ঢাকায় ৬,৯০০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৫, কক্সবাজার-টেকনাফ থেকে আনতেন মাদক

রাজধানীতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ৬ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। গতকাল সোমবার ও আন মঙ্গলবার ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএনসির ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন কক্সবাজার থেকে ইয়াবা এনে ঢাকায় বিক্রির জন্য নিয়ে আসছিলেন। আরেকজন টেকনাফ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে রাজধানীর বিভিন্ন মাদক কারবারির কাছে বিক্রি করতেন। অন্য দুজন ঢাকা থেকে ইয়াবা নিয়ে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন মাদক কারবারির কাছে সরবরাহ করতেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে রাজধানীর মতিঝিল থানার আরামবাগে সোহাগ বাস কাউন্টারের সামনে অভিযান চালিয়ে আবদুর রহিম (৬২) ও ফোরকান মাহমুদ (৩২) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বহন করা ব্যাগ তল্লাশি করে ১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে এনেছিলেন বলে জানান।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কদমতলী থানার স্মৃতিধারা এলাকার ২৪ ফুট, ২ নম্বর সড়কের জিয়া স্মরণী এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে সাইফুল ইসলাম বাবু (৩২) নামের আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বসতঘরের আলমারির গোপন ড্রয়ারে রাখা একটি ব্যাগ থেকে ২ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি টেকনাফ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকার বিভিন্ন মাদক কারবারির কাছে বিক্রির কথা জানান।
এরপর আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর বনানী থানার মহাখালী কাঁচাবাজার এলাকায় কুন্তুরী রেস্টুরেন্টের সামনে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মো. লিটন মিয়া (৩৫) ও মো. আবদুল আজিজ (৩৯) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ২ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঢাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন মাদক কারবারির কাছে সরবরাহের কথা জানান।
ডিএনসি জানায়, পাঁচজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা করার জন্য এজাহার দাখিল করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবা ও অন্যান্য আলামত অধিদপ্তরের হেফাজতে রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মাদক সংগ্রহ, পরিবহন, মজুত ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
মাদকদ্রব্যের সরবরাহ ও বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













