ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হামের উপসর্গে মৃত্যু ১

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৬৩৩ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৪১৯ জনের মৃত্যু হলো।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন রোগী ভর্তি হওয়ার পর বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৬ হাজার ২৩৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
চলতি বছরের শুরুতে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকলেও সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে এবং মার্চ ও এপ্রিলে কেউ মারা যাননি। মে মাসে একজন এবং জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়। জুলাইয়ে ৩৬ ও আগস্টে ৪৩ জন মারা যান। সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। ওই মাসে ডেঙ্গুতে প্রাণ হারান ১৪৮ জন।
এর আগে ২০২৫ সালে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। তাদের মধ্যে মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। আর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। ওই বছর মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।
হামের উপসর্গে আরও একজনের মৃত্যু
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮৪ জন।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন করে মারা যাওয়া ব্যক্তির বাড়ি ঢাকা বিভাগে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০৫ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১৪৭ জন।
এদিকে একই সময়ে সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৬৬০ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এ রোগের ঝুঁকি বিবেচনায় দ্রুত শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং টিকাদান কার্যক্রমের গুরুত্ব বাড়ছে।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













