ভোলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১৪ জনকে জরিমানা

ভোলায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে মাঠে কাজ করছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৪টি দল। তারা ভোলা শহর ও আশাপাশের বাজারগুলোতে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখতে অভিযান পরিচালনা করছেন। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১৪ জনকে মোট চার হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ও পিয়াস চন্দ্র দাস সদর উপজেলার ঘুইংগারহাট থেকে বাংলা বাজার পর্যন্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদের জরিমানা করেন। সেই সঙ্গে সবাইকে সামাজিক দূরুত্ব বাজায় রেখে চলাচল করতে অনুরোধ জানান এবং প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের বিচার শাখার পেশকার গৌতম সিংহ।
সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালি জানান, গত মঙ্গলবার করোনা সন্দেহে জেলার দৌলতখান উপজেলায় ২৫ বছর বয়সী এক যুবককে আইসোলেশনে রেখে তার নমুনা আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। তবে যুবকের নমুনা পরীক্ষা করে করোনার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তাই তাকে নিয়মিত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ১৪ জনসহ সর্বমোট ৩৮৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে কোয়ান্টোইন শেষে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ১৪৯ জনকে।
অন্যদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রামণ রোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ভোলায় হাসপাতাল, ক্লিনিক, সড়ক ও বিভিন্ন গন-পরিবহনে জীবানুনাশক স্প্রে করেছে ভোলা জেলা রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবকরা। শুক্রবার সকাল থেকে শহরের সদর রোড, হাসপাতাল রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় এ জীবানুনাশন স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় জনগনকে সচেতন করতে লিফলেট বিতরণ করেন তারা।
জরুরি প্রয়োজনীয় ওষুধের দোকান ছাড়া বিকেল ৫টার মধ্যে সব নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। জন সমাগম ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে রাস্তায় টহল দিচ্ছে নৌবাহিনী।
(ঢাকাটাইমস/২৭মার্চ/কেএম)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
মন্তব্য করুন













































