পতিত সরকারের আমলে আলেমদের অকথ্য নির্যাতন করা হতো: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৪৫
অ- অ+

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন ও কারাগারে দুঃসহ বন্দিজীবনে রাখা হতো।

তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতনের পর মহান আল্লাহ আমাদের দেশ গড়ার যে সুযোগ দিয়েছেন আমরা যেনো ঐক্যবদ্ধভাবে তা কাজে লাগাতে পারি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত বিশিষ্ট আলেম ও ইসলামী ব্যক্তিবর্গের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তিনি।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি বশিরুল্লাহ্-র নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতী হারুন ইজহার ও মাওলানা মীর ইদরীস নদভি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা রফিকুল ইসলাম, জাতীয় ইমাম খতীব কাউন্সিলের কো-অর্ডিনেটর মাওলানা ফয়সাল, খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন ও কারাগারে দুঃসহ বন্দিজীবনের বেদনার স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতনের পর মহান আল্লাহ আমাদের দেশ গড়ার যে সুযোগ দিয়েছেন আমরা যেনো ঐক্যবদ্ধভাবে তা কাজে লাগাতে পারি।’

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন আর যেনো দেশে কখনো ফিরে না আসে এবং ধর্মের নামে কেউ যেনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে - সে ব্যাপারে সবার সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামি পন্ডিত ও আলেম-ওলেমাদের খুব সম্মান করতেন। ইসলামের প্রতি মমতাবোধ থেকে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিস্‌মিল্‌লাহির্‌-রাহ্‌মানির্‌-রহিম’ সংযোজন করেন। এছাড়া আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তিনি এখন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক মানুষ। তবে ইসলামী মূল্যবোধ ও শরীয়ায় আঘাত আসে এমন কোনো কাজ যাতে কেউ না করে তা তিনি লক্ষ্য রাখবেন।

প্রতিনিধিদলটি মধ্যপ্রাচ্যের ধনী ও উন্নত দেশ থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে এবং অনুদান সহায়তা আনার ব্যাপারে তাদের আরবী ভাষা ও যোগাযোগের পারদর্শিতা এবং ব্যক্তিগত সংযোগ কাজে লাগানোর অনুরোধ করেন। রাষ্ট্রপতি এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগের পরামর্শ দেন এবং এ ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মাদ্রাসা ও ফটিকছড়িতে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসা সফরের আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রপতি সুবিধাজনক সময়ে মাদ্রাসাগুলিতে সফরের ও হেফাজতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়ে তার আগ্রহ প্রকাশ করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
চুয়েটে ২৯ দিন ধরে কমপ্লিট শাটডাউন, বন্ধ শিক্ষা কার্যক্রম
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলস কাজ করছে: আইজিপি
তুলি এমপির ঘনিষ্ঠ শ্যুটার লেলিন গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ২