খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিয়েছেন ৪ কোটির বেশি মানুষ

ঢাকা টাইমস ডেস্ক
  প্রকাশিত : ১০ জুলাই ২০২৬, ১৪:৩৪
অ- অ+

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতায় ৪ কোটির বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ছয় দিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মসূচিতে মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল বলে জানিয়েছে তারা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে ৪ কোটি ১০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি এ শোকযাত্রাকে ‘বিশ্ব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শোকযাত্রা’ বলে উল্লেখ করেছে। তেহরান, কোম, নাজাফ, কারবালা ও মাশহাদ—এই পাঁচ শহরে জানাজা ও দাফনসংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

গত শনিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হলে সেখানে হাজারো মানুষ জড়ো হন। সেখান থেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

জানাজা ও শোকানুষ্ঠানে ইরানের আঞ্চলিক মিত্র সংগঠন হামাস, ইসলামিক জিহাদ, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তেহরানের কেন্দ্রস্থলে নিজ বাসভবনে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। চার মাসের বেশি সময় পর বৃহস্পতিবার তাকে ইরানের অন্যতম পবিত্র শিয়া ধর্মীয় স্থান ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারে দাফন করা হয়।

এদিকে তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দিয়েছে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানায়, সম্মেলনে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করায় ন্যাটোর সমালোচনা করেছে ইরান।

তুরস্কে ইরানের দূতাবাস এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, দেশটির পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ এবং তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো চেষ্টা করছে না। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ইরানের এবং এ অঞ্চলের অস্থিতিশীলতার জন্য বহিরাগত শক্তির কর্মকাণ্ড দায়ী বলেও দাবি করা হয়।

ন্যাটো সম্মেলনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় মিত্রদের হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার আহ্বান জানান। সে সময় তিনি অভিযোগ করেন, ইরানকে ‘সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র’ উল্লেখ করলেও ন্যাটো যুক্তরাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে আগ্রহ দেখায়নি।

অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সমালোচনা করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতি ন্যাটোর সমর্থন তাদের রাজনৈতিক অবস্থানেরই প্রতিফলন।

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও মানবিক আচরণে ‘জনগণের পুলিশ’ গড়তে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন
Barishal Division Welfare Association Holds Discussion to Mark Sher-e-Bangla’s 153rd Birth Anniversary
ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-১০-এ পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