প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে
নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের আশ্বস্ত করে ফেসবুকে যা লিখলেন শিক্ষামন্ত্রী

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগপত্র না পেলে বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পর্যায়ক্রমে তাদের নিয়োগপত্র পাঠানো হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ফেসবুক পোস্টে মন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর নিয়োগপত্র পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে কেউ নিয়োগপত্র না পেলে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন বা ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর জারি করা এক আদেশে সারাদেশের প্রায় দেড় হাজার সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী বাদ পড়েন। তাদের নামে কোনো নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি। তবে কী কারণে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে ওই আদেশে কিছু বলা হয়নি।
বাদ পড়া কয়েকজন প্রার্থী জানান, ব্যক্তিগতভাবে খোঁজ নিয়ে তারা জানতে পেরেছেন, পুলিশ বা গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনে নেতিবাচক প্রতিবেদন থাকায় তাঁদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অধিদপ্তরের অন্য কর্মকর্তারাও গণমাধ্যমে এ বিষয়ে কথা বলতে চাননি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি।
এদিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
নিয়োগ পরীক্ষার ফল
গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।
পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়। জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













