তেঁতুলিয়ায় জেঁকে বসছে শীতের দাপট, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৪ ডিগ্রি

অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০
অ- অ+

উত্তরের হিমেল বাতাস ও হালকা কুয়াশায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় বাড়তে শুরু করেছে শীতের অনুভূতি। মঙ্গলবার সকালে উপজেলাটিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

সকালে জেলার বিভিন্ন এলাকায় হালকা কুয়াশার মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। বাতাসে অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ। তবে জীবিকার তাগিদে ভোর থেকেই কাজে বেরিয়ে পড়ছেন শ্রমজীবী মানুষ। দিনমজুর, পাথর ও চা শ্রমিক, ভ্যানচালক এবং কৃষকদের কর্মব্যস্ততা চোখে পড়েছে সকাল থেকেই।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার পর উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসে শীতের অনুভূতি বাড়তে থাকে। রাত গভীর হলে এবং ভোরের দিকে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হয়। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় পঞ্চগড়ে শীতের আগমন কিছুটা আগেই ঘটে। অক্টোবর থেকেই শীতের আমেজ শুরু হলেও নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত শীতের তীব্রতা বাড়ে।

শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে জেলার বিভিন্ন বাজারে দেখা মিলছে মৌসুমি পিঠার। ভাপা, চিতই ও পাকান পিঠা তৈরি ও বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতারা।

এদিকে দিনে তুলনামূলক গরম আর রাতে ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে সর্দি-কাশিসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আক্রান্তদের অনেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন উপজেলা হাসপাতালে।

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, হিমালয় ও কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে হিমেল বাতাস ও হালকা কুয়াশার প্রভাবে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। ধীরে ধীরে বাড়ছে শীতের অনুভূতিও।

(ঢাকাটাইমস/২৭ অক্টোবর/আরজেড)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন
৭ নভেম্বর দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে
জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী
কেন এখনই প্রয়োজন সমন্বিত ও কার্যকর নতুন আইন