অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া। শনিবার সকালে তিনি হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় রোগীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়াসহ দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের রোগীদের জন্য যথাসম্ভব সহায়তা দেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি। উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক শহীদুল্লাহ সিকদার, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ রফিকুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়াসহ সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিকালে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে...
Array ( [id] => 112131 [hl1] => [hl2] => চাঁদপুর হাসপাতালে নেই গাইনি চিকিৎসক, ভোগান্তি [big_hl2] => [hl_color] => rgb(33, 33, 33) [hl3] => [cat_id] => #14##24##25##33# [parent_cat_id] => 14 [dist_info] => [country_info] => [rpt] => শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর [prefix_keyword] => [sum] => [dtl] =>

চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতাল গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের গর্ভবতী মায়েদের একমাত্র আস্থার কেন্দ্র। কিন্তু বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রসূতিসেবায় কার্যত ফল পাচ্ছেন না রোগীরা।

প্রায় এক মাস ধরে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ছাড়াই চলছে হাসপাতালের গাইনি বিভাগের কার্যক্রম। গুরুত্বপূর্ণ এই বিভাগে কর্মরত সিনিয়র ও জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) দুজনই রয়েছেন ছুটিতে। তাদের মধ্যে একজন পিআরএলে, অপরজন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন।

এতে করে একদিকে এই বিভাগে দক্ষ চিকিৎসকের সমস্যায় ভুগছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, অন্যদিকে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা পড়ছেন দুর্ভোগে। সমস্যার দ্রুত সমাধান না করলে হাসপাতালে অনাকাক্সিক্ষত মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। 

হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা বেশ কয়েকজন রোগীর সঙ্গে কথা হয়। তারা ঢাকা টাইমসকে জানান, গাইনি ও প্রসূতি বিভাগের সিনিয়র ও জুনিয়র কনসালটেন্ট ছুটিতে আছেন। এতে করে ডেলিভারি, চেকআপ, রেপ কেইস, পিএনসি, এএনসির মতো রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আনোয়ারুল আজীম ঢাকা টাইমসকে জানান, গাইনি বিভাগে কর্মরত সিনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) ফাতেমা বেগম গত ১ জানুয়ারি থেকে অবসরজনিত পিআরএল ছুটিতে রয়েছেন। আর জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) তাবেন্দা আক্তারও গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন।

বর্তমানে সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে নুসরাত জাহান ও মেডিকেল অফিসার হিসেবে নাসরীন পারভীন রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। আমরা এই বিভাগে জরুরি ভিত্তিতে শূন্য পদে ডাক্তার নিয়োগ চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি দিয়েছি। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।

তত্ত্বাবধায়ক জানান, এই হাসপাতালে চিকিৎসকের উপস্থিতি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। ৪৬ জন চিকিৎসকের মধ্যে ৪২ জন উপস্থিত হয়েছেন। আর বাকি চারজন নৈমিত্তিক ছুটিতে আছেন। বর্তমানে আন্তবিভাগে ২৯২ জন রোগী ভর্তি আছেন এবং ২৭৬ জন রোগী জরুরি বিভাগ থেকে চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন।

[tmp_photo] => image-112131.jpg [tmp_photo_caption] => [thumb_photo] => [dtl_photo] => [post_template] => 0 [tags] => [rel_id_list] => [on_lead] => 0 [lead_hierarchy] => 9999 [corner_news] => 0 [hl_news] => 0 [rel_dis] => 0 [video_dis] => 0 [featured_video] => [operator] => ASM Reza [update_operator] => [entry_time] => 2019-02-09 12:07:47 [update_time] => 2019-02-09 12:07:47 [publish] => 1 )
Array ( [id] => 112115 [hl1] => [hl2] => অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ পাবনার নাজমুলের [big_hl2] => [hl_color] => rgb(33, 33, 33) [hl3] => [cat_id] => #14##24##25##33# [parent_cat_id] => 14 [dist_info] => rajshahi/pabna [country_info] => [rpt] => খাইরুল ইসলাম বাসিদ, পাবনা [prefix_keyword] => [sum] => [dtl] =>

দুই বছর ধরে জটিল চর্মরোগে আক্রান্ত পাবনার আটঘরিয়ার যুবক নাজমুল ইসলাম। মাথা থেকে পা পর্যন্ত তার শরীরের চামড়া উঠে যাচ্ছে। অসহ্য যন্ত্রণায় কাটছে তার প্রতিটি দিন।

কবিরাজ, হাসপাতালে বিভিন্নভাবে চিকিৎসা করিয়ে কোনো ফল পাননি তিনি। ভ্যান চালিয়ে ও মাছের ব্যবসা করে যা আয় করেছিলেন, এর সবটাই শেষ চিকিৎসায়। অসুস্থ হওয়ার পর থেকে বন্ধ তার আয়-উপার্জন। সংসার চলছে প্রতিবেশীদের সহায়তায়। অসুস্থ স্বামী আর এক মেয়েকে নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী। উন্নত চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও সরকারের সাহায্য কামনা করেছেন তারা।

