শিরোনাম :

বিদেশে পাড়ি জমানোর স্বপ্ন: অনিশ্চিত পথে কতটা নিরাপদ বাংলাদেশের মানুষ

আবুল ফয়েজ মোঃ হাবিবুর রহমান
  প্রকাশিত : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৪
অ- অ+

বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন বাংলাদেশের লাখো মানুষের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। কেউ দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে চান, কেউ পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে চান, আবার কেউ সন্তানদের উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার প্রত্যাশায় পাড়ি জমাতে চান দূরদেশে। তাঁদের শ্রমে সমৃদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি, শক্তিশালী হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ এবং সচল থাকছে অসংখ্য পরিবারের জীবনযাত্রা। কিন্তু এই স্বপ্নের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আছে এক নির্মম বাস্তবতা—বিদেশে যাওয়ার অনিশ্চিত ও অনিয়মিত পথে অনেক বাংলাদেশি প্রাণ হারাচ্ছেন, নিখোঁজ হচ্ছেন কিংবা মানব পাচারকারীদের হাতে বন্দি হয়ে পড়ছেন। প্রশ্ন হলো, উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা কি একজন মানুষের জীবনকে এমন অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেবে? বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যেমন রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশ, তেমনি নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

স্বপ্নের পথে মৃত্যুর মিছিল

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) Missing Migrants Project-এর তথ্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অনিয়মিত অভিবাসনের পথে অন্তত ১,৩২৯ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত হয়েছে। একই সময়ে ৮৫৯ জন নিখোঁজ হয়েছেন। অর্থাৎ, নথিভুক্ত হিসাবে মৃত ও নিখোঁজের সম্মিলিত সংখ্যা ২,১৮৮। বিশেষ করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথে বহু বাংলাদেশির মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে এই পরিসংখ্যানকে পূর্ণাঙ্গ হিসাব হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। সমুদ্রে নৌকাডুবির ঘটনায় অনেকের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয় না। অনেক দুর্ঘটনা যথাযথভাবে নথিভুক্তও হয় না। ফলে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

এই পরিসংখ্যান কেবল কয়েকটি সংখ্যা নয়; প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একটি পরিবার, একটি অসমাপ্ত স্বপ্ন এবং অপেক্ষায় থাকা কিছু মানুষ। কোনো মা হয়তো তাঁর সন্তানের ফেরার অপেক্ষায় আছেন, কোনো স্ত্রী অপেক্ষা করছেন স্বামীর ফোনের, আবার কোনো শিশু জানেই না তার বাবা আর কখনো ফিরবেন কি না। অতএব, অনিয়মিত অভিবাসনের এই সংকটকে শুধু সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কিংবা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি একটি গভীর মানবিক ও সামাজিক সংকট।

কেন মানুষ মৃত্যুঝুঁকি জেনেও বিদেশে যেতে চান?

এর পেছনে রয়েছে একাধিক আর্থসামাজিক কারণ। দেশে কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা, প্রত্যাশিত আয়ের অভাব, পরিবারের আর্থিক চাপ এবং দ্রুত সচ্ছল হওয়ার আকাঙ্ক্ষা অনেক মানুষকে বিদেশমুখী করে তোলে। তাঁদের কাছে বিদেশে যাওয়া শুধু একটি চাকরি পাওয়া নয়; এটি পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা। এই প্রত্যাশাকে পুঁজি করে সক্রিয় হয় প্রতারক ও মানব পাচারকারীদের নেটওয়ার্ক। ইউরোপে উচ্চ বেতনের চাকরি, সহজে ভিসা পাওয়া কিংবা অল্প সময়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। অনেক ক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা থেকে শুরু করে আরও বেশি অর্থ আদায় করা হয়।

পরিবারের জমিজমা বিক্রি, ঋণ গ্রহণ কিংবা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে অর্থ ধার করে অনেকে এই যাত্রায় অংশ নেন। পরে দেখা যায়, প্রতিশ্রুত চাকরির অস্তিত্ব নেই, ভিসার বৈধতা নিয়ে সমস্যা রয়েছে অথবা তাঁদের এমন একটি বিপজ্জনক পথে পাঠানো হচ্ছে, যেখানে জীবন বাঁচিয়ে ফিরে আসাই অনিশ্চিত। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রে বিদেশযাত্রার পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিবার ও চাকরিপ্রার্থীদের পর্যাপ্ত ধারণা থাকে না। তাঁরা জানেন না, কোথায় তাঁদের নেওয়া হবে, কারা তাঁদের যাত্রার ব্যবস্থা করছে এবং বিপদে পড়লে কার কাছে সাহায্য চাইবেন।

