একুশের চেতনায় মাতৃভাষার অনুশীলন কতটা করছি!

মো. সামছুল আলম
  প্রকাশিত : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:২৩
অ- অ+

বাংলা ভাষাই পৃথিবীতে একমাত্র ভাষা, যাকে রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে জীবন দিতে হয়েছে বাঙালিদের। বায়ান্নোর মহান ভাষা আন্দোলনের হাত ধরে অর্জিত একুশে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গৌরবের পতাকা ওড়াচ্ছে বিশ্বময়। এর জন্য সংগ্রাম করতে হয়েছে বছরের পর বছর। বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনে রক্ত দিয়ে মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার অর্জন করলেও সে মূল্যবান ভাষা এখন নানানভাবে অপব্যবহারের জাতাকলে ধুঁকছে। মাতৃভাষাকে ভালোবেসে বাংলা মায়ের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মদানে সিক্ত আমাদের বর্ণমালা। তাই একুশ শব্দটি শুধু একটি সংখ্যা নয়, একুশ বাঙালির অহংকার অস্তিত্বের চেতনা।

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির আগে বাংলা ভাষা প্রচলিত থাকলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে এটিকে মাতৃভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে ছাত্র-জনতা জীবন দিয়ে বাংলা ভাষাকে আমাদের মাতৃভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করে এবং বাঙালির জাতিসত্তা জাতীয়তাবোধকে সুদৃঢ় করে। এই আন্দোলনের ফলেই বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়; যা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং একটি স্বাধীন জাতি হিসাবে সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলা ভাষা বাংলাদেশের সংবিধান স্বীকৃত রাষ্ট্রভাষা। ভাষার রয়েছে নিজস্ব বর্ণমালা। বাংলা সাহিত্য সম্ভার নিঃসন্দেহে বিশ্বমানের। সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা বাঙালির সংখ্যা এক থেকে দেড় কোটি। দিক থেকে পৃথিবীর ভাষাগুলোর মধ্যে বাংলা ভাষার অবস্থান পঞ্চম। যদিও বিভিন্ন পরিসংখ্যানে বিভিন্ন তথ্য দেওয়া আছে। অন্তত বিশ্বের ভাষা নিয়ে যেসব গবেষক কাজ করেন তাদের মতে ভাষাভাষীর বিচারে বাংলা ভাষার অবস্থান সপ্তম। এত বিপুল সংখ্যক ভাষাভাষী নিয়ে একটি ভাষার দাপটের সঙ্গেই টিকে থাকার কথা। বিশ্বে শত শত ভাষা নিজস্বতা হারিয়ে বিপন্নতার মুখোমুখি, সেখানে বাংলা ভাষা সাহিত্যের জয়জয়কার সর্বত্র।

তবে এত অর্জনের পরও আমাদের ভালোবাসার বাংলা ভাষাও তার স্বকীয়তা হারাচ্ছে দিন দিন। মাতৃভাষার জন্য আমাদের ভালোবাসার কমতি নেই বিন্দুমাত্র। প্রতিবছর একুশ এলে হাতে হাতে শ্রদ্ধার ফুল আর শোকের কালো পোশাকে সে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখতে পাই। কিন্তু শোক শ্রদ্ধার এই বন্ধনকে আমরা সারা বছর লালন করি না আমাদের মুখের ভাষায়। আমাদের এই সাধের প্রাণের ভাষা নিজ ভূমিতেই যে কতটা অবহেলার শিকার, তার নজির ছড়িয়ে আছে সর্বত্র। উপরন্তু মহাবিপদ হয়ে উঠেছে হিন্দি ভাষার সিরিয়াল হিন্দিতে ডাবকৃত কার্টুন ছবিগুলো। শহরের বাংলাভাষী অনেক মা-বাবারাই আজ ঘরে শিশুর ইংরেজি কথোপকথন দক্ষতা বাড়াতে বাংলার বদলে অনবরত ইংরেজি বলে যাচ্ছে। তাই এই শিশুর কাছে আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল হয়ে উঠছে জ্যাকফ্রুট, কলা হয়ে উঠছে বানানা, বাবা হয়ে উঠছে ড্যাডি আর মা হয়ে উঠছে মাম্মি।

