২০৩০ এর মধ্যে গ্যাসের চাহিদা-সরবরাহের পার্থক্য শূন্যে নামিয়ে আনা হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

২০৩০-এর মধ্যে গ্যাস চাহিদা-সরবরাহের পার্থক্য শূন্যে নামিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের মধ্যে সরকার ১৫০টি কূপ খননের যে পরিকল্পনা নিয়েছে, এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ২৯টি কূপ খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে তিতাস ২৮ নম্বর কূপ থেকে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের শুরু হয়েছে। এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগ ২০৩০ সাল নাগাদ চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে পার্থক্য দূর করতে সহায়তা করবে। এই কূপের গ্যাসের স্বস্তি আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে পার্থক্য শূন্যে নামিয়ে আনা হবে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের আলাপকালে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় ২৮ নম্বর কূপের প্রকল্প পরিচালক জসিম উদ্দিন মুন্না জানান, কূপটি ওয়েলহেড শাট-ইন প্রেসার ৩৬০০ পিএসআই এবং ফ্লোয়িং প্রেসার ২১০০ পিএসআই। দীর্ঘসময় কূপটি থেকে গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। বর্তমানে প্রতিদিন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উত্তোলন করে তা গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় তিতাস ২৮ নম্বর কূপের খনন কাজ শুরু হয়। খনন কাজ শেষ হয় গত ২৭ মে। এরপর পরীক্ষামূলকভাবে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয় গত ১৯ জুন। ইতোমধ্যে কূপটি থেকে প্রায় দুইশত কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল হক, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল জলিল প্রামানিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
(ঢাকা টাইমস/১৯সেপ্টেম্বর/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











