সন্দেহ আর সংশয়ের বিশ্বকাপ-১

মিনহাজ ইসলাম লিও
 | প্রকাশিত : ১০ জুন ২০১৮, ০৮:১১

বিশ্বকাপ ফুটবলের সেই জমজমাট আসর আসন্ন। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা করা নিয়ে তর্কযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পাড়া মহল্লায়। এ যেন মাসব্যাপী ঈদ উদযাপন! উৎসবের আমেজ এমনটাই চারিদিকে। এই বিশ্বকাপ ফুটবল দ্বৈরথ যেমন অনেক স্মরণীয় মূহুর্তের জন্ম দিয়েছে ঠিক তেমনি সৃষ্টি করে গেছে কিন্তু অনেক বিতর্কেরও। যা এখনো মুখরোচক ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে। ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই হাত দিয়ে করা গোল থেকে ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব রাশিয়া এবং কাতারকে উপহার দেওয়া পর্যন্ত অসংখ্য বিতর্কের সৃষ্টি করেছে এই বিশ্বকাপ। কোনো কোনো সময় দেখা যেতো সেইসব ঘটনাসমূহের কাছে টুর্নামেন্টের বিজয়ী দলের সাফল্যগাথা কিংবা সেরা খেলোয়াড়দের পারফর্মেন্সও একরকম গৌণ হয়ে গিয়েছে।

হ্যান্ড অফ গড (১৯৮৬)

অবিসংবাদিত ভাবে ইতিহাসের সবচাইতে ঐতিহাসিক ঘটনা এটিই। ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই হ্যান্ডবল ইংলিশ গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে পরাস্ত করে আশ্রয় নেয় ব্রিটিশদদের জালে। ধারণা করা হয়  স্টেডিয়ামে উপস্থিত সকল দর্শক এবং ইংল্যান্ডের সকল খেলোয়াড় নিশ্চিত ছিলো সেই হ্যান্ড গোলের ব্যাপারে। কিন্তু ম্যাচ রেফারির কাছে সেটি ছিলো সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি গোল। সর্বকালের অন্যতম সেরা কোনো খেলোয়াড়ের চিটিংবাজির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিল সেই গোলটি। সেবার ডিয়েগো আরমান্দো  ম্যারাডোনা কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বাধা তো  টপকানই সাথে করে দেশের জন্য নিয়ে আসেন দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি।

একই খেলোয়াড়কে তিনবার হলুদ কার্ড (২০০৬)

২০০৬ এর জার্মানি বিশ্বকাপে ইংলিশ রেফারি গ্রাহাম পোল একই খেলোয়াড়কে তিনবার হলুদ কার্ড প্রদর্শন করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। ম্যাচটি ছিল গ্রুপ স্টেজে অস্ট্রেলিয়া এবং ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার। আসামী ক্রোয়েট তারকা জসিপ সিমুনিক। ম্যাচের ৬১তম মিনিটে অসি ফুটবলার হ্যারি কিউয়েলকে এবং ৯০ মিনিটে আরেক অসি ফুটবলারকে রাফ ট্যাকেলের কারণে দুইটি হলুদ কার্ড পান সিমুনিক। কিন্তু রেফারি গ্রাহাম পোল বোধহয় ভুলে গিয়েছিলেন একই খেলোয়াড় একটি ম্যাচে দুইবার হলুদ কার্ড পেলে তাকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দিতে হয়। যায়হোক সিমুনিক কাকতালীয়ভাবে তৃতীয়বারের মতো এবং আশা করা যায় ইতিহাসের শেষবারের মতো এক ম্যাচে তিন নম্বর হলুদ কার্ড পান অতিরিক্ত সময়ের ৯৩তম  মিনিটে। রেফারি গ্রাহাম পোল সাম্প্রতিক ওয়ার্ল্ডকাপ গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি ভুলের নজির রেখে সিমুনিককে পরিশেষে সেই কাঙ্ক্ষিত লাল কার্ড প্রদশর্নের মাধ্যমে মাঠ থেকে সেন্ড অফ করেন।

(ঢাকাটাইমস/১০জুন/এমআই)

সংবাদটি শেয়ার করুন

খেলাধুলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :