কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধার, ‘বন্দি’ সেই ৩০ বাংলাদেশি আজ দেশে ফিরছেন

অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫| আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭
অ- অ+

কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ৩০ বাংলাদেশি আজ দেশে ফিরছেন। আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে তাদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভনে কম্বোডিয়ায় নিয়ে যাওয়ার পর তাদের অনেকে সাইবার প্রতারণাকেন্দ্রে আটকে পড়েছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উদ্যোগে তাদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়।

বোর্ডের প্রবাসী কল্যাণ শাখা থেকে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে পাঠানো এক চিঠিতে আটক বাংলাদেশিদের মুক্তি ও দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বোর্ডের উপপরিচালক (আইআরপি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আটক বাংলাদেশিদের মুক্তি এবং দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নিতে দূতাবাসের শ্রম শাখাকে অনুরোধ করা হয়েছে।

গত ৩ সেপ্টেম্বর কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন বিমানবন্দরে দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে গেলে ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ বাংলাদেশিকে আটক করে। পরে তাদের মধ্যে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।

আটক বাংলাদেশিরা হলেন মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে ও মোহাম্মদ কবির।

চিঠিতে নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত তাদের মুক্ত করে দেশে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালাল চক্রের মাধ্যমে এসব বাংলাদেশিকে কম্বোডিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের অনেককে সাইবার স্ক্যামিং বা অনলাইন প্রতারণাকেন্দ্রে কাজ করতে বাধ্য করা হয়। এসব কেন্দ্র থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।

পরবর্তী সময়ে দেশটির নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে গত ৩ সেপ্টেম্বর তারা নমপেন বিমানবন্দরে যান। তবে ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের সময় অবৈধ অবস্থানসহ বিভিন্ন জটিলতার কারণে তাদের আটক করা হয়।

দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর উদ্যোগে অবশেষে দেশে ফেরার সুযোগ পেলেন এই ৩০ বাংলাদেশি।

(ঢাকাটাইমস/২০ অক্টোবর/আরজেড)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম
সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে একসঙ্গে দেশ গড়তে চান প্রধানমন্ত্রী
দক্ষিণ বনশ্রীতে পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, যা বলছে পুলিশ
এআইকে কাজে লাগিয়ে শতাধিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে হামলা