতে পারেননি। সেখানে জি, আই, আর নং-১১৮৮/সাঃ পি (উঃ) মূলে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নিকট থেকে চার কোটি ৪৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা দান হিসেবে পেয়েছেন বলে দেখিয়েছেন।

একইভাবে এলিজা আক্তারের স্বামী কর্তৃক দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১৯৯০-৯১ করবর্ষে বিভিন্ন আত্মীয়- স্বজনের নিকট হতে দান বাবদ ৬ কোটি ১৯ হাজার ৫০০ টাকা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। এর সমর্থনে তিনি ১৯৯০-৯১ করবর্ষে উক্ত দানের কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু স্বামী-স্ত্রী উভয়ে তাদের রামপুরায় একই ঠিকানা দিয়েছেন।

 

তার বক্তব্য অনুসারে ২০০৭ সালে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। সে হিসেবে তাদের বিয়ের ১৭ বছর আগে স্বামী-স্ত্রীর একই ঠিকানা উল্লেখপূর্বক আয়কর নথিতে বড় বড় এমাউন্ট আত্মীয়-স্বজনের নিকট হতে দান গ্রহণের বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য কোন প্রমাণ তিনি প্রদর্শন করতে পারেননি। আলোচ্য নথির ক্ষেত্রে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মিসেস এলিজা আক্তার উর্মি কর্তৃক ৪ কোটি ৪৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা দান গ্রহণের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, দানদাতার কোন আয়কর নথি নেই এবং দানদাতাদের নাম-ঠিকানা তথা কোনো অস্তিত্ব অনুসন্ধানকালে প্রমাণ করতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

 

শুধুমাত্র গ্রহীতা অর্থাৎ এলিজা আক্তার উর্মির আত্মীয়ের নিকট হতে দান প্রাপ্তির বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে মর্মে তার দাখিলকৃত আয়কর নির্ধারণ আদেশের কপি পর্যালোচনায় দেখা যায়। কিন্তু তিনি উক্ত বছরের রিটার্নের কোনো কপি বা তার সাথে সংযুক্ত প্রমাণ সরবরাহ করতে পারেননি। তাই বর্ণিত দানপ্রদান ও গ্রহণের বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে এলিজা আক্তার উর্মি প্রকৃত আয় ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ০৬২ টাকা। ফলে তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অংঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের মূল্য চার কোটি ৭৬ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮৪ টাকা।

এমতাবস্থায় এলিজা আক্তার উর্মি কর্তৃক জ্ঞাত আয় বহির্ভূত চার কোটি ৭৬ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮৪ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখার প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলা করা হয়।

(ঢাকাটাইমস/১২মে/এমআই/কেএম)