৬.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইতালি

ইতালির দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পে বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে উঠলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, সোমবার গভীর রাতে কালাব্রিয়া অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২৪৭ কিলোমিটার গভীরে। কালাব্রিয়ার কোসেনজা শহর থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার দূরে ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল।
ফক্স ওয়েদারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১২টা ১২ মিনিটের দিকে দক্ষিণ ইতালির বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়। সারাসেনা শহরের প্রায় ১০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে এর কেন্দ্রস্থল শনাক্ত করা হয়েছে।
ইউএসজিএসের তথ্যমতে, মডিফায়েড মারকেলি ইনটেনসিটি স্কেলে ভূমিকম্পটির প্রাথমিক তীব্রতা ছিল ৪ মাত্রার, যা তুলনামূলকভাবে হালকা কম্পন হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ধরনের ভূমিকম্পে ঘরের ভেতরে অবস্থানরত অনেক মানুষ কম্পন অনুভব করতে পারেন এবং ঘুমন্ত মানুষের ঘুম ভেঙে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, এ মাত্রার কম্পনে জানালা, দরজা ও থালা-বাসন কেঁপে উঠতে পারে। দেয়াল থেকে শব্দ শোনা যেতে পারে এবং পার্ক করে রাখা যানবাহনও দুলে উঠতে পারে। তবে খোলা স্থানে থাকা অনেকেই কম্পন অনুভব নাও করতে পারেন।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি, আহত হওয়ার ঘটনা বা উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য পরাঘাত (আফটারশক) পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হিসেবে ইতালিতে ছোট-বড় ভূমিকম্প প্রায়ই ঘটে থাকে। কখনও তা হালকা কম্পনে সীমাবদ্ধ থাকে, আবার কখনও শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য, গত মাসেও ইতালির বাকোলি এলাকায় ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। এদিকে জুন মাস থেকে দেশটিতে গ্রীষ্মকালীন পর্যটন মৌসুম শুরু হওয়ায় বিভিন্ন অঞ্চলে পর্যটকদের উপস্থিতিও বাড়ছে।
(ঢাকাটাইমস/২ জুন/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












