৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিয়ানমার, কম্পন অনুভূত বাংলাদেশেও

মিয়ানমারে মধ্যরাতে ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ড ধরে মৃদু ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন বাসিন্দারা। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
রবিবার (১০ মে) দিবাগত রাত ১টা ৩৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড)। সংস্থাটির তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এর অবস্থান নির্ণয় করা হয়েছে ২০ দশমিক ৪৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৩ দশমিক ৯৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
অন্যদিকে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের সিদোকতাইয়া এলাকার প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের কম্পন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলেও অনুভূত হয়। নগরীর কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ করেই ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পনে অনেকেই আতঙ্কে বাসা থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
এর আগেও শনিবার (৯ মে) বিকালে দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। বিকাল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে হওয়া ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪ থেকে ৪ দশমিক ৫ এর মধ্যে।
ভারতের ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৪ দশমিক ৫ উল্লেখ করলেও ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪।
এদিকে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, শনিবারের ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভারতের আসামের বিলাসিপাড়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির গভীরতা কম হওয়ায় সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় এর কম্পন বেশি অনুভূত হয়।
লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্থানীয়রা মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের কম্পন অনুভবের কথা জানিয়েছেন। এতে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর না মিললেও জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
(ঢাকাটাইমস/১১ মে/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