আটঘরিয়া উপজেলার মাঝপাড়া ইউনিয়নের কালামনগর গ্রামের মৃত সাদেক আলীর ছেলে দরিদ্র নাজমুল ইসলাম। সরকারি খাসজমিতে বসবাস স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তানকে নিয়ে। বর্তমানে তার চেহারা দেখে বোঝার উপায় নেই তার বয়স ৩২ বছর। টগবগে যুবক কর্মঠ নাজমুল এখন নিস্তেজ। প্রথমে ভ্যান চালিয়ে, পরে মাছের ব্যবসা করে সংসারে হচ্ছলতা ফেরানোর চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু বর্তমানে বাড়িতে একপ্রকার বদ্ধ ঘরে কাটছে তার দিন।

আলাপকালে নাজমুল ইসলাম জানান, মাছের ব্যবসা করার কারণে বছর দুয়েক আগে হাতে চুলকানি দেখা দেয়। প্রাথমিক চিকিৎসায় ভালো হওয়ার কিছুদিন পর আবারী শুরু হয় চুলকানি। ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে সারা শরীরে। হাসপাতালের চিকিৎসক ও কবিরাজ দিয়ে নানাভাবে চিকিৎসা করালেও লাভ হয়নি। মাথা থেকে পা পর্যন্ত শরীরের চামড়া শুকিয়ে খসে পড়ছে প্রতিনিয়ত। অসহ্য যন্ত্রণায় প্রতিটি দিন কাটছে তার। অসুস্থ হয়ে পড়ায় বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না নাজমুল। ফলে দুই বছর ধরে বন্ধ তার আয়-উপার্জন। এমন অবস্থায় অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে দিশেহারা স্ত্রীও। 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্ত্রী লাকী খাতুন ঢাকা টাইমসকে বলেন, একমাত্র সম্বল অটোভ্যানটি বিক্রি করে আর সঞ্চয় বলতে যা ছিল, সব শেষ হয়ে গেছে চিকিৎসায়। এখন কী করব ভেবে পাচ্ছি না। ঘরে খাবার নেই। প্রতিবেশীরা দয়া করে যা দেয়, তা দিয়ে খেয়ে-না খেয়ে চলছে সংসার। একমাত্র মেয়েকে অনেক দিন ঠিকমতো খেতে দিতে পারি না। আমাদের দেখার মতো নেই কোনো আত্মীয়স্বজন। এখন সরকারি বা বেসরকারিভাবে কেউ যদি আমার স্বামীর চিকিৎসায় এগিয়ে আসেন, তাহলে হয়তো তিনি ভালো হয়ে যাবেন।

অসহায় ও নিংস্ব পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছে প্রতিবেশীরা। স্থানীয় বাসিন্দা আসাফ উদ্দৌলা, রাসেল আহমেদ ও তাসলিমা খাতুন বলেন, ‘নাজমুলের বাড়িটা খাসজমির ওপর। তাদের দেখার মতো তেমন কেউ নেই। তার কামাই-রুজি বন্ধ। চিকিৎসা করানোর মতো টাকাপয়সা তাদের হাতে নেই। আমরা যে যতুটুক পারছি সাহায্য করছি। কিন্তু এভাবে আর কত দিন চলবে! তাই সরকার ও সমাজের বিত্তবানেরা নাজমুলের চিকিৎসায় এগিয়ে এলে পরিবারটি উপকৃত হবে।’

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ নজরুল ইসলাম ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘এই চর্মরোগের নাম এক্সফোলিয়েটিভ ডার্মাটাইটিস। তাকে সুস্থ করতে দরকার উন্নত চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যা পাবনায় নেই। সে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিল, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা বা রাজশাহী নেওয়ার জন্য পরিবারকে বলেছি।’

চিকিৎসায় কত টাকা খরচ হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেটা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বলা যাবে। তবে উন্নত চিকিৎসা পেলে সে সুস্থ হয়ে যাবে।’
সাহায্য পাঠানোর জন্য নাজমুলের স্ত্রী লাকী খাতুনের সঙ্গে (০১৭২৪-০৩৫৫৪১) যোগাযোগ করতে পারেন।

[tmp_photo] => image-112115.jpg [tmp_photo_caption] => [thumb_photo] => [dtl_photo] => [post_template] => 0 [tags] => [rel_id_list] => [on_lead] => 0 [lead_hierarchy] => 9999 [corner_news] => 0 [hl_news] => 0 [rel_dis] => 0 [video_dis] => 0 [featured_video] => [operator] => ASM Reza [update_operator] => [entry_time] => 2019-02-09 09:43:05 [update_time] => 2019-02-09 09:43:05 [publish] => 1 )
Array ( [id] => 111989 [hl1] => [hl2] => বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে মালয়েশীয় তরুণীর কিডনি প্রতিস্থাপন [big_hl2] => [hl_color] => rgb(33, 33, 33) [hl3] => [cat_id] => #14# [parent_cat_id] => 14 [dist_info] => [country_info] => [rpt] => নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস [prefix_keyword] => [sum] => [dtl] =>

