ভুলতায় মেঘনা নদীর উপর সেতু হবে

পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ (পিপিপি) ভিত্তিতে ভুলতা আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর সড়কে মেঘনা নদীর উপর সেতু নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেতুটি নির্মান হলে ঢাকা থেকে আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং ভারতের আগরতলা’র সাথে দ্রুত সময়ে যোগাযোগ করা যাবে।
বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ কথা জানান। তিনি বলেন, পিপিপিতে যারা সেতু করবে, তারা সেতু থেকে টোল আদায়ের মাধ্যমে টাকা তুলে নেবে।
জানা গেছে, ভুলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর সড়কে (আর-২০৩) মেঘনা নদীর উপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের ফলে মহাসড়ক এন১০২ (কুমিল্লা- সিলেট মহাসড়ক) এর সাথে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের সার্বিক দৃশ্যপট এর পরিবর্তন ঘটবে; যা ঢাকা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া- সিলেট রুটের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যাবে এবং এশিয়ান হাইওয়ে এর সাথে যুক্ত হয়ে আগরতলা (ভারত) পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হবে।
এছারা বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘৩৫টি ড্রেজার ও সহায়ক জলযানসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের প্যাকেজ-০২ (লট-১ ও লট-২) এর আওতায় ১৭টি টাগবোট সংগ্রহের লক্ষ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুকরণের প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়।
নীলফামারী জেলার সাবেক জুট ট্রেডিং করপোরেশন (জেটিসি) বর্তমান বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের (বিজেসি) মেসার্স হৃদকরণ নামীয় অংগনের ০.০৯ একর সম্পত্তি ক্রেতা বরাবর রেজিস্ট্রি দলিল প্রদানের বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটি।
এ প্রস্তাবের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, নীলফামারীর সাবেক জুট ট্রেডিং করপোরেশন (জেটিসি) বর্তমান বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের (বিজেসি) (বিলুপ্ত) মালিকানাধীন নীলফামারী বাজার মৌজায় ০.২৩ একর, অর্থাৎ ২৩ শতাংশ জমি ১৯৮১ সালে পত্রিকায় দরপত্র প্রকাশের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। পরে ০.২৩ একর জমির মধ্যে ০.১৪ একর জমির মালিকানা নিয়ে মামলা হলে উচ্চ আদালতের (আপিল বিভাগ) রায়ের প্রেক্ষিতে কাজী আব্দুর কাদের শূন্য দশমিক ১৪ একর জমি রেজিস্ট্রি করে নিয়ে নেন। এতে হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক অবশিষ্ট ০.০৯ একর অর্থাৎ ৯ শতাংশ জমি পূর্বনির্ধারিত দরপত্র মূল্যে এক লাখ টাকায় মেসার্স নর্দান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী গোপাল মহেশ্বরীর উত্তরাধিকারী হিসেবে অশোক মহেশ্বরী বরাবরে রেজিস্ট্রি প্রদানের লক্ষ্যে অনুমোদনের জন্য অর্থনৈতিক বিষ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হলে তাতে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়।
(ঢাকাটাইমস/১৯আগস্ট/জেআর)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











