সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ, অস্ত্রসহ ৩ ডাকাত আটক

সুন্দরবনে কুখ্যাত ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাহিনীটির তিন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় বনদস্যু বাহিনী নির্মূলে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় পঞ্চম দফার অভিযানে করিম শরীফ বাহিনীর তিন সদস্যকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় বাগেরহাটের শরণখোলা থানাধীন সুন্দরবনের শ্যালা নদীর মরা চানমিয়া খালী খাল এলাকায় করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে। পরে গত ১৩ মে বিকাল ৫টা থেকে দুই দিনব্যাপী কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ও স্টেশন কোকিলমনি যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা গুলিবর্ষণ শুরু করলে আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ডও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে কোস্ট গার্ডের তীব্র প্রতিরোধের মুখে ডাকাত সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তিনজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতদের কাছ থেকে তিনটি একনলা বন্দুক, একটি দেশীয় পিস্তল, ৪৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, দুটি ওয়াকিটকি ও চারটি ওয়াকিটকি চার্জার উদ্ধার করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন— মো. মেহেদী হাসান, মো. রমজান শরীফ এবং মো. এনায়েত।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি, জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
কোস্ট গার্ড আরও জানায়, গত ১৩ মে বন বিভাগের সহযোগিতায় করিম শরীফ বাহিনীর জিম্মি করা চার জেলেকে উদ্ধার করে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