চিকিৎসা নিতে যখন বাংলাদেশিদের মধ্যে বিদেশ যাবার ঝোঁক, তখন উল্টো এক ঘটনা ঘটেছে। তার দেশে চিকিৎসা ব্যয়বহুল ও মানসম্মত না হওয়ায় বাংলাদেশে উড়ে এসেছেন এক মালয়েশীয় তরুণী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন তিনি।

রোজ লায়লা নামের ওই মালয়েশীয় তরুণী তিন মাসের চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার রাতে স্বামীর সঙ্গে ফিরে যাচ্ছেন নিজ দেশে। তার স্বামী বিন সালাউদ্দিন বাংলাদেশি। তার বাড়ি চাঁদপুরের ফকরাবাদে। তবে তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী।

বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে কর্তৃপক্ষ জানায়, রোজ লায়লার চিকিৎসার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রথম কোনো বিদেশির সফল কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছে। রাতেই স্বামীর সঙ্গে তিনি নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছেন।

বিন সালাউদ্দিন জানান, এক যুগ আগে তিনি মালয়েশিয়া যান। আসবাব তৈরির একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সুবাদে লায়লার সঙ্গে পরিচয় ও প্রেম পরবর্তী গেল বছরের ১৪ মার্চ বিয়ে করেন। বিয়ের তিন মাস পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন লায়লা। চিকিৎসায় ধরা পড়ে দুটি কিডনিই পুরোপুরি অচল তার।

মালয়েশিয়ায় কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হলেও সেখানে নাম দিয়ে সিরিয়াল পড়তে লেগে যায় বছরের পর বছর। আর এতদিন বিকল কিডনি নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাননি এই দম্পতি। তাই তিন মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে বাংলাদেশে ছুটে আসেন এই প্রবাসী বাংলাদেশি।

টানা তিন মাসের চিকিসা শেষে লায়লা এখন সুস্থ। তাকে কিডনি দিয়েছেন বড় বোন রুহানি। সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে ৫ জানুয়ারি কিডনি প্রতিস্থাপন করে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের ইউরোলজি বিভাগ।

লায়লার চিকিৎসার নেতৃত্ব দেন ইউরোলজি বিভাগের ট্রান্সপ্ল্যান্ট ইউনিটের হাবিবুর রহমান। সঙ্গে ছিলেন তৌহিদ দীপু, এরশাদ, রেমিন রাফি, সাইফুল ও জাকির সুমন। নেফ্রোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিশ^বিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) রফিকুল আলমের নেতৃত্বে ছিলেন ওই বিভাগের চেয়ারম্যান আছিয়া খানম ও শহীদুল ইসলাম।

বিন সালাউদ্দিন বলেন, বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে স্ত্রীর চিকিৎসায় ভীষণ খুশি তিনি। বাংলাদেশের চিকিৎসা নিয়ে নানা নেতিবাচক কথা শোনা গেলেও তিনি আস্থা রেখেছেন এ দেশের চিকিৎসকদের ওপর।

অস্ত্রোপচারে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ হলেও দুটি ইনজেকশন দুই লাখ টাকায় কিনতে হয়েছে। তাছাড়া তিনমাস কেবিন ভাড়াসহ আনুষাঙ্গিক কিছু খরচ হয়েছে।

ঢাকাটাইমস/০৭ফেব্রুয়ারি/ডিএম

[tmp_photo] => image-111989.jpg [tmp_photo_caption] => [thumb_photo] => [dtl_photo] => [post_template] => 0 [tags] => [rel_id_list] => [on_lead] => 1 [lead_hierarchy] => 9999 [corner_news] => 0 [hl_news] => 0 [rel_dis] => 0 [video_dis] => 0 [featured_video] => [operator] => rahat [update_operator] => rahat [entry_time] => 2019-02-07 22:07:34 [update_time] => 2019-02-07 22:10:14 [publish] => 1 )
Array ( [id] => 111945 [hl1] => [hl2] => শনিবার শিশুরা খাবে ‘ত্রুটিমুক্ত’ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল [big_hl2] => [hl_color] => rgb(33, 33, 33) [hl3] => [cat_id] => #1##14# [parent_cat_id] => 1 [dist_info] => [country_info] => [rpt] => নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস [prefix_keyword] => [sum] => [dtl] =>

শনিবার সারাদেশে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সরকারি দাবি করছে, এবার যে ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে সেটি পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত।

এই কর্মসূচি পালনের কথা ছিল গত ১৯ জানুয়ারি। তবে ক্যাপসুলে সমস্যা পাওয়ায় স্থগিত করা হয় তা।

বৃহস্হতিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। তিনি জানান, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ২৫ লাখ ২৭ হাজার শিশুকে নীল রঙের আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় এক কোটি ৯৫ লাখ সাত হাজার শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

গত ১৭ জানুয়ারি দুই দিন আগে এক সিদ্ধান্তে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কর্মসূচি স্থগিত করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। পরদিন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান বলেন, ‘একটা ক্যাপসুলের সঙ্গে আরেকটা ক্যাপসুল জোড়া লেগে গেছে। এর মানে এই নয় ভেতরে ওষুধের মান নষ্ট হয়ে গেছে। বিষয়টা আমরা নিশ্চিত হব পরীক্ষার মাধ্যমে, মানসম্মত না হলে আমরা বাতিল করে দেব।’

