মিরসরাইয়ে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ইউনিয়ন যুবদল নেতা হানিফের বিরুদ্ধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সেচ্ছাসেবকদল নেতার ১০.৯০ শতাংশ জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ উঠেছে ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জমি দখলের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী সেচ্ছাসেবকদলের নেতা শাহীদুল্লাহ।
ভুক্তভোগী পরিবারের শহিদুল্লাহ বলেন, মিঠানালা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক হানিফ তার সম্পর্কে ভায়রা হয়। শহিদুল্লাহর শরিবারিক সম্পত্তির পাশে একসময় যুবদল নেতা হানিফের শ্বশুরের সম্পত্তি ছিল। সেই সম্পত্তি ২০০৪ সালে জসিম নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেন তারা। জমি ক্রেতা জসিম সেই জমির ভোগ দখলে রয়েছেন। জসিমের কাছে জমি বিক্রি করে সেই জমি পুনরায় নামজারি করেন স্ত্রীর নামে যুবদল নেতা হানিফ। ভুয়া নামজারি করে হানিফ সেই জমির পার্শ্ববর্তী আমাদের জমি দখল শুরু করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন।
ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকদলের সাবেক আহবায়ক শাহীদুল্লাহ জানান, জমি দখলের বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হলে থানা পুলিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করতে চাইলে হানিফ থানা কিংবা আদালতের নির্দেশনা না মেনে আমাদের জমি দখল করেন।
হানিফের মামা শ্বশুর মহিউদ্দীন জানান, হানিফের স্ত্রী তার ভাগনি। বিরোধপূর্ণ এলাকায় তার ভাগনি ভাগিনা সহ সবাই তাদের সমুদয় সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছেন। সেখানে তাদের কোন সম্পত্তি অবশিষ্ট নেই। কিন্তু ভাগ্নে জামাই যুবদল নেতা কিসের ভিত্তিতে জমির নামজারি করেছেন এবং জায়গা দখল করেছে সেটা বলতে পারছি না।
তহসিল অফিসসূত্র জানায়, বিরোধপূর্ণ এলাকায় যুবদল নেতা হানিফের কোন সম্পত্তি নেই। তার স্ত্রী ও শ্বশুর পক্ষের কিছু সম্পত্তি ছিলো। তারা সেই সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছেন। কিন্তু বিক্রি সম্পত্তি কিভাবে পুনরায় নামজারি করেছেন তা জানিনা। তবে তাদের সম্পত্তি অবশিষ্ট না থাকায় তাদের নামজারি খতিয়ান তামিল করা সম্ভব নয়।
বিষয়টি জানতে মিঠানালা ইউনিয়ন যুবদল নেতা হানিফের ব্যক্তিগত ফোন নাম্বারে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।
(ঢাকা টাইমস/২৯সেপ্টেম্বর/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













