ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ
গোয়ালন্দের সাবেক ইউএনও সাথী দাসের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও তথ্য সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাসের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন নিয়োগে বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ড থেকে ঝাড়ু হাতে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। মিছিলটি ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় মহিলা দল, ছাত্রদল, যুবদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
মিছিল থেকে আন্দোলনকারীরা নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিভিন্ন স্লোগান দেন। একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী ও তথ্য সুপারভাইজার নিয়োগের পূর্ববর্তী পরীক্ষা বাতিল করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় পুনরায় নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান।
বাদ পড়া শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান লিমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন গোয়ালন্দ পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জিয়াউল হুদা উজ্জ্বল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম মৃধা মুক্তার, সদস্য মিজানুর রহমান লাল্টু, ছোট ভাকলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা হিমেল, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রেজাউল হাসান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক মো. সবুজ সরদার, পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মুক্তার মাহমুদ, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মোছা. ছালেহা আক্তার বুলবুলি, পৌর মহিলা দলের সভাপতি মোছা. রাজিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মোছা. রাশেদা আক্তার লিপি দেলোয়ারসহ অন্যরা।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, সাবেক ইউএনও সাথী দাস স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহকারী ও তথ্য সুপারভাইজার নিয়োগ দিয়েছেন। এতে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে তাঁদের দাবি। তাঁরা অবিলম্বে ওই নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগের দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে কয়েকজন বক্তা আরও অভিযোগ করেন, উপজেলায় কর্মরত কয়েকজন কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের দোসর। তাঁদের প্রত্যাহারের দাবিও জানান তাঁরা।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়। পরে পরিস্থিতি শান্ত থাকে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাসের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