এই বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটিও করে সরকার। তবে সেই কমিটির প্রতিবেদন আর প্রকাশ হয়নি।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তারা (তদন্ত কমিটি) একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে আমরা তা এখনও দেখিনি। তবে যারাই দোষী সাব্যস্ত হোক তাদের শাস্তি পেতে হবে।’

এখন যে ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে তা ত্রুটিমুক্ত দাবি করে মন্ত্রী বলেন, “কয়েকদিন আগে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলে কিছুটা ত্রুটি দেখা দেয়। আমরা শিশুদের জন্য কোনো ঝুঁকি নিতে চাইনি। ফলে সেই ক্যাপসুলগুলো আর ব্যবহার করিনি। তবে এবারের ভিটামিন ক্যাপসুলে আর কোনো সমস্যা নেই।”

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দুই রঙের যে ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়, তার মধ্যে নীল রঙেরটির কোনো সমস্যা ছিল না। এটি দেশি কোম্পানির। সমস্যা ছিল লাল রঙেরটি। এটি ভারতীয় কোম্পানির। এই ক্যাপসুল সরকার কিনতে চায়নি। কিন্তু হাইকোর্টের আদেশে তা নিতে বাধ্য হয়েছে।

ক্যাপসুলের সমস্যা সম্পর্কে জাহিদ মালেক বলেন, ‘ওই ভিটামিন ক্যাপসুল সাপ্লাইয়ে দেরি হওয়ায় এটা নিয়ে আদালতে মামলা হয়। মামলা নিষ্পত্তিতে প্রায় দেড় বছর লেগে যায়। তাতে এই ক্যাপসুল ড্যামেজ হয়ে যায়। তবে ক্যাপসুলের ভেতরে থাকা উপাদানের গুণগতমান ঠিক ছিল।’

‘বাড়তি সতর্কতার জন্য আমরা ঝুঁকি নিতে চাইনি। তাই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন পেছানো হয়েছিল।

‘আমাদের মনে রাখতে হবে শিশুরা দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের জন্য সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’

একটি শিশুও যেন ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।

(ঢাকাটাইমস/০৭ফেব্রুয়ারি/এমএম/ডব্লিউবি)

[tmp_photo] => image-111945.jpg [tmp_photo_caption] => ফাইল ছবি [thumb_photo] => [dtl_photo] => [post_template] => 0 [tags] => [rel_id_list] => [on_lead] => 1 [lead_hierarchy] => 9999 [corner_news] => 0 [hl_news] => 0 [rel_dis] => 0 [video_dis] => 0 [featured_video] => [operator] => rahat [update_operator] => rahat [entry_time] => 2019-02-07 17:06:25 [update_time] => 2019-02-07 17:25:50 [publish] => 1 )
Array ( [id] => 111933 [hl1] => [hl2] => যৌবন ধরে রাখে যেসব খাবার [big_hl2] => [hl_color] => rgb(33, 33, 33) [hl3] => [cat_id] => #14##33# [parent_cat_id] => 14 [dist_info] => [country_info] => [rpt] => ঢাকাটাইমস ডেস্ক [prefix_keyword] => [sum] => [dtl] =>

দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মমতাজের একটি গান আছে, ‘যৌবন একটি গোল্ডলিপ সিগারেট।’ এই গানের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে, সিগারেট টানলে যেমন ধীরে ধীরে তা শেষ হয়ে যায়, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের যৌবনেও তেমনি ভাটা পড়ে।

কিন্তু পৃথিবীর সব মানুষই চান যৌবন ধরে রাখতে। আর এ জন্য কোনো চেষ্টা তদবীরের কমতি রাখেন না। কিন্তু যৌবনকে ধরে রাখা সম্ভব হয় না। তবে সাধারণ কিছু খাবারের মধ্যেই আছে সেই অসম্ভবকে সম্ভব করার দারুণ সম্ভাবণা। চলুন তবে জেনে নিই সেসব খাবার সম্পর্কে।

সামুদ্রিক মাছ: বর্তমানে দেশের হাটে বাজারে নদ-নদীর মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছেরও দেখা মেলে। এসব মাছ যৌবন ধরে রাখতে সহায়ক। তাই নিয়মিত খাবার তালিকায় সামুদ্রিক মাছ রাখুন। তাতে শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হবে পাশাপাশি ধরে রাখা যাবে যৌবনও।

দই: মিষ্টি জাতীয় এই খাবারটি এমনিতেই অধিকাংশ মানুষের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। কিন্তু অনেকেরই অজানা, দই শরীরের মেদ ও কোলেস্টেরল কমায়।  এতে আছে প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম। যা শরীরের গঠন ঠিক রাখে, হাড়ের ক্ষয়রোধ করে, বয়সজনিত রোগ প্রতিরোধ করে এবং ত্বককে করে বলিরেখামুক্ত। কাজেই যৌবন ধরে রাখতে দই আদর্শ খাবার হতে পারে।

