ময়মনসিংহে অপহৃত যুবক কাফরুলে উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারি ২০২২, ২২:৪৬

ময়মনসিংহ থেকে অপহৃত যুবক এহসান রাব্বি পাহলোয়ানকে রাজধানীর কাফরুল থেকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১। এ ঘটনার সাথে জড়িত দুজনকে আটক করেছে র‌্যাব।

আটকরা হলেন- সিরাজগঞ্জ জেলার ইমরান আলীর ছেলে রিপন হোসেন আর একই জেলার আবদুল মান্নান প্রামানিকের মেয়ে লাবণ্য।

শনিবার রাতে র‌্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নোমান আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে নগদ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২১ জানুয়ারি লাবণ্য মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এহসান রাব্বিকে রাজধানীর কাফরুল থানার মিরপুর-১০ এলাকায় নিয়ে আসে। ওই দিন দুপুর দুইটার দিকে এহসান রাব্বির ভাইকে অপহরণকারীরা জানান যে, রাব্বিকে তারা অপহরণ করেছে। মুক্তিপণ হিসেবে ১০ লাখ টাকা দাবি করে।

মুক্তিপণ না দিলে অপহরণকারীরা রাজিবকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তখন রাজিবের ভাই দিশেহারা হয়ে অপহরণকারীদের কথা মতো তাদের দেয়া বিকাশ নম্বরে ২৫ হাজার টাকা দেয়। আটকরা রাজিবের বিকাশ একাউন্ট থেকে ২৪ হাজার ৫০০ টাকা ক্যাশআউট করে নেয়।

আটকরা বাকি টাকা পরিশোধের জন্য রাজিবের ভাইকে চাপ দিতে থাকে। তখন রাজিবের ভাই কোনো উপায় না পেয়ে র‌্যাব-১ এর দপ্তরে অভিযোগ করেন। পরে র‌্যাব-১ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।

শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে র‌্যাব-১ এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদে জানতে পারে যে, কাফরুল থানার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মিরপুর ১০ নম্বর সেনপাড়া পর্বতা এলাকায় অপহরণকারীরা অপহৃত রাজিবসহ অবস্থান করছে। তখন র‌্যাবের দলটি মিরপুর-১০ নম্বর সেনপাড়া পর্বতার মেহেদী হাসান বাবুলের বাসা মাতবর ভিলা হোল্ডি নং-৩৭১/২ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে রিপন হোসেন এবং লাবনী মিষ্টি ওরফে লাবণ্য নামের অপহরণকারী চক্রের দুজন সদস্যকে আটক করা হয়।

র‌্যাব জানায়, আটকরা একটি সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের সদস্য। এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড রিপন হোসেন। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে। তাদের অপহরণের পরিকল্পনা অনুযায়ী সহযোগী লাবণ্যের মাধ্যমে প্রথমে রাজিবের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরবর্তীতে রাজিবের সাথে শারীরিক সম্পর্কের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সুবিধাজনক জায়গায় এনে তাকে আটক করে।

এছাড়াও রিপন হোসেন ভুক্তভোগীর পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে নিজেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দেয়। টাকার বিনিময়ে ভুক্তভোগীদের ফিরিয়ে দেয়ার প্রস্তাব দেয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে ভুক্তভোগীদের শারীরিক সম্পর্কের লোভ দেখিয়ে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করত।

(ঢাকাটাইমস/২২ জানুয়ারি/এএ/আইএইচ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানী বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :