বায়তুল মোকাররমের খতিবকে সরানোর দাবি, জামায়াতবিরোধী স্লোগান

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেককে অপসারণের দাবিকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কের মধ্যে শুক্রবার জুমার নামাজের পর মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ করেছেন একদল মুসল্লি। এ সময় জামায়াতে ইসলামী ও দলটির প্রতিষ্ঠাতা মওদূদীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভে ওলামা দল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের নেতারা অংশ নেন। খতিবকে সরানোর চেষ্টার পেছনে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
এ সময় বিক্ষোভকারীদের ‘জামায়াত-শিবিরের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ এবং ‘মওদূদীর আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ স্লোগান দিতে শোনা যায়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বলেন, বায়তুল মোকাররমের খতিব মিম্বারে থাকবেন এবং নামাজ পড়াবেন। ইসলাম কোনো রাজনৈতিক দলের নয়। ইসলাম আল্লাহর, তৌহিদীদের এবং মুসলমানদের।
সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ এবং কওমি আলেমদের একাংশের দলটির সঙ্গে রাজনৈতিক জোটে যুক্ত হওয়ার সমালোচনা করেন মুফতি আব্দুল মালেক। তাঁর ওই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট আলেমদের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে মুফতি আব্দুল মালেককে কওমি আলেমদের জামায়াতের জোটে যুক্ত হওয়াকে ‘গোমরাহি’ বা ‘পথভ্রষ্টতা’ হিসেবে বর্ণনা করতে শোনা যায়। একই বক্তব্যে জামায়াতের লোগোতে থাকা ‘আকিমুদ-দ্বীন’ শব্দের ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
মুফতি আব্দুল মালেকের ভাষ্য, শব্দটির মাধ্যমে ইসলামের অপব্যাখ্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আপত্তি জানাতে গিয়ে তাঁকে ‘নাউজুবিল্লাহ’ বলতেও শোনা যায়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অংশ নিয়েছিল। দলটি বিএনপির সমর্থনে চারটি আসনে নিজস্ব প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কোনো আসনেই জয় পায়নি।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