মিষ্টিকুমড়ার বিচি: সবজি হিসেবে মিষ্টি কুমড়া যেমন ভিটামিন সমৃদ্ধ, তেমনি এর বিচি পুরুষের ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এতে আছে প্রচুর সাইটোস্টেরোল। যা পুরুষের দেহে টেসটোস্টেরন হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে। এছাড়া এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফ্যাটি এসিড পুরুষের শক্তি বাড়ায় ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

কলা: যৌবন ধরে রাখতে এই ফলটির জুড়ি নেই। এতে আছে ব্রোমেলিয়ান, যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়িয়ে যৌবনকে সজীব করে। এছাড়া কলায় আছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। পটাশিয়ামের অভাবে ত্বক রুক্ষ হয়। কলা সেই অভাব পূরণ করে। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়।

আমলা: আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় একে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা মন্ত্র বলে গণ্য করা হয়। পুরুষের শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে এটি দারুণ সহায়ক।

বিভিন্ন ফলমূল: বিভিন্ন ধরনের ফলমূলে আছে প্রচুর ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা শরীরে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই যৌবন ধরে রাখতে নিয়মিত ফল খাওয়া জরুরি।

রঙিন শাক-সবজি: রঙিন শাক-সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা শরীরের চাহিদা মেটায় এবং শরীরকে সুস্থ্ রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত রঙিন শাকসবজি খেলে যৌবন থাকে অটুট।

কমলালেবু: শরীরের জন্য কমলালেবু খুবই কার্যকরী একটি ফল। এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-সি থাকে। ত্বক টানটান রাখতে কমলালেবু সাহায্য করে।

অলিভ অয়েল: অলিভ তেল যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায় এবং সহজে মেদ জমে না। এছাড়া প্রতিদিন ত্বকে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করে ঘুমালে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না। যার ফলে যৌবন হয় দীর্ঘস্থায়ী।

স্ট্রবেরি: বর্তমানে ঢাকা শহরের আনাচে কানাচে প্রচুর পরিমাণে স্ট্রবেরি চোখে পড়ে। স্ট্রবেরি হোক বা ব্ল্যাকবেরি- দুটি ফলই শরীরের জন্য উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। যা ত্বক রাখে সতেজ।

রসুন: রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান, যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। যাদের দৈহিক সমস্যা রয়েছে, নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস তাদের সেই সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে।

ডার্ক চকলেট: ডার্ক চকলেট বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যারা নিয়মিত ছোট এক টুকরা ডার্ক চকলেট খান, তাদের যৌবন হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী।

ঢাকাটাইমস/০৭ ফেব্রুয়ারি/এএইচ

[tmp_photo] => image-111933.jpg [tmp_photo_caption] => [thumb_photo] => [dtl_photo] => [post_template] => 0 [tags] => [rel_id_list] => [on_lead] => 0 [lead_hierarchy] => 9999 [corner_news] => 0 [hl_news] => 0 [rel_dis] => 0 [video_dis] => 0 [featured_video] => [operator] => Arif Hasan [update_operator] => Arif Hasan [entry_time] => 2019-02-07 15:28:35 [update_time] => 2019-02-07 15:58:33 [publish] => 1 )
Array ( [id] => 111764 [hl1] => [hl2] => বিষণ্ণতার সঙ্গে জিনের সম্পর্ক রয়েছে [big_hl2] => [hl_color] => rgb(33, 33, 33) [hl3] => [cat_id] => #14##33# [parent_cat_id] => 14 [dist_info] => [country_info] => [rpt] => আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকা টাইমস [prefix_keyword] => [sum] => [dtl] =>

ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতায় আক্রান্ত মানুষদের নিয়ে আন্তর্জাতিক একটি গবেষণায় জানা গেছে, বিষণ্ণতার সাথে জিনের একটি সম্পর্ক রয়েছে। এরকম প্রায় ১০০টি জিনকে সনাক্ত করেছেন গবেষকেরা।

পৃথিবীর ২০টি দেশের ২০ লাখ মানুষের কাছ থেকে নেওয়া ব্যাপক তথ্যের ওপর এই গবেষণা করা হয়েছে। যাদের মধ্যে জিনগত ফারাক যত বেশি তাদের ক্ষেত্রেই ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হবার ঘটনা ও ঝুঁকি বেশি। বিষণ্ণতার সাথে জিনের এই সম্পর্ক খুঁজে পাওয়ায় চিকিৎসার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতি ছয়জনে একজন ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হয় এবং এটিই এখন বর্তমান দুনিয়ায় ডিসএবিলিটি বা প্রতিবন্ধীতার সবচেয়ে বড় কারণ। মন খারাপ থাকা, উদ্যমহীনতা, নিরানন্দময়তা, ক্ষুধামন্দা, যৌনতায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলাসহ আর নানান ধরণের লক্ষণ দেখা যেতে পারে বিষণ্ণতায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে।

বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হয়ে কেউ হয়ত কয়েক মাস ভোগেন। কারও কারও ক্ষেত্রে আবার এটি হয়ে উঠতে পারে মারাত্মক। দীর্ঘকাল ধরে ভুগতে পারেন কেউ-কেউ। আবার কারও অবস্থা এতোটাই তীব্র পর্যায়ে চলে যায় যে তাকে মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। এমনকি বিষণ্ণতায় আক্রান্ত মানুষেরা কোনো কোনো ক্ষেত্রে আত্মহত্যার পথও বেছে নেয়।

