যশোরে ভ্যানচালক ইখলাস হত্যা: ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২

যশোরের ঝিকরগাছায় ভ্যানচালক মো. ইখলাস হত্যার ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া ভ্যানটি উদ্ধার করা হয়েছে।
যশোর জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম:ও অপস) মো. মিরাজুল ইসলামের অনুপস্থিতিতে নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো.আরিফ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
ইখলাসের পরিবার জানায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে তিনি ভ্যান নিয়ে ভাড়ায় বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেননি। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় একটি অজ্ঞাতনামা হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটির রহস্য উদঘাটনে নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কিবরিয়া হাসান, ওসি তদন্ত মো. ইদ্রিস আলী এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নি.) মো. রেজাউল করিমের একটি চৌকস টিম তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ কোতোয়ালী থানাধীন ঝাউদিয়া গ্রাম থেকে আসামি মো. মেহেদী হাসানকে (২৯) গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গদাধরপুর এলাকা থেকে অপর আসামি আশরাফুল আলমকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা ইখলাসকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তারা জানায়, ভ্যানটি ছিনতাই করে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে ইখলাসকে কোমল পানীয়ের সাথে কোলড্রিংকস এর সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ায়ে অচেতন করা হয়। এরপর গলায় ফাঁস দিয়ে ও পানিতে ডুবিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে মৃতদেহের সাথে ৪টি ইট বেঁধে কপোতাক্ষ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যমতে ছিনতাই হওয়া ভ্যানটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন— ঝিকরগাছা উপজেলার গদাধরপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মেহেদী হাসান (২৯) ও একই উপজেলার বিষহরি গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে আশরাফুল আলম (২১)।
(ঢাকা টাইমস/২৪সেপ্টেম্বর/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











