চোরাচালান ও মাদক পাচার ঠেকাতে সমন্বিত উদ্যোগে জোর ডিআইজি আবদুল মাবুদের

চোরাচালান, মাদকদ্রব্য ও বিস্ফোরকদ্রব্যের অবৈধ পাচার প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়, সহযোগিতা এবং গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন রংপুর রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রংপুর বিভাগীয় সদরদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে বিভাগীয় চোরাচালান নিরোধ আঞ্চলিক টাস্কফোর্স কমিটির সভায় তিনি এ গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। তিনি বলেন, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিস্ফোরক পরিদপ্তর ও রেলওয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত এবং অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত মামলার তদন্তের বিষয়ে ডিআইজি বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির মাদকদ্রব্য সম্পর্কে জ্ঞান, মাদকের ওপর দখল বা অধিকার এবং নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি। পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের পাশাপাশি সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রযোজ্য আইন অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে। এতে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সাজা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
রেলপথ ব্যবহার করে চোরাচালান, মাদকদ্রব্য ও বিস্ফোরকদ্রব্য পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে রেলওয়ে পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। এ লক্ষ্যে রংপুরে রেলওয়ে পুলিশের জনবল বাড়ানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন ডিআইজি।
সভায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়, গোয়েন্দা তথ্যের যথাযথ ব্যবহার এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে চোরাচালানসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর ভূমিকা পালনে রংপুর রেঞ্জ পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয়।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