ডিপ্রেশনে আক্রান্ত ড. রেবেকা লরেন্স বলেন, তার বিষণ্ণতার মাত্রা এতো বেশি হয়ে গিয়েছিল যে তাকে একটা সময়ে ইলেক্ট্রো-কনভালসিভ থেরাপি (ইসিটি) নিতে হয়েছে। বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হবার পর লরেন্সের মধ্যে যে উপসর্গগুলো দেখা গেছে তার মধ্যে ছিল কর্মস্পৃহার অভাব। এটা এতই তীব্র ছিল যে কোনো কিছু করার সামর্থ্যটাই তার হারিয়ে গিয়েছিল। এছাড়া খুব নিরাশ লাগতো তার। খুব ভয় পেতেন তিনি।

বিভিন্ন কারণেই বিষণ্ণতা দেখা দিতে পারে। যেমন যে কোনো স্ট্রেস বা চাপ, ট্রমা, আপনজনের মৃত্যু এবং এরকম আরও বিভিন্ন পরিস্থিতি ব্যক্তিকে বিষণ্ণতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। এমনকি জিনগত কারণে পারিবারিক ভাবেও অনেকে বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হতে পারে।

নেচার নিউরোসাইয়েন্স পত্রিকায় প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক গবেষণাটির নেতৃত্ব দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের এডিনবোরো ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ক্লিনিকে ব্রেইন সায়েন্সেস এর অধ্যাপক এন্ড্রিউ ম্যাক্লনটোশ।

গবেষণাটিতে মানুষের ডিএনএর রেকর্ডগুলোকে খতিয়ে দেখা হয়েছে। গবেষণার জন্য যুক্তরাজ্যের বায়োব্যাঙ্ক, দি সাইকিয়াট্রি জিনোমিক্স কনসোর্টিয়াম, পার্সোনাল জেনেটিক্স ২৩ এন্ড মি, এবং রিসার্চ ইঞ্জিনিয়ারিং নামক কয়েকটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দাতাদের কাছ থেকে ডিএনএর নমুনা নেয়া হয়েছে।

এই সকল নমুনা খতিয়ে দেখে প্রায় একশটি জিনের সন্ধান পাওয়া গেছে। যাদের মধ্যে জিনের এই ভিন্নতাটি ছিল তারাই বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে ছিল। যাদের মধ্যে জিনগত ভিন্নতা ছিল তাদের ব্রেইনের নার্ভের কোষগুলো মস্তিষ্কের সামনের অংশের সাথে অনেক বেশি মাত্রায় সম্পৃক্ত ছিল।

ডিপ্রেশনে আক্রান্ত মানুষদের মধ্যে একটি কমন ডিএনএর সন্ধান পাওয়া গেছে। ধূমপায়ীদের মধ্যেও এই ডিএনএটি সনাক্ত করা গেছে। এছাড়া স্নায়বিক পীড়ার সাথেও বিষণ্ণতার একটা সম্পর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।

উদ্বেগ ও বিষণ্ণতার মধ্যে কী ধরণের সম্পর্ক রয়েছে সেটি জানতেও এখন আরও বিশদ অনুসন্ধান চালাচ্ছেন গবেষকরা।

ঢাকা টাইমস/০৬ফেব্রুয়ারি/একে

[tmp_photo] => image-111764.jpg [tmp_photo_caption] => [thumb_photo] => [dtl_photo] => [post_template] => 0 [tags] => [rel_id_list] => [on_lead] => 0 [lead_hierarchy] => 9999 [corner_news] => 0 [hl_news] => 0 [rel_dis] => 0 [video_dis] => 0 [featured_video] => [operator] => rahat [update_operator] => [entry_time] => 2019-02-06 09:44:08 [update_time] => 2019-02-06 09:44:08 [publish] => 1 )
Array ( [id] => 111736 [hl1] => [hl2] => ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় সবুজ চা [big_hl2] => [hl_color] => rgb(33, 33, 33) [hl3] => [cat_id] => #14##33# [parent_cat_id] => 14 [dist_info] => [country_info] => [rpt] => ঢাকাটাইমস ডেস্ক [prefix_keyword] => [sum] => [dtl] =>

গ্রিন টি বা সবুজ চা শরীরের জন্য উপকারী। গবেষকরা এই চায়ের মধ্যে খুঁজে পেয়েছেন অনেক রোগের ওষুধ। তারা জানিয়েছেন সবুজ চা পানে ৬০% ক্যানসার দূর করা সম্ভব। সবুজ চা ক্যানসার কোষ প্রজনন প্রতিরোধ করে। এ ছাড়া এই চা শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল লেভেলের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। সবুজ চা একটি শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট। যা কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই শরীরের ক্যানসার কোষ প্রজনন ক্ষমতা একদম নষ্ট করে ফেলে।