সরকারি অফিস-আদালত, বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, হোটেল রেস্তোরাঁ, এমনকি বিভিন্ন সরকারি নোটিশেও বাংলা বানান বাক্য গঠনে ভুল থেকে যাচ্ছে। প্রায়শ আমরা দেখে থাকি খাঁটি গরুর দুধ (সঠিক: গরুর খাঁটি দুধ) চোখের অশ্রুজলে তার বুক ভেসে গেল (সঠিক: চোখের জলে তার বুক ভেসে গেল) এখানে সম-অর্থের দুটি শব্দ পাশাপাশি রেখে ভাষার অপপ্রয়োগ করা হচ্ছে। বিভিন্ন আবেদনপত্র লেখা হয়, বিষয়: তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী তথ্য প্রদান প্রসঙ্গে (সঠিক বাক্যটি হলো, বিষয়: তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী তথ্য প্রদান।) এখানে বিষয় আর প্রসঙ্গ একই অর্থ বহন করে; তাই বাক্যের শেষে প্রসঙ্গ লেখা ভাষার অপপ্রয়োগ বটে

এছাড়া নাটক-সিনেমায় বাংলা ভাষার বিকৃত উচ্চারণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। সবখানেই বাংলা হরফে ইংরেজি অথবা ইংরেজি হরফে বাংলা লেখার প্রবণতাও ক্রমাগত বাড়ছে। টেলিভিশন নাটক, চলচিত্রের নামকরণেও আজ ইংরেজির আধিপত্য। ‘মেড ইন চিটাগাং, ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস, এক্স গার্লফ্রেন্ড, ‘এক্স বয়ফ্রেন্ড নাটকের এমন ইংরেজি নামের তালিকা আরও দীর্ঘ। ২০১৪ সালে সেন্সর বোর্ড চলচ্চিত্রের নামের ছাড়পত্র প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলা ভাষা সংস্কৃতির অনুসরণ নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। এমন প্রজ্ঞাপনের পরও থেমে নেই ইংরেজি নামের বাংলা সিনেমার। বর্তমানে অধিকাংশ ছবির নাম ইংরেজি।

এসব নাটক, সিনেমাতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিকৃত ভাষাও। এসব ভাষা আমাদের বাচ্চারা দ্রুত রপ্ত করছে; যা আমাদের ভাষা সংস্কৃতির জন্য অশনিসংকেত। তাছাড়া আমাদের ছেলে-মেয়েরা আজকাল অহরহ বাংলিশ ভাষায় কথা বলছে। তারা বাংলা ভাষার প্রতি উদাসীন। তারা ‘অসাধারণ না বলে বলেন, অসাম, ‘খুব সুন্দর না বলে বলেন ‘জোশ, ‘খুব ভালো না বলে বলেন ‘হেব্বি তারা ‘যা হোক না বলে বলেন ‘অ্যানি ওয়ে, ‘প্রসংগত না বলে বলেন ‘বাই দ্য ওয়ে, ‘চমৎকার না বলে বলেন ‘একসিলেন্ট এমনিভাবে তাদের কথায় অবলীলায় স্থান পায় ‘এক্সকিউজ মি, ‘গুড জব, ‘টাইম নাই, ‘সাইড দেন এমনকি তরুণদের মুখে মুখে ‘আবার জিগায়, ‘খাইলেই দিলখোশ, ‘এক্সট্রা খাতির, ‘তোর বেইল নাই ইত্যাদি নানান ভাষার ব্যবহার দেখা যায়। ফলে আধুনিকতার দোহাই দিয়ে রকম নানা শব্দ ঢুকে বাংলা ভাষাকে দূষিত বিকৃত করছে।

