পে-স্কেলের গ্রেড সংখ্যা নিয়ে আসছে বড় পরিবর্তন

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে বুধবার অনুষ্ঠিতব্য পূর্ণ কমিশনের সভা স্থগিত করা হয়। কারণ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি। জাতীয় বেতন কমিশন জানিয়েছে, স্থগিত সভার নতুন তারিখ দ্রুত নির্ধারণ করা হবে।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত জুলাইয়ে এই কমিশন গঠন করেছিল। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
নবম পে-স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বজায় থাকবে নাকি কমানো হবে, তা নিয়ে কমিশনের সদস্যদের মধ্যে তিনটি ভিন্ন মত দেখা দিয়েছে:
প্রথম পক্ষ: বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রেখে কেবল যৌক্তিক হারে বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করা।
দ্বিতীয় পক্ষ: বেতন বৈষম্য কমাতে গ্রেড সংখ্যা ২০টি থেকে কমিয়ে ১৬টি করার প্রস্তাব।
তৃতীয় পক্ষ: বৈষম্য দূর করতে আরও আমূল পরিবর্তন এনে গ্রেড সংখ্যা ১৪টি করার পক্ষে মত দিয়েছেন অনেকে।
বৈষম্য নিরসন ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন
পে-কমিশনের সূত্র জানিয়েছে, গ্রেড সংখ্যা বেশি হওয়ায় নিম্নধাপের কর্মচারীদের মধ্যে বেতন বৈষম্য প্রকট। তাই গ্রেড কমিয়ে একটি বাস্তবসম্মত সুপারিশ তৈরির চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন থেকে প্রাপ্ত মতামতগুলো বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। যদিও প্রতিবেদন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তবে ডিসেম্বরের ১৫ তারিখের মধ্যে গেজেট প্রকাশের জন্য কর্মচারীদের পক্ষ থেকে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












