জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি-নথি ব্যবহারে দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ২১ আগস্ট ২০২৬, ১৭:২০
অ- অ+

দাপ্তরিক কাজে ডি-নথির ব্যবহার বাড়ানো এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে শুক্রবার সকালে গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়।

ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহর নির্দেশনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারই প্রথম ডি-নথি বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা, দ্রুততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কাগজহীন (পেপারলেস) অফিস বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের ২৫ জন কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরে নিজ নিজ দপ্তরে ডি-নথি কার্যক্রম চালু ও বাস্তবায়নে সহায়তা করবেন তাঁরা।

দুই দিনের প্রশিক্ষণে ই-নথি ও ডি-নথি ব্যবস্থার পরিচিতি, লগইন প্রক্রিয়া, প্রোফাইল ব্যবস্থাপনা, ডাক আপলোড ও ব্যবস্থাপনা, ডাক ট্র্যাকিং, অনলাইনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নথি উপস্থাপন, নোট লেখা ও খসড়া পত্র তৈরির বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া ডিজিটাল নথি নম্বর, শাখা কোড, নথির ধরন কোডসহ ডি-নথি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

প্রশিক্ষণে বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মুহাম্মদ নাজমুল ইসলাম ও উপপরিচালক দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র দাস।

প্রশিক্ষণের প্রথম দিনের সমাপনী সেশনে ডিজিটাল নথি নম্বর, নথির ধরন কোড এবং গ্রুপ প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল শনিবার সমাপনী মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষ হবে। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ দেওয়া হবে।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছান।

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চান আইজিপি
ধর্মীয় সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক ভোট ব্যাংক হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি
সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য: প্রধানমন্ত্রী