অন্যদিকে বিশ্বায়ন, আকাশ সংস্কৃতি, আধুনিকায়নের যুগে টিকটক, ফেসবুক রিলস ইউটিউব শর্টস দারুণভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ভাষা বিকৃতির নতুন ক্ষেত্র হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। একটু কান খোলা রাখলেই শোনা যায়, বেতার-টেলিভিশনে বলা হচ্ছে ‘হ্যালো লিসেনার্স, ‘হ্যালো ভিউয়ার্স ইত্যাদি।

এটা ঠিক যে, গণমাধ্যমের নিজস্ব ভাষারীতি থাকে। তবে তা অবশ্যই প্রমিত বাংলাকে পাশ কাটিয়ে হতে পারে না। তবে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় আমাদের গণমাধ্যম এখন যথেষ্ট সমৃদ্ধ। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের ধারায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে গণমাধ্যমের সংখ্যা। বেতার শিল্পে নতুন ধারা যুক্ত করেছে প্রাইভেট এফএম ‘ রেডিও চ্যানেলগুলো। এসব রেডিওতে অনুষ্ঠান উপস্থাপকরা (রেডিও জকি) শ্রোতাদের মনোরঞ্জনের জন্য বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি বাংলাকে ইংরেজির মতো করে ‘বাংলিশ কায়দায় কথাবার্তা বলেন। আর আমাদের নতুন প্রজন্ম নিজেদের স্মার্ট প্রমাণ করার জন্য এগুলো অন্ধভাবে অনুকরণ করে থাকে। ফলে ভাষা বিকৃতির প্রভাব দ্রুত ছড়াচ্ছে। মূলত তরুণ প্রজন্মের অনেকে বর্তমানে যে ভাষা ব্যবহার করছে তা আঞ্চলিকও নয়, প্রমিতও নয়। এটাকে ‘জগাখিচুড়ি ভাষা বলা যেতে পারে। ভাষার আঞ্চলিকতা থাকবে সত্য কিন্তু ব্যবহারিক ক্ষেত্রে প্রমিত বা শুদ্ধরূপ বজায় থাকা সংগত।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বাংলা ভাষাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বাংলার যে বিকৃত রূপ চোখে পড়ছে, তা যে বাংলা ভাষার লেখ্য রূপের নির্ঘাত অপমৃত্যু, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ডিজিটাল জগতে যে শুধু শব্দের অর্থ বদলে যাচ্ছে বা নতুন শব্দ যুক্ত হচ্ছে, তা নয়। বাংলা শব্দের বিকৃত বানানও ব্যবহার করে থাকেন অনেকে; যেমন ‘ওপরে বা ‘উপরে না লিখে ‘উপ্রে; ‘ভেতরে বা ‘ভিতরে না লিখে ‘ভিত্রে; ‘কী একটা অবস্থা না লিখে ‘কীয়েক্টাবস্থা লেখার চল বা ট্রেন্ড তৈরি হয়েছে। এগুলো বাংলা ভাষার ডিজিটাল শব্দভান্ডারে ঢুকে যাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ফেসবুকে নেতিবাচক বা আপত্তিকর শব্দের ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আসার ফলে অনেক শব্দকে অ্যাস্টেরিস্ক (*), হাইফেন (-), স্ল্যাশ (/) বা শুধু ফাঁকা রেখে শব্দ লিখছেন। যেমন, ‘ইজ-রাইল, ‘চুরি/চা/মারি, ‘মারা*মারি ইত্যাদি। আগে কোনো অশ্রাব্য শব্দকে প্রাতিষ্ঠানিক পরিসরে প্রকাশ করতে একটা বর্ণ লোপ করা হতো অ্যাস্টেরিস্ক চিহ্ন দিয়ে; কিন্তু এখন ফেসবুকের অ্যালগরিদম থেকে নিজেদের শব্দ আড়াল করার জন্য এমন রীতির আশ্রয় নেওয়া হয়। বাংলা ভাষায় এমন বৈশিষ্ট্যের শব্দ আসলে নতুন রীতি তৈরি করেছে। এছাড়া ভাইরাল, ‘রোস্ট, ‘পোস্ট, ‘স্ট্যাটাস শব্দগুলোর বহুদিনকার প্রচলিত অর্থ বদলে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে। ‘ভাইরাল যতটা না অসুখসংক্রান্ত, তার চেয়ে বেশি মিডিয়া কনটেন্টের প্রচার সংক্রান্ত শব্দ। ঠিক ‘রোস্ট খাবার হিসাবে যেমন উচ্চারিত হয়, ইউটিউবে অন্যকে রিভিউ করে ‘পচানি দেওয়ায় বেশি উচ্চারিত হয়। ‘পোস্ট, ‘স্ট্যাটাস, ‘রিচ, ‘শেয়ার শব্দগুলোয় যুক্ত হয়েছে নতুন ব্যঞ্জনা। পুরাতন অর্থ ছাপিয়ে গেছে এদের নতুন অর্থ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে বাংলা ভাষায় ‘মিম, ‘ট্রোলিং, ‘প্র্যাঙ্ক-এর মতো নতুন শব্দও যুক্ত হয়েছে।