সবুজ চা আলঝেইমার বা মেমরি লস এবং পারকিনসন্সের ঝুঁকি কমায়। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। উপকারী কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়। ইনফেকশন কার্যকর হওয়ার ঝুঁকি কমায়। কিডনি রোগের জন্যও এই চা উপকারী। ডায়াবেটিস রোগীরাও উপকার পান এই চায়ে। পাতাকে বিশেষ প্রক্রিয়াজাত করে গ্রিন টি বা সবুজ চা উৎপাদন করা হয়। ব্ল্যাক টি-র মতোই এই চা শরীরের জন্য উপকারী। 

কিডনি, ডায়াবেটিস ও মূত্রনালির ইনফেকশন এগুলোর জন্য দিনে  তিন লিটার পানি খেতে ডাক্তাররা পরামর্শ দেন। পরামর্শ হলো, তিন লিটার পরিমাণ গরম পানিতে কিছু পরিমাণ সবুজ চা পাতা বা একটা সবুজ টি প্যাকেট ছড়িয়ে দিন। পানি ঠান্ডা হলে প্রতি দুই ঘণ্টায় এক গ্লাস করে পানি পান করুন। এভাবে দিনে ১২ গ্লাস পানি শরীরের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষ করে কিডনি, ডায়াবেটিস ও মূত্রনালিতে ইনফেকশন আছে এমন রোগীদের জন্য দৈনিক চার গ্লাস বা এক লিটার সবুজ চা খাওয়া শরীরের জন্য ভালো।

(ঢাকাটাইমস/০৫ফেব্রুয়ারি/জেবি)

[tmp_photo] => image-111736.jpg [tmp_photo_caption] => [thumb_photo] => [dtl_photo] => [post_template] => 0 [tags] => [rel_id_list] => [on_lead] => 0 [lead_hierarchy] => 9999 [corner_news] => 0 [hl_news] => 0 [rel_dis] => 0 [video_dis] => 0 [featured_video] => [operator] => rahat [update_operator] => Zahir Uddin Babor [entry_time] => 2019-02-05 21:42:09 [update_time] => 2019-02-05 21:44:19 [publish] => 1 )
Array ( [id] => 111662 [hl1] => [hl2] => চাঁপাইনবাবগঞ্জে শনিবার ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে শিশুদের [big_hl2] => [hl_color] => rgb(33, 33, 33) [hl3] => [cat_id] => #14##24##25# [parent_cat_id] => 14 [dist_info] => rajshahi/nawabganj [country_info] => [rpt] => চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস [prefix_keyword] => [sum] => [dtl] =>

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন  ‘এ প্লাস ক্যাম্পেইনের ২য় রাউন্ড আগমী ৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার থেকে শুরু হবে। এ ক্যাম্পইন উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করেছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়।

সিভিল সার্জন ডা. সাইফুল ফেরদৌস মুহাম্মদ খায়রুল আতাতুকের সভাপতিত্বে আজ মঙ্গলবার দুপুরে সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সিভিল সার্জন বলেন, ‘অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা এবং ভিটামিন ‘এ’ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।’

তিনি বলেন, ‘শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়ক হিসেবে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি জেলার ৫টি উপজেলা ও পৌরসভার ১হাজার ২০১টি কেন্দ্রে সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে  ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

২য় রাউন্ডে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৪ হাজার ৩০ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ১ লাখ ৭৭ হাজার ৯৪১ জন শিশুকে ক্যাপসুলও খাওয়ানো হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইপিআই ইন্সপেক্টর আমিরুল ইসলাম জীবন, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার শামশুন নাহারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা।

ঢাকাটাইমস/০৫ফেব্রুয়ারি/ওআর

[tmp_photo] => image-111662.jpg [tmp_photo_caption] => [thumb_photo] => [dtl_photo] => [post_template] => 0 [tags] => [rel_id_list] => [on_lead] => 0 [lead_hierarchy] => 9999 [corner_news] => 0 [hl_news] => 0 [rel_dis] => 0 [video_dis] => 0 [featured_video] => [operator] => ASM Reza [update_operator] => [entry_time] => 2019-02-05 15:22:31 [update_time] => 2019-02-05 15:22:31 [publish] => 1 )
Array ( [id] => 111660 [hl1] => [hl2] => রাজশাহীতে হবে গার্লস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল: মেয়র [big_hl2] => [hl_color] => rgb(33, 33, 33) [hl3] => [cat_id] => #14##24##25# [parent_cat_id] => 14 [dist_info] => [country_info] => [rpt] => ব্যুরো প্রধান, রাজশাহী [prefix_keyword] => [sum] => [dtl] =>

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, বতর্মান সরকার স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে। সরকার ইউনিয়ন পর্যায়ে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মানুষের বিনামূল্যে ৩০ প্রকারের ওষুধ দিচ্ছে। বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ভালো জায়গায় পৌঁছেছে।

এরই ধারাবাহিকতায় স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে রাসিক অনেকবার প্রথম হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবায় রাসিক দেশের মধ্যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নগরভবনে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় রাউন্ড উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, এবার দেশে তৈরি ভিটামিন এ ক্যাপসুল শিশুদের খাওয়ানো হবে। এটি বতর্মান সরকার ও স্বাস্থ্যখাতের সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা ও স্বদিচ্ছার ফলে সম্ভব হয়েছে।