মানব পাচার ও দালালচক্রের বিস্তার

অনিয়মিত অভিবাসনের অন্যতম বিপজ্জনক দিক হলো মানব পাচার।

পাচারকারীরা অনেক সময় বৈধ চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে সংগ্রহ করে। পরে তাঁদের বিপজ্জনক পথে সীমান্ত পার করানো হয়, আটকে রাখা হয় কিংবা জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত করা হয়।

কিছু ক্ষেত্রে যাত্রাপথে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। অর্থ দিতে না পারলে নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা পরিবারের কাছে মুক্তিপণ চাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।

এ ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় শুধু সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো যথেষ্ট নয়। দেশে ও বিদেশে সক্রিয় পাচারকারী চক্রের অর্থের উৎস, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সহযোগীদের শনাক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির পরিচয় ব্যবহার করে যারা প্রতারণা করে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন: অনিয়মিত পথে যাত্রা করা প্রত্যেক ব্যক্তিই মানব পাচারের শিকার নন। কিন্তু অনিয়মিত যাত্রার অনিরাপত্তা এবং পাচারকারীদের ওপর নির্ভরতা মানুষকে গুরুতর ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে।

শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, নিরাপদ বিকল্পও প্রয়োজন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা বন্ধ করতে শুধু প্রচারাভিযান, সতর্কবার্তা কিংবা শাস্তির ভয় দেখানো যথেষ্ট নয়। মানুষ কেন এই ঝুঁকি নিচ্ছেন, সেই কারণগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে।

যদি একজন তরুণ দেশে উপযুক্ত কাজ না পান, আর বৈধ পথে বিদেশে যেতে তাঁকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়, তাহলে তিনি বিকল্প পথের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন। তাই অনিয়মিত অভিবাসন বন্ধের পাশাপাশি বৈধ বিদেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো অপরিহার্য।

প্রথমত, বাংলাদেশকে নতুন ও বৈচিত্র্যময় শ্রমবাজার অনুসন্ধান করতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের প্রচলিত শ্রমবাজারের পাশাপাশি ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দক্ষ কর্মীদের জন্য উপযুক্ত সুযোগ খুঁজে বের করা প্রয়োজন।

দ্বিতীয়ত, বিদেশে যাওয়ার খরচ যুক্তিসংগত পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে। নিয়োগব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বাড়িয়ে কর্মীদের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমাতে হবে।

তৃতীয়ত, কারিগরি দক্ষতা ও ভাষা প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। প্রশিক্ষিত কর্মীরা আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে অধিকতর উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারেন।

চতুর্থত, বিদেশি নিয়োগকর্তা ও চাকরির প্রস্তাব যাচাইয়ের ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিদেশে চাকরির নিশ্চয়তা দিলে তার সত্যতা যাচাইয়ের সহজ ও নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।

সরকারের দায়িত্ব কোথায়?

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

প্রথমত, প্রতারণার অভিযোগ দ্রুত তদন্ত

করতে হবে। বিদেশে চাকরির নামে অর্থ আত্মসাৎকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অভিযোগ জানানো এবং প্রতিকার পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, বিদেশে বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। দূতাবাসগুলোতে জরুরি যোগাযোগব্যবস্থা, আইনি সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।

তৃতীয়ত, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিদেশি চাকরির প্রস্তাব, নিয়োগকর্তা, ভিসা, রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স এবং অভিবাসন ব্যয় সম্পর্কে যাচাইকৃত তথ্য অনলাইনে সহজলভ্য করতে হবে।

চতুর্থত, পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে

সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু যাত্রার ব্যবস্থা করা ব্যক্তিকে আটক করলেই চলবে না; অপরাধের অর্থায়নকারী, সংগঠক ও আন্তর্জাতিক সহযোগীদেরও শনাক্ত করতে হবে। পঞ্চমত, বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে গুরুত্ব দিতে হবে। বিদেশে প্রতারণা বা শোষণের শিকার হয়ে ফিরে আসা ব্যক্তিদের দক্ষতা প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান এবং প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। এতে তাঁদের আবার বিপজ্জনক পথে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে।

