নতুন পে-স্কেলে একাধিক দুঃসংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:১৪
অ- অ+

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। নতুন পে-স্কেলে মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হলেও কয়েকটি ভাতার হার কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে উচ্চ গ্রেডের চাকরিজীবীদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের হারও কমছে।

শনিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। তবে বেতন বৃদ্ধির পুরোটা একসঙ্গে কার্যকর হবে না। ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে।

নতুন পে-স্কেলে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে বাড়িভাড়া ভাতায়। বর্তমানে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় গ্রেডভেদে মূল বেতনের ৫০ থেকে ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িভাড়া দেওয়া হয়। নতুন কাঠামোয় এই হার কমিয়ে ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ঢাকা সিটি করপোরেশনের বাইরে অন্যান্য সিটি করপোরেশন ও সাভার উপজেলায় বর্তমানে মূল বেতনের ৪০ থেকে ৫৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া দেওয়া হয়। নতুন কাঠামোয় তা কমিয়ে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে। ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও সাভারের বাইরে কর্মরতদের ক্ষেত্রে বর্তমান ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশের পরিবর্তে ২৫ থেকে ৪৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে মূল বেতন বাড়ার কারণে ভাতার হার কমলেও টাকার অঙ্কে বাড়িভাড়া আগের তুলনায় বাড়তে পারে।

বাংলা নববর্ষ ভাতার হারও কমানো হয়েছে। বর্তমানে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে এ ভাতা দেওয়া হয়। নতুন কাঠামোয় তা কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে উচ্চ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের হারও কমানো হচ্ছে। বর্তমানে সব গ্রেডের চাকরিজীবী মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পান।

নতুন কাঠামোয় ২০তম থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বহাল থাকছে। তবে পঞ্চম গ্রেডে ৪ শতাংশ, চতুর্থ ও তৃতীয় গ্রেডে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং দ্বিতীয় গ্রেডে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনীতেও একই নীতি প্রযোজ্য হবে। ক্যাপ্টেন ও সমতুল্য এবং তার নিচের পদে ৫ শতাংশ, মেজর পদে ৪ শতাংশ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও কর্নেল পদে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও সমপদে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের প্রস্তাব রয়েছে।

তবে শিক্ষাসহায়ক ভাতা, কার্যভার ভাতা, আপ্যায়ন ভাতা, কুক অ্যান্ড সিকিউরিটিজ অ্যালাউন্স, উৎসব ভাতা এবং শ্রান্তি, বিনোদন ছুটি ও ভাতার বিদ্যমান হার ও পরিমাণ বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। ঝুঁকি ভাতাসহ বিভিন্ন বিশেষ ভাতার পরিমাণও বিদ্যমানের তুলনায় ২০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া দুর্গম পার্বত্য এলাকায় কর্মরতদের পাহাড়ি ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ বহাল থাকছে। হাওর, দ্বীপ ও চরভাতার হারও মূল বেতনের ২০ শতাংশ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
রূপগঞ্জে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন নির্বাচন উপলক্ষে  বিএনপির মতবিনিময় সভা 
মৃত্যুর এক বছর পর জুবিন গার্গের নতুন বাংলা গান প্রকাশ
যে কারণে টেস্ট দলে ৩ জন অতিরিক্ত ক্রিকেটার রেখেছে বাংলাদেশ
রিয়াদ বিমানবন্দরের কাছে ধোঁয়া, বাতিল ও বিলম্ব বহু ফ্লাইট