রাসিক পরিচালিত সিটি হাসপাতালের উন্নয়নে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানিয়ে মেয়র বলেন, সিটি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানো হবে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে হাসপাতালের পাশে ফাঁকা জায়গায় বহুতল ভবন নির্মাণ করে সেখানে গার্লস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘সিটি হাসপাতালে সীমিত অর্থে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে চাই। রাজশাহী-নাটোর রোড থেকে সিটি হাসপাতাল পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্ত করা হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন মেয়র।

মাদক, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্সের বিষয়টি উল্লেখ করে মেয়র লিটন বলেন, মাদক কারবারিতে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। মাদক নির্মূলে আগামী এক মাসের মধ্যে ওয়ার্ড পর্যায়ে কাউন্সিলর, শিক্ষক, ইমামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে কমিটি গঠন করে দেয়া হবে।

খাদ্যে ভেজাল ও মেয়াদোর্ত্তীণ ওষুদের বিরুদ্ধে অভিযানের ঘোষণা দিয়ে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, যারা খাদ্যে ভেজাল দেন, অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি করেন, তাদের সর্তক করছি। এসব ব্যাপারে আমরা কঠোর অ্যাকশনে যাব। দলীয় কোনো বিষয় দেখা হবে না। জনগণের স্বার্থে, রাজশাহীর মানুষের স্বার্থে ঝুঁকি নিতে চাই। তবে অন্যায়ভাবে কাউকে ধরা হবে না।

সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নূরুজ্জামান টুকুর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রুহুল আমিন টুনু, সচিব রেজাউল করিম ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এএফএম আঞ্জুমান আরা।

আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ৩৮৪টি কেন্দ্রে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৭ হাজার ৯৭৬ এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫৪ হাজার ৯৭৭ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্থায়ী ৩৪৩টি এবং ভ্রাম্যমাণ ৪১টি কেন্দ্রে সর্বমোট ৭৬৮ জন স্বেচ্ছাসেবী এ কাজে নিয়োজিত থাকবেন।

ঢাকাটাইমস/০৫ফেব্রুয়ারি/ওআর

[tmp_photo] => image-111660.jpg [tmp_photo_caption] => [thumb_photo] => [dtl_photo] => [post_template] => 0 [tags] => [rel_id_list] => [on_lead] => 0 [lead_hierarchy] => 9999 [corner_news] => 0 [hl_news] => 0 [rel_dis] => 0 [video_dis] => 0 [featured_video] => [operator] => ASM Reza [update_operator] => [entry_time] => 2019-02-05 14:55:06 [update_time] => 2019-02-05 14:55:06 [publish] => 1 )
Array ( [id] => 111566 [hl1] => [hl2] => ‘প্রথমে চিহ্নিত হলে ক্যানসার নিরাময় সম্ভব’ [big_hl2] => [hl_color] => rgb(33, 33, 33) [hl3] => [cat_id] => #14# [parent_cat_id] => 14 [dist_info] => [country_info] => [rpt] => নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস [prefix_keyword] => [sum] => [dtl] =>

ক্যানসার শরীরের সর্বত্রই হতে পারে। তবে এই রোগ ছোঁয়াচে নয়। এই রোগের বিষয়ে গণমানুষের মধ্যে আরও সচেতনতা সৃষ্টি করা জরুরি। শুরুতে ক্যানসার নির্ণয় বা চিহ্নিত করা গেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা নিরাময় করা সম্ভব। সোমবার ক্যানসার দিবসের এক র‌্যালিপূর্ব সমাবেশে কথাগুলো বলছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া।

সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যানসার (অনকোলজি) বিভাগ, শিশু হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগ, ওরাল অ্যান্ড ম্যাজিলোফিশিয়াল সার্জারি বিভাগের উদ্যোগে এই র‌্যালি বের হয়। সচেতনতামূলক  র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশ প্রদক্ষিণ করে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘আমি আছি এবং আমি থাকবো’।
র‌্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক শহীদুল্লাহ সিকদার, শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক চৌধুরী ইয়াকুব জামাল, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এবিএম আব্দুল হান্নান, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল  আব্দুল্লাহ আল হারুন, গাইনোকোলজিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাবেরা খাতুন, অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সারওয়ার আলম, শিশু হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আনোয়ারুল করিম, ওরাল অ্যান্ড ম্যাজিলোফিশিয়াল সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী বিল্লুর রহমান, অনকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জিল্লুর রহমান ভূঁইয়া, সহযোগী অধ্যাপক নাজির উদ্দিন মোল্লাহ, হেমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সালাহউদ্দীন শাহ প্রমুখ অংশ নেন।

(ঢাকাটাইমস/০৪ফেব্রুয়ারি/এএ/জেবি) 

[tmp_photo] => image-111566.jpg [tmp_photo_caption] => [thumb_photo] => [dtl_photo] => [post_template] => 0 [tags] => [rel_id_list] => [on_lead] => 0 [lead_hierarchy] => 9999 [corner_news] => 0 [hl_news] => 0 [rel_dis] => 0 [video_dis] => 0 [featured_video] => [operator] => rahat [update_operator] => [entry_time] => 2019-02-04 18:56:09 [update_time] => 2019-02-04 18:56:09 [publish] => 1 )
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :