মানব পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে উইনরক

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা উইনরক ইন্টারন্যাশনাল। এ ছাড়া মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ এবং ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন উইনরক ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাকসুদা মাকসুদি। এ সময় তারা মানব পাচার প্রতিরোধ, ভুক্তভোগীদের পুনর্বাসন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন। সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রকল্প পরিচালক দীপ্তা রক্ষিতসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসানের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সাক্ষাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা, পুনর্বাসন এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে জাতীয় রেফারেল মেকানিজম (এনআরএম) এবং মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল কার্যকরভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। এ-সংক্রান্ত বেসরকারি সংস্থার কার্যক্রম ও নতুন প্রকল্পের অনুমোদনপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের নামে সাইবার স্পেস ও ভুয়া অনলাইন চাকরির বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রতারণা এবং মানব পাচারের ঘটনা ঘটছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব চক্রের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উইনরক ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট মাকসুদা মাকসুদি বাংলাদেশে মানব পাচার প্রতিরোধে ২০০৮ সাল থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনে বাংলাদেশের উদ্যোগে সংস্থাটির সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা জানান।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