পরিবারের সচেতনতা ও সামাজিক দায়িত্ব

নিরাপদ অভিবাসনের ক্ষেত্রে পরিবারগুলোরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিদেশে যাওয়ার আগে ভিসার বৈধতা, চাকরির চুক্তি, নিয়োগকর্তার পরিচয় এবং এজেন্সির লাইসেন্স যাচাই করা জরুরি। প্রতিটি অর্থ লেনদেনের রসিদ সংরক্ষণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অনুলিপি পরিবারের কাছে রাখতে হবে।

অস্বাভাবিক উচ্চ বেতনের প্রলোভন, পর্যটন ভিসায় গিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি কিংবা যাচাই ছাড়াই ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনগুলোও সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বিদেশে যাওয়ার আগে সরকারি তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ বাড়ানো জরুরি।

মানুষকে শুধু ভয় দেখিয়ে নয়, সঠিক তথ্য ও বাস্তব বিকল্প দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করতে হবে।

রেমিট্যান্সের হিসাবের বাইরে মানুষের জীবন

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁদের পাঠানো অর্থ বহু পরিবারের জীবনমান উন্নত করে, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় মেটায় এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার জোগানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কিন্তু রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাড়লেই অভিবাসনব্যবস্থা সফল হয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। কতজন কর্মী নিরাপদে বিদেশে যাচ্ছেন, কতজন ন্যায্য মজুরি পাচ্ছেন, কতজন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন এবং কতজন মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে যাত্রা করছেন—এসব তথ্যও সমান গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করতে হবে।

বিদেশে একজন কর্মীর মৃত্যু মানে শুধু একটি প্রাণের অবসান নয়; অনেক ক্ষেত্রে একটি পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস হারিয়ে যাওয়া, ঋণের বোঝা বেড়ে যাওয়া এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়া।

রাষ্ট্রের উন্নয়ন পরিকল্পনায় তাই অভিবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদাকে কেন্দ্রীয় গুরুত্ব দিতে হবে।

উপসংহার

বিদেশযাত্রা হোক নিরাপদ, স্বপ্ন হোক বাস্তব।

বাংলাদেশের মানুষের বিদেশে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বৈদেশিক কর্মসংস্থান দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু এই সুযোগ যেন মৃত্যু, প্রতারণা ও মানব পাচারের ফাঁদে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

২০১৫–২০২৫ সময়ে অনিয়মিত অভিবাসনের পথে অন্তত ১,৩২৯ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য এবং ৮৫৯ জনের নিখোঁজ থাকার হিসাব আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা তুলে ধরে। এই পরিসংখ্যানকে পূর্ণাঙ্গ হিসাব না ধরে নথিভুক্ত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তবু এটুকু স্পষ্ট যে সমস্যাটি উপেক্ষা করার মতো নয়।

বাংলাদেশকে এমন একটি অভিবাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে মানুষ নিরাপদে বিদেশে যেতে পারবেন, প্রতারণামুক্তভাবে চাকরি পাবেন, ন্যায্য মজুরি ও মানবিক মর্যাদা নিয়ে কাজ করতে পারবেন এবং বিপদে পড়লে রাষ্ট্রের সহায়তা পাবেন।

বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে কোনো বাংলাদেশিকে যেন জীবন বিসর্জন দিতে না হয়। রেমিট্যান্স যেমন জাতীয় অর্থনীতির শক্তি, তেমনি প্রবাসী কর্মীদের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষা রাষ্ট্রের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। স্বপ্নের গন্তব্যে পৌঁছানোর পথ হতে হবে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ—মৃত্যু, প্রতারণা কিংবা মানব পাচারের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়ার পথ নয়।

লেখক: ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস্ লিমিটেড, [email protected]

(ঢাকাটাইমস/২৮ অক্টোবর/আরজেড)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
‘নেতানিয়াহু হেরে গেছেন’: ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
দেশের বাজারে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম
শাকিল হত্যায় ছেলের পক্ষে নন, বললেন এমপি আব্দুল আজিজ
কম্বোডিয়ায় নয় মাসে ৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বহিষ্কার