পৃথিবীর প্রত্যেক ভাষায় কিছু না কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সে বিবেচনায় বাংলা ভাষার সীমাবদ্ধতা বলা যায় অতি নগণ্য। উদাহরণ হিসাবে ইংরেজির সঙ্গে যদি বাংলার তুলনা করি দেখা যাবে, একটি ধ্বনির প্রতিলিপি হিসাবে ইংরেজিতে একটি বর্ণ সৃষ্টি হয় না। দেখা যায়, বর্ণের উচ্চারণ কখনও বর্গীয়-, কখনও বা গ। আবার কখনও উচ্চারণই হয় না, যেমন: Night, Germ, Gram. পক্ষান্তরে প্রত্যেকটি ধ্বনির জন্য বাংলায় নির্দিষ্ট বর্ণ আছে। ‘ক বর্ণের উচ্চারণ সব সময় সর্বত্র অভিন্ন

জাতীয়-আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দিবস উদযাপনে ইংরেজি তারিখের উল্লেখ থাকলেও বাংলা সন-তারিখের কোনো উল্লেখ থাকে না। সবচেয়ে দুঃখের বিষয়, ভাষাশহিদ দিবসের তারিখটাও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইংরেজি তারিখে। ঘটনার দিনটি যে ফাল্গুন ছিল, ব্যবহার না করায় তা অনেকেই জানে না। সব জায়গায় বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হাইকোর্ট থেকে রুলসহ দুটি আদেশ জারি করা হয়। কিন্তু এতকিছুর পরও সব জায়গায় বাংলা ভাষা ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়নি। এভাবে চলতে থাকলে রাষ্ট্রভাষা বাংলা একদিন অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই ভাষার সম্মান মর্যাদা রক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন ভাষাবিদরা। তাঁরা বলছেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের যে দাবি ছিল তা আজও পূরণ হয়নি। শুধু কাগজে-কলমে রাষ্ট্রভাষা বাংলা। কিন্তু সব জায়গায় ইংরেজিসহ বিদেশি ভাষার দাপট। অবস্থা চলতে থাকলে নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি বিলীন হয়ে যেতে পারে।

সবশেষে বলতে হয়, কেউ যদি নিজেকে উপস্থাপন করতে চায়, সেটা তার মাতৃভাষাতেও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারে। আমরা অন্য কোনো ভাষা শিখব; তবে নিজ মাতৃভাষাকে অবজ্ঞা না করে। কোনো জাতি যদি তার দেশকে, দেশের মাতৃভাষাকে শ্রদ্ধা না করে, সে জাতি কখনোই মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না। তাই তরুণ প্রজন্মসহ আমাদের সবার দায়িত্ব হলো- মাতৃভাষা তথা বাংলাকে তার যথাযথ সম্মান মর্যাদা দেব। তাহলেই দেশ জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।

লেখক: গণযোগাযোগ কর্মকর্তা, মৎস্য প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
কালকিনিতে মহিলা মাদ্রাসায় হাতবোমা বিস্ফোরণে আহত ৪ শিক্ষার্থী
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আংশিক কমিটিতে যারা পেলেন দায়িত্ব
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫৯ জন গ্রেপ্তার, মামলা ৪৪
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা