জকসু নির্বাচন: শিবিরের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে হেনস্তা ও পুলিশে সোপর্দের অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য পরিষদের ভিপি (সহসভাপতি) প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী মাহিমা আক্তারকে হেনস্তা এবং পরে পুলিশে সোপর্দ করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। যদিও পরে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মাহিমা আক্তার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থানকালে হিজাব ও নিকাব পরিহিত মাহিমা আক্তারের পরিচয় জানতে চেয়ে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তার কাছে নিকাব ও মাস্ক খুলতে বলেন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তাকে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা পুলিশের কাভার্ড ভ্যান আটকে সামনে অবস্থান নেন।
অভিযোগে যাদের নাম উঠে এসেছে, তারা হলেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কাজী জিয়াউদ্দীন বাসিত, জবি শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম, বর্তমান সদস্য সচিব সামছুল আরেফিনসহ অন্যরা।
ভুক্তভোগী মাহিমা আক্তার বলেন, “আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে অবস্থান করছিলাম। তখন ছাত্রদলের কয়েকজন ভাই এসে আমাকে হেনস্তা করেন। আমার সঙ্গে একজন আত্মীয় ছিলেন। আমি হিজাব ও মাস্ক পরিহিত থাকায় তারা তা খুলতে বলেন, যা আমার জন্য বিব্রতকর ছিল।”
এ বিষয়ে ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “মাহিমা আমার স্ত্রী এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে আমাদের প্যানেলের হয়ে কাজ করছিলেন। সকাল থেকেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গেটের বাইরে ধাক্কাধাক্কি করছিল। পরে পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।”
তিনি আরও বলেন, “মাহিমা বাইরে অবস্থান করার সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এক ধরনের ‘মব’ পরিস্থিতি তৈরি করে। এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।”
এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি সমাধান করা হয়েছে।”
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